ঢাকা ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

ড. এম ওসমান ফারুককে ঘিরে কিশোরগঞ্জে আলোচনা: মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব না থাকায় জেলাবাসীর প্রশ্ন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:১৯:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩৬ বার

মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সমমর্যাদার উপদেষ্টাদের তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর কিশোরগঞ্জে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে প্রবীণ রাজনীতিক ড. এম ওসমান ফারুকের অবস্থান। জেলাবাসীর একাংশ মনে করছেন, অভিজ্ঞতা, সততা ও সাংগঠনিক অবদানের বিচারে তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রত্যাশিত ছিল।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর নেতৃত্বে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা গঠনের পর থেকেই স্থানীয় রাজনীতিতে এ বিষয়টি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। নেতাকর্মীদের ভাষ্য, কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ড. এম ওসমান ফারুকের গ্রহণযোগ্যতা ছিল উল্লেখযোগ্য। তাঁদের দাবি, তাঁর মতো অভিজ্ঞ নেতাকে মনোনয়ন না দিলে আসনটি পুনরুদ্ধার কঠিন হতো।

২০০১ সালে কিশোরগঞ্জ-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনি জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–এর নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকালে নকলবিরোধী কার্যক্রম ও শিক্ষাঙ্গনে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় তাঁর উদ্যোগ আলোচিত হয়। দলীয় সূত্রগুলো বলছে, সেই অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক দক্ষতার কারণেই এবারও তাঁর প্রতি প্রত্যাশা ছিল বেশি।

এবারের নির্বাচনে দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত কিশোরগঞ্জ জেলার ছয়টি আসনেই বিএনপি জয়লাভ করেছে। ফলে জেলাবাসীর প্রত্যাশা ছিল—এই রাজনৈতিক সাফল্যের প্রতিফলন মন্ত্রিসভায়ও দেখা যাবে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, জেলার এমন ঐতিহাসিক বিজয়ের পরও যদি কিশোরগঞ্জ মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব না পায়, তবে তা রাজনৈতিকভাবে কী বার্তা দেবে?
তবে দলীয় নীতিনির্ধারকদের মতে, সরকার গঠনে নানা সমীকরণ ও কৌশল বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সময়ের প্রয়োজনে অভিজ্ঞ নেতাদের আরও বড় দায়িত্বেও দেখা যেতে পারে—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করছেন অনেকে।

কিশোরগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—ড. এম ওসমান ফারুককে ঘিরে ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত। জেলাবাসী তাকিয়ে আছে দলীয় নেতৃত্বের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

ড. এম ওসমান ফারুককে ঘিরে কিশোরগঞ্জে আলোচনা: মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব না থাকায় জেলাবাসীর প্রশ্ন

আপডেট টাইম : ১২:১৯:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সমমর্যাদার উপদেষ্টাদের তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর কিশোরগঞ্জে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে প্রবীণ রাজনীতিক ড. এম ওসমান ফারুকের অবস্থান। জেলাবাসীর একাংশ মনে করছেন, অভিজ্ঞতা, সততা ও সাংগঠনিক অবদানের বিচারে তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রত্যাশিত ছিল।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর নেতৃত্বে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা গঠনের পর থেকেই স্থানীয় রাজনীতিতে এ বিষয়টি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। নেতাকর্মীদের ভাষ্য, কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ড. এম ওসমান ফারুকের গ্রহণযোগ্যতা ছিল উল্লেখযোগ্য। তাঁদের দাবি, তাঁর মতো অভিজ্ঞ নেতাকে মনোনয়ন না দিলে আসনটি পুনরুদ্ধার কঠিন হতো।

২০০১ সালে কিশোরগঞ্জ-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনি জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–এর নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকালে নকলবিরোধী কার্যক্রম ও শিক্ষাঙ্গনে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় তাঁর উদ্যোগ আলোচিত হয়। দলীয় সূত্রগুলো বলছে, সেই অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক দক্ষতার কারণেই এবারও তাঁর প্রতি প্রত্যাশা ছিল বেশি।

এবারের নির্বাচনে দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত কিশোরগঞ্জ জেলার ছয়টি আসনেই বিএনপি জয়লাভ করেছে। ফলে জেলাবাসীর প্রত্যাশা ছিল—এই রাজনৈতিক সাফল্যের প্রতিফলন মন্ত্রিসভায়ও দেখা যাবে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, জেলার এমন ঐতিহাসিক বিজয়ের পরও যদি কিশোরগঞ্জ মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব না পায়, তবে তা রাজনৈতিকভাবে কী বার্তা দেবে?
তবে দলীয় নীতিনির্ধারকদের মতে, সরকার গঠনে নানা সমীকরণ ও কৌশল বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সময়ের প্রয়োজনে অভিজ্ঞ নেতাদের আরও বড় দায়িত্বেও দেখা যেতে পারে—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করছেন অনেকে।

কিশোরগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—ড. এম ওসমান ফারুককে ঘিরে ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত। জেলাবাসী তাকিয়ে আছে দলীয় নেতৃত্বের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।