ঢাকা ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

অস্ট্রেলীয় পার্লামেন্টে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে টনি বার্কের শোক ও শ্রদ্ধা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৮:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৪ বার

বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন বিষয়ক মন্ত্রী এবং হাউস লিডার টনি বার্ক।

এক বিশেষ ভাষণে তিনি বাংলাদেশের এই কিংবদন্তি নেত্রীর রাজনৈতিক অবদান এবং দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে তার অগ্রণী ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. রাশেদুল হক মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি জানান।

খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে টনি বার্ক বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে এক অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি কেবল বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীই ছিলেন না, বরং দক্ষিণ এশিয়ার নারীদের জন্য তিনি ছিলেন একজন পথপ্রদর্শক। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে অস্ট্রেলীয় সরকারের পক্ষ থেকে তিনি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বার্ক উল্লেখ করেন যে, তিনি ব্যক্তিগতভাবে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে একটি শোকবার্তা পাঠিয়েছেন। সেই চিঠিতে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি অস্ট্রেলিয়ার সরকার ও জনগণের সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং এই কঠিন সময়ে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

তিনি তার ভাষণে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী এবং শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশ শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে যে যাত্রা অব্যাহত রেখেছে, অস্ট্রেলিয়া বরাবরের মতোই তাতে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন বেগম খালেদা জিয়া। তার মৃত্যুতে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রভাবশালী রাজনীতিবিদরা শোক প্রকাশ করেছেন। টনি বার্কের এই পার্লামেন্টারি ভাষণ বাংলাদেশের সাথে অস্ট্রেলিয়ার গভীর বন্ধুত্বেরই প্রতিফলন হিসেবে মনে করা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

অস্ট্রেলীয় পার্লামেন্টে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে টনি বার্কের শোক ও শ্রদ্ধা

আপডেট টাইম : ১১:৪৮:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন বিষয়ক মন্ত্রী এবং হাউস লিডার টনি বার্ক।

এক বিশেষ ভাষণে তিনি বাংলাদেশের এই কিংবদন্তি নেত্রীর রাজনৈতিক অবদান এবং দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে তার অগ্রণী ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. রাশেদুল হক মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি জানান।

খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে টনি বার্ক বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে এক অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি কেবল বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীই ছিলেন না, বরং দক্ষিণ এশিয়ার নারীদের জন্য তিনি ছিলেন একজন পথপ্রদর্শক। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে অস্ট্রেলীয় সরকারের পক্ষ থেকে তিনি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বার্ক উল্লেখ করেন যে, তিনি ব্যক্তিগতভাবে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে একটি শোকবার্তা পাঠিয়েছেন। সেই চিঠিতে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি অস্ট্রেলিয়ার সরকার ও জনগণের সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং এই কঠিন সময়ে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

তিনি তার ভাষণে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী এবং শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশ শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে যে যাত্রা অব্যাহত রেখেছে, অস্ট্রেলিয়া বরাবরের মতোই তাতে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন বেগম খালেদা জিয়া। তার মৃত্যুতে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রভাবশালী রাজনীতিবিদরা শোক প্রকাশ করেছেন। টনি বার্কের এই পার্লামেন্টারি ভাষণ বাংলাদেশের সাথে অস্ট্রেলিয়ার গভীর বন্ধুত্বেরই প্রতিফলন হিসেবে মনে করা হচ্ছে।