ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় পতাকা বিধি যথাযথভাবে প্রতিপালনের নির্দেশনা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৪৮:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • ২০ বার

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসসহ সরকার নির্ধারিত বিভিন্ন দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও ব্যবহারে ‘জাতীয় পতাকা বিধিমালা’ যথাযথভাবে প্রতিপালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসসহ সরকার নির্ধারিত বিভিন্ন দিবসে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ১৯৭২ সালে প্রণীত (২০১০ সালে সংশোধিত) ‘জাতীয় পতাকা বিধিমালা’য় জাতীয় পতাকা যথাযথভাবে ব্যবহারের বিষয়ে নির্দেশনা মেনে চলা প্রতিটি নাগরিকের অবশ্য কর্তব্য।

বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪(১) অনুযায়ী, ‘প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হচ্ছে সবুজ ক্ষেত্রের ওপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।’

অন্যদিকে, পতাকা বিধিতে বলা হয়েছে, পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং সবুজের ভিতরে একটি লাল বৃত্ত থাকবে। জাতীয় পতাকার মাপ হবে ১০:৬ দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের আয়তাকার ক্ষেত্রের গাঢ় সবুজ রঙের মাঝে লাল বৃত্ত। বৃত্তটি দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট হবে। ভবনের আয়তন অনুযায়ী পতাকা ব্যবহারের তিন ধরনের মাপ হচ্ছে ১০:৬, ৫:৩ এবং ২.৫: ১.৫ ।

পতাকা দ্বারা মোটরযান, রেলগাড়ি অথবা নৌযানের খোল, সম্মুখভাগ অথবা পশ্চাদ্ভাগে কোনো অবস্থাতেই আচ্ছাদিত করা যাবে না।

বাংলাদেশের পতাকার উপরে অন্য কোনো পতাকা বা রঙিন পতাকা উত্তোলন করা যাবে না। যে ক্ষেত্রে দণ্ডের উপর ছাড়া অন্যভাবে কোনো দেয়ালের উপর পতাকা প্রদর্শিত হয়, সেই ক্ষেত্রে পতাকাটি দেয়ালের সমতলে প্রদর্শিত হবে। কোনো পাবলিক অডিটোরিয়াম বা সভায় পতাকা প্রদর্শন করতে হলে বক্তার পিছনে উপরের দিকে স্থাপন করতে হবে। রাস্তার মধ্যখানে পতাকা প্রদর্শিত হলে তা খাড়াভাবে প্রদর্শিত হবে।

কবরস্থানে জাতীয় পতাকা নিচু করা যাবে না বা ভূমি স্পর্শ করানো যাবে না। পতাকা কখনই আনুভূমিকভাবে বা সমতলে বহন করা যাবে না, সর্বদাই ঊর্ধ্বে এবং মুক্তভাবে থাকবে। পতাকা দ্রুততার সাথে উত্তোলন করতে হবে এবং সসম্মানে নামাতে হবে। যে ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা উত্তোলন করা হয়, সেই ক্ষেত্রে একইসাথে জাতীয় সংগীত গাইতে হবে। যখন জাতীয় সংগীত বাজানো হয় এবং জাতীয় পতাকা প্রদর্শিত হয়, তখন উপস্থিত সকলে পতাকার দিকে মুখ করে দাঁড়াবেন। ইউনিফর্মধারীরা স্যালুটরত থাকবেন।

যেক্ষেত্রে মোটর গাড়িতে পতাকা প্রদর্শন করা হয়, সেক্ষেত্রে গাড়ির চেসিস অথবা রেডিয়েটর ক্যাপের ক্ল্যাম্পের সাথে পতাকা দণ্ড দৃঢ়ভাবে আটকাতে হবে। পতাকার উপর কোনো কিছু লিপিবদ্ধ করা যাবে না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় পতাকা বিধি যথাযথভাবে প্রতিপালনের নির্দেশনা

আপডেট টাইম : ১০:৪৮:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসসহ সরকার নির্ধারিত বিভিন্ন দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও ব্যবহারে ‘জাতীয় পতাকা বিধিমালা’ যথাযথভাবে প্রতিপালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসসহ সরকার নির্ধারিত বিভিন্ন দিবসে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ১৯৭২ সালে প্রণীত (২০১০ সালে সংশোধিত) ‘জাতীয় পতাকা বিধিমালা’য় জাতীয় পতাকা যথাযথভাবে ব্যবহারের বিষয়ে নির্দেশনা মেনে চলা প্রতিটি নাগরিকের অবশ্য কর্তব্য।

বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪(১) অনুযায়ী, ‘প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হচ্ছে সবুজ ক্ষেত্রের ওপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।’

অন্যদিকে, পতাকা বিধিতে বলা হয়েছে, পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং সবুজের ভিতরে একটি লাল বৃত্ত থাকবে। জাতীয় পতাকার মাপ হবে ১০:৬ দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের আয়তাকার ক্ষেত্রের গাঢ় সবুজ রঙের মাঝে লাল বৃত্ত। বৃত্তটি দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট হবে। ভবনের আয়তন অনুযায়ী পতাকা ব্যবহারের তিন ধরনের মাপ হচ্ছে ১০:৬, ৫:৩ এবং ২.৫: ১.৫ ।

পতাকা দ্বারা মোটরযান, রেলগাড়ি অথবা নৌযানের খোল, সম্মুখভাগ অথবা পশ্চাদ্ভাগে কোনো অবস্থাতেই আচ্ছাদিত করা যাবে না।

বাংলাদেশের পতাকার উপরে অন্য কোনো পতাকা বা রঙিন পতাকা উত্তোলন করা যাবে না। যে ক্ষেত্রে দণ্ডের উপর ছাড়া অন্যভাবে কোনো দেয়ালের উপর পতাকা প্রদর্শিত হয়, সেই ক্ষেত্রে পতাকাটি দেয়ালের সমতলে প্রদর্শিত হবে। কোনো পাবলিক অডিটোরিয়াম বা সভায় পতাকা প্রদর্শন করতে হলে বক্তার পিছনে উপরের দিকে স্থাপন করতে হবে। রাস্তার মধ্যখানে পতাকা প্রদর্শিত হলে তা খাড়াভাবে প্রদর্শিত হবে।

কবরস্থানে জাতীয় পতাকা নিচু করা যাবে না বা ভূমি স্পর্শ করানো যাবে না। পতাকা কখনই আনুভূমিকভাবে বা সমতলে বহন করা যাবে না, সর্বদাই ঊর্ধ্বে এবং মুক্তভাবে থাকবে। পতাকা দ্রুততার সাথে উত্তোলন করতে হবে এবং সসম্মানে নামাতে হবে। যে ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা উত্তোলন করা হয়, সেই ক্ষেত্রে একইসাথে জাতীয় সংগীত গাইতে হবে। যখন জাতীয় সংগীত বাজানো হয় এবং জাতীয় পতাকা প্রদর্শিত হয়, তখন উপস্থিত সকলে পতাকার দিকে মুখ করে দাঁড়াবেন। ইউনিফর্মধারীরা স্যালুটরত থাকবেন।

যেক্ষেত্রে মোটর গাড়িতে পতাকা প্রদর্শন করা হয়, সেক্ষেত্রে গাড়ির চেসিস অথবা রেডিয়েটর ক্যাপের ক্ল্যাম্পের সাথে পতাকা দণ্ড দৃঢ়ভাবে আটকাতে হবে। পতাকার উপর কোনো কিছু লিপিবদ্ধ করা যাবে না।