ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
কিংবদন্তি লিনু পাচ্ছেন স্বাধীনতা পদক ইরান হামলার ‘পরবর্তী ধাপ’ শুরু, ঘোষণা ইসরাইলের দীর্ঘ যুদ্ধের চূড়ান্ত প্রস্তুতি তেহরানের, নতুন অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি দেশ-বিদেশের অসংখ্য মানুষের দোয়া অগণিত শুভেচ্ছায় ভালো আছি -তানিয়া বৃষ্টি আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজে নিষেধাজ্ঞা দিলো ইসরায়েল হাজারো মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে গণতন্ত্রের ধারায় ফিরেছে বাংলাদেশ : রাষ্ট্রপতি সংসদের শুরুতেই সরকারকে চাপ দেবে বিরোধী দল বাজারদর: সবজি-মাংস আগের দামে ডিমের দাম আরও কম খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার বিএনপি সংসদ সদস্যদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

অস্ট্রেলীয় পার্লামেন্টে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে টনি বার্কের শোক ও শ্রদ্ধা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৮:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২২ বার

বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন বিষয়ক মন্ত্রী এবং হাউস লিডার টনি বার্ক।

এক বিশেষ ভাষণে তিনি বাংলাদেশের এই কিংবদন্তি নেত্রীর রাজনৈতিক অবদান এবং দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে তার অগ্রণী ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. রাশেদুল হক মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি জানান।

খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে টনি বার্ক বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে এক অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি কেবল বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীই ছিলেন না, বরং দক্ষিণ এশিয়ার নারীদের জন্য তিনি ছিলেন একজন পথপ্রদর্শক। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে অস্ট্রেলীয় সরকারের পক্ষ থেকে তিনি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বার্ক উল্লেখ করেন যে, তিনি ব্যক্তিগতভাবে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে একটি শোকবার্তা পাঠিয়েছেন। সেই চিঠিতে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি অস্ট্রেলিয়ার সরকার ও জনগণের সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং এই কঠিন সময়ে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

তিনি তার ভাষণে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী এবং শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশ শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে যে যাত্রা অব্যাহত রেখেছে, অস্ট্রেলিয়া বরাবরের মতোই তাতে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন বেগম খালেদা জিয়া। তার মৃত্যুতে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রভাবশালী রাজনীতিবিদরা শোক প্রকাশ করেছেন। টনি বার্কের এই পার্লামেন্টারি ভাষণ বাংলাদেশের সাথে অস্ট্রেলিয়ার গভীর বন্ধুত্বেরই প্রতিফলন হিসেবে মনে করা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

কিংবদন্তি লিনু পাচ্ছেন স্বাধীনতা পদক

অস্ট্রেলীয় পার্লামেন্টে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে টনি বার্কের শোক ও শ্রদ্ধা

আপডেট টাইম : ১১:৪৮:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন বিষয়ক মন্ত্রী এবং হাউস লিডার টনি বার্ক।

এক বিশেষ ভাষণে তিনি বাংলাদেশের এই কিংবদন্তি নেত্রীর রাজনৈতিক অবদান এবং দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে তার অগ্রণী ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. রাশেদুল হক মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি জানান।

খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে টনি বার্ক বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে এক অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি কেবল বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীই ছিলেন না, বরং দক্ষিণ এশিয়ার নারীদের জন্য তিনি ছিলেন একজন পথপ্রদর্শক। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে অস্ট্রেলীয় সরকারের পক্ষ থেকে তিনি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বার্ক উল্লেখ করেন যে, তিনি ব্যক্তিগতভাবে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে একটি শোকবার্তা পাঠিয়েছেন। সেই চিঠিতে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি অস্ট্রেলিয়ার সরকার ও জনগণের সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং এই কঠিন সময়ে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

তিনি তার ভাষণে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী এবং শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশ শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে যে যাত্রা অব্যাহত রেখেছে, অস্ট্রেলিয়া বরাবরের মতোই তাতে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন বেগম খালেদা জিয়া। তার মৃত্যুতে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রভাবশালী রাজনীতিবিদরা শোক প্রকাশ করেছেন। টনি বার্কের এই পার্লামেন্টারি ভাষণ বাংলাদেশের সাথে অস্ট্রেলিয়ার গভীর বন্ধুত্বেরই প্রতিফলন হিসেবে মনে করা হচ্ছে।