মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সমমর্যাদার উপদেষ্টাদের তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর কিশোরগঞ্জে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে প্রবীণ রাজনীতিক ড. এম ওসমান ফারুকের অবস্থান। জেলাবাসীর একাংশ মনে করছেন, অভিজ্ঞতা, সততা ও সাংগঠনিক অবদানের বিচারে তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রত্যাশিত ছিল।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর নেতৃত্বে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা গঠনের পর থেকেই স্থানীয় রাজনীতিতে এ বিষয়টি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। নেতাকর্মীদের ভাষ্য, কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ড. এম ওসমান ফারুকের গ্রহণযোগ্যতা ছিল উল্লেখযোগ্য। তাঁদের দাবি, তাঁর মতো অভিজ্ঞ নেতাকে মনোনয়ন না দিলে আসনটি পুনরুদ্ধার কঠিন হতো।
২০০১ সালে কিশোরগঞ্জ-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনি জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–এর নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকালে নকলবিরোধী কার্যক্রম ও শিক্ষাঙ্গনে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় তাঁর উদ্যোগ আলোচিত হয়। দলীয় সূত্রগুলো বলছে, সেই অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক দক্ষতার কারণেই এবারও তাঁর প্রতি প্রত্যাশা ছিল বেশি।
এবারের নির্বাচনে দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত কিশোরগঞ্জ জেলার ছয়টি আসনেই বিএনপি জয়লাভ করেছে। ফলে জেলাবাসীর প্রত্যাশা ছিল—এই রাজনৈতিক সাফল্যের প্রতিফলন মন্ত্রিসভায়ও দেখা যাবে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, জেলার এমন ঐতিহাসিক বিজয়ের পরও যদি কিশোরগঞ্জ মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব না পায়, তবে তা রাজনৈতিকভাবে কী বার্তা দেবে?
তবে দলীয় নীতিনির্ধারকদের মতে, সরকার গঠনে নানা সমীকরণ ও কৌশল বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সময়ের প্রয়োজনে অভিজ্ঞ নেতাদের আরও বড় দায়িত্বেও দেখা যেতে পারে—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করছেন অনেকে।
কিশোরগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—ড. এম ওসমান ফারুককে ঘিরে ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত। জেলাবাসী তাকিয়ে আছে দলীয় নেতৃত্বের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।
Reporter Name 

























