ঢাকা ১২:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

এক জালেই উঠলো ৬ হাজার কেজি লাল কোরাল, বিক্রি হলো ৩৫ লাখ টাকায়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:১১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫ বার

কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনের কাছে বঙ্গোপসাগরে জালে ধরা পড়ল ৬ হাজার কেজি লাল কোরাল যা বিক্রি হয়েছে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা। স্থানীয়রা জানায় সেন্টমার্টিন দ্বীপসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে নিয়মিত মাছ ধরে জেলেরা।

বুধবার ভোরে এক জেলের জালে ধরা পড়েছে প্রায় ৬ হাজার কেজি ওজনের সামুদ্রিক লাল কোরাল মাছ। এক জালে এত বিপুল পরিমাণ মাছ ধরা পড়ায় জেলে ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। মাছগুলো প্রায় ৩৫ লাখ টাকায় স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি হয়েছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) প্রতি রাতের মত মাছ ধরতে যায় মিজানের মালিকানাধীন ফিশিং বোট। গভীর রাতে হঠাৎ ঝাঁকে ঝাঁকে তার জালে ধরা পড়ে লাল কোরাল। পরে বিপুল পরিমাণ মাছ বোঝাই ট্রলার টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ফিশারি ঘাটে পৌঁছায়।

টেকনাফ সদর কেরনতলী এলাকার মিজানের মালিকানাধীন একটি ট্রলার ও একটি নৌকা ২১ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে সমুদ্রে যায়। সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্বে বঙ্গোপসাগরে জেলেরা বড় একটি মাছের ঝাঁক দেখতে পান। পরে চারদিক থেকে জাল ফেললে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিপুল পরিমাণ লাল কোরাল মাছ ধরা পড়ে।

জেলেদের তথ্যমতে, ধরা পড়া মাছের সংখ্যা প্রায় এক হাজারের বেশি এবং প্রতিটি মাছের ওজন আনুমানিক ৫ থেকে ৭ কেজি। সব মিলিয়ে মোট ওজন প্রায় দেড়শ মণ, অর্থাৎ প্রায় ৬ হাজার কেজি।

ফিশারি ঘাটে পৌঁছানোর পর স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী মো. রশিদ প্রতি মণ ২৬ হাজার টাকা দরে মাছগুলো কিনে নেন। এতে মোট বিক্রয়মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৩৫ লাখ টাকা।

মাছ ব্যবসায়ী মো. রশিদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মাছের ব্যবসা করছি। কিন্তু এক জালে এত লাল কোরাল মাছ ধরা পড়া সত্যিই বিরল ঘটনা। মাছগুলো বরফ দিয়ে সংরক্ষণ করে গাড়িযোগে ঢাকা যাত্রাবাড়ী, কারওয়ান বাজার, আব্দুল্লাহপুর কাঁচা মাছের আড়তে পাঠানো হচ্ছে।

স্থানীয় জেলেরা জানান, মৌসুমের শেষ দিকে এ ধরনের বড় ঝাঁক ধরা পড়া বিরল হলেও এটি তাদের জন্য বড় অর্থনৈতিক সাফল্য হিসেবে বিবেচিত।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

এক জালেই উঠলো ৬ হাজার কেজি লাল কোরাল, বিক্রি হলো ৩৫ লাখ টাকায়

আপডেট টাইম : ০৮:১১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনের কাছে বঙ্গোপসাগরে জালে ধরা পড়ল ৬ হাজার কেজি লাল কোরাল যা বিক্রি হয়েছে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা। স্থানীয়রা জানায় সেন্টমার্টিন দ্বীপসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে নিয়মিত মাছ ধরে জেলেরা।

বুধবার ভোরে এক জেলের জালে ধরা পড়েছে প্রায় ৬ হাজার কেজি ওজনের সামুদ্রিক লাল কোরাল মাছ। এক জালে এত বিপুল পরিমাণ মাছ ধরা পড়ায় জেলে ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। মাছগুলো প্রায় ৩৫ লাখ টাকায় স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি হয়েছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) প্রতি রাতের মত মাছ ধরতে যায় মিজানের মালিকানাধীন ফিশিং বোট। গভীর রাতে হঠাৎ ঝাঁকে ঝাঁকে তার জালে ধরা পড়ে লাল কোরাল। পরে বিপুল পরিমাণ মাছ বোঝাই ট্রলার টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ফিশারি ঘাটে পৌঁছায়।

টেকনাফ সদর কেরনতলী এলাকার মিজানের মালিকানাধীন একটি ট্রলার ও একটি নৌকা ২১ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে সমুদ্রে যায়। সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্বে বঙ্গোপসাগরে জেলেরা বড় একটি মাছের ঝাঁক দেখতে পান। পরে চারদিক থেকে জাল ফেললে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিপুল পরিমাণ লাল কোরাল মাছ ধরা পড়ে।

জেলেদের তথ্যমতে, ধরা পড়া মাছের সংখ্যা প্রায় এক হাজারের বেশি এবং প্রতিটি মাছের ওজন আনুমানিক ৫ থেকে ৭ কেজি। সব মিলিয়ে মোট ওজন প্রায় দেড়শ মণ, অর্থাৎ প্রায় ৬ হাজার কেজি।

ফিশারি ঘাটে পৌঁছানোর পর স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী মো. রশিদ প্রতি মণ ২৬ হাজার টাকা দরে মাছগুলো কিনে নেন। এতে মোট বিক্রয়মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৩৫ লাখ টাকা।

মাছ ব্যবসায়ী মো. রশিদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মাছের ব্যবসা করছি। কিন্তু এক জালে এত লাল কোরাল মাছ ধরা পড়া সত্যিই বিরল ঘটনা। মাছগুলো বরফ দিয়ে সংরক্ষণ করে গাড়িযোগে ঢাকা যাত্রাবাড়ী, কারওয়ান বাজার, আব্দুল্লাহপুর কাঁচা মাছের আড়তে পাঠানো হচ্ছে।

স্থানীয় জেলেরা জানান, মৌসুমের শেষ দিকে এ ধরনের বড় ঝাঁক ধরা পড়া বিরল হলেও এটি তাদের জন্য বড় অর্থনৈতিক সাফল্য হিসেবে বিবেচিত।