ঢাকা ০৩:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অভিনব পদ্ধতিতে পাখি তাড়াচ্ছে কৃষক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫৭:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩৭ বার

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় খেত থেকে পাখি তাড়াতে ফাঁদের বদলে রং বে-রঙের পলিথিন টাঙিয়ে দিচ্ছেন কৃষকরা। বাতাসে এসব পলিথিনের শো শো শব্দে উড়ে যাচ্ছে পাখি। ফলে রক্ষা পাচ্ছে খেতে রোপণ করা বিভিন্ন ফসলের বীজ। আর উপকৃত হচ্ছেন কৃষক।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে শুরু হয়েছে তরমুজ, সূর্যমুখী,ভুট্টা,মুগ ডালের আবাদ।  জমিতে বারবার বীজ রোপণ করেও তা রাখতে পারছিলেন না কৃষকরা। শালিকসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখির ঝাঁক এসে বীজ খেয়ে সাবার করে ফেলে। তাই কৃষকরা ফাঁদের পরিবর্তে জমির বিভিন্ন স্থানে লাঠি পুঁতে টাঙিয়ে দিচ্ছেন, ছোট বড় রং বেরঙের পলিথিন। শুধু পলিথিনই নয়, পুরাতন ক্যাসেটের ফিতা ও প্লাটিকের বস্তাসহ অনেক স্থানে রয়েছে কাকতাড়ুয়া। এমন অভিনব পদ্ধতি অবলম্বনে কৃষকরাও পাচ্ছেন সুফল।
কৃষক সোহরাব হোসেন বলেন, সে তার জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ করেছেন। দুই বার বীজ রোপণের করেন। কিন্তু পাখির অত্যাচারে তা রাখতে পারিনি। তাই বাধ্য হয়ে পাখি তারাতে এমন পদ্ধতি গ্রহন করা হয়েছে।
কৃষক জলিল প্যাদা বলেন, ঝাঁক বেঁধে আসা পাখিরা সব নষ্ট করে দিচ্ছেন। খেতের সব জায়গায় পলিথিন টাঙিয়ে দিয়েছি। এখন খেতে আর পাখি বসছে না। অপর এক কৃষক দিপক বলেন, আমরা পলিথিন পদ্ধতি সম্পর্কে জানতান না। যার কারণে দুই তিন বার করে বীজ রোপণ করতে হয়েছে। ফলে আমাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। এ বছর আমাদের এলাকার সবাই বীজ রোপণের পরই খেতের চারপাশে পলিথিন টাঙিয়ে দিয়েছে। ফলে পাখিরা বীজ নষ্ট করতে পারেনি। কলাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.আরাফাত হোসেন জানান, পাখির কবল থেকে খেতের বীজ রক্ষায় কৃষকদের এই অভিনব পদ্ধতিটি খুবই ভাল। আমরাও চাই সব কৃষকের মধ্যে এ পদ্ধতিটি ছড়িয়ে দিতে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিনব পদ্ধতিতে পাখি তাড়াচ্ছে কৃষক

আপডেট টাইম : ১১:৫৭:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় খেত থেকে পাখি তাড়াতে ফাঁদের বদলে রং বে-রঙের পলিথিন টাঙিয়ে দিচ্ছেন কৃষকরা। বাতাসে এসব পলিথিনের শো শো শব্দে উড়ে যাচ্ছে পাখি। ফলে রক্ষা পাচ্ছে খেতে রোপণ করা বিভিন্ন ফসলের বীজ। আর উপকৃত হচ্ছেন কৃষক।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে শুরু হয়েছে তরমুজ, সূর্যমুখী,ভুট্টা,মুগ ডালের আবাদ।  জমিতে বারবার বীজ রোপণ করেও তা রাখতে পারছিলেন না কৃষকরা। শালিকসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখির ঝাঁক এসে বীজ খেয়ে সাবার করে ফেলে। তাই কৃষকরা ফাঁদের পরিবর্তে জমির বিভিন্ন স্থানে লাঠি পুঁতে টাঙিয়ে দিচ্ছেন, ছোট বড় রং বেরঙের পলিথিন। শুধু পলিথিনই নয়, পুরাতন ক্যাসেটের ফিতা ও প্লাটিকের বস্তাসহ অনেক স্থানে রয়েছে কাকতাড়ুয়া। এমন অভিনব পদ্ধতি অবলম্বনে কৃষকরাও পাচ্ছেন সুফল।
কৃষক সোহরাব হোসেন বলেন, সে তার জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ করেছেন। দুই বার বীজ রোপণের করেন। কিন্তু পাখির অত্যাচারে তা রাখতে পারিনি। তাই বাধ্য হয়ে পাখি তারাতে এমন পদ্ধতি গ্রহন করা হয়েছে।
কৃষক জলিল প্যাদা বলেন, ঝাঁক বেঁধে আসা পাখিরা সব নষ্ট করে দিচ্ছেন। খেতের সব জায়গায় পলিথিন টাঙিয়ে দিয়েছি। এখন খেতে আর পাখি বসছে না। অপর এক কৃষক দিপক বলেন, আমরা পলিথিন পদ্ধতি সম্পর্কে জানতান না। যার কারণে দুই তিন বার করে বীজ রোপণ করতে হয়েছে। ফলে আমাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। এ বছর আমাদের এলাকার সবাই বীজ রোপণের পরই খেতের চারপাশে পলিথিন টাঙিয়ে দিয়েছে। ফলে পাখিরা বীজ নষ্ট করতে পারেনি। কলাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.আরাফাত হোসেন জানান, পাখির কবল থেকে খেতের বীজ রক্ষায় কৃষকদের এই অভিনব পদ্ধতিটি খুবই ভাল। আমরাও চাই সব কৃষকের মধ্যে এ পদ্ধতিটি ছড়িয়ে দিতে।