ঢাকা ০৭:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছাত্রদলের নেতৃত্বে রুয়েলকে দেখতে চান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা হঠাৎ যেন বন্যা পরিস্থিতির মুখে পড়তে না হয়, সে বিষয়ে কাজ করছে সরকার: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আওয়ামী লীগের নতুন নাম দিলেন সোহেল তাজ বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মী নেবে মালয়েশিয়া সরকার : প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ফ্যাসিবাদ সমর্থন করা সংবাদমাধ্যমকে বয়কট করতে বললেন তথ্যমন্ত্রী মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহাবস্থানের এক উজ্জ্বল ঐতিহ্যের দেশ: রাষ্ট্রপতি দুই ডিআইজিসহ পুলিশের ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পরিকল্পনা ইসির সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা গ্রেপ্তার

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব পদে আলোচনায় ড. ইউনূস

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫৫:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • ৪২ বার

জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৩১ ডিসেম্বর। এরই মধ্যে সংস্থাটির পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় বিভিন্ন দেশের সাবেক রাষ্ট্রনেতা ও কূটনীতিকদের নাম ঘুরছে। সেই আলোচনায় নোবেলজয়ী ও বাংলাদেশের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নামও অনানুষ্ঠানিকভাবে উঠে এসেছে।

সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশন থেকেই পরবর্তী মহাসচিব নির্ধারণ নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা, নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং বৈশ্বিক উন্নয়ন ইস্যুতে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তাকে একটি আলোচিত নাম করে তুলেছে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতার বিবেচনায় তিনি বৈশ্বিক নেতৃত্বের উপযোগী ব্যক্তিত্ব—এমন আলোচনা নতুন নয়।

এসব কারণে বিভিন্ন মহলে তাঁর নাম সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় আলোচিত হচ্ছে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

তবে আঞ্চলিক ভারসাম্যের প্রশ্নও সামনে আসছে। ২০০৭ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার বান কি মুন এশিয়া অঞ্চল থেকে মহাসচিব ছিলেন। এরপর ২০১৭ সাল থেকে পর্তুগালের আন্তোনিও গুতেরেস ইউরোপীয় অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

জাতিসংঘের অলিখিত আঞ্চলিক রোটেশন নীতির আলোকে এবার আফ্রিকা বা লাতিন আমেরিকা অঞ্চল থেকে মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যে বৈশ্বিক কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। তবে এই পদের জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশের সমর্থন এবং কোনো ভেটো না থাকা বাধ্যতামূলক হওয়ায় ড. ইউনূসের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সমীকরণ ও পরাশক্তিগুলোর ঐকমত্যই চূড়ান্ত নির্ধারক হবে।

কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পদে সাধারণত বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে ভারসাম্য, রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং আন্তর্জাতিক সমর্থনের বিষয়গুলো মুখ্য ভূমিকা রাখে।

সব মিলিয়ে ড. ইউনূসকে ঘিরে আলোচনাটি এখনো সম্ভাবনার পর্যায়ে থাকলেও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এটি নতুন করে আগ্রহ তৈরি করেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্রদলের নেতৃত্বে রুয়েলকে দেখতে চান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব পদে আলোচনায় ড. ইউনূস

আপডেট টাইম : ১১:৫৫:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৩১ ডিসেম্বর। এরই মধ্যে সংস্থাটির পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় বিভিন্ন দেশের সাবেক রাষ্ট্রনেতা ও কূটনীতিকদের নাম ঘুরছে। সেই আলোচনায় নোবেলজয়ী ও বাংলাদেশের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নামও অনানুষ্ঠানিকভাবে উঠে এসেছে।

সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশন থেকেই পরবর্তী মহাসচিব নির্ধারণ নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা, নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং বৈশ্বিক উন্নয়ন ইস্যুতে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তাকে একটি আলোচিত নাম করে তুলেছে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতার বিবেচনায় তিনি বৈশ্বিক নেতৃত্বের উপযোগী ব্যক্তিত্ব—এমন আলোচনা নতুন নয়।

এসব কারণে বিভিন্ন মহলে তাঁর নাম সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় আলোচিত হচ্ছে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

তবে আঞ্চলিক ভারসাম্যের প্রশ্নও সামনে আসছে। ২০০৭ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার বান কি মুন এশিয়া অঞ্চল থেকে মহাসচিব ছিলেন। এরপর ২০১৭ সাল থেকে পর্তুগালের আন্তোনিও গুতেরেস ইউরোপীয় অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

জাতিসংঘের অলিখিত আঞ্চলিক রোটেশন নীতির আলোকে এবার আফ্রিকা বা লাতিন আমেরিকা অঞ্চল থেকে মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যে বৈশ্বিক কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। তবে এই পদের জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশের সমর্থন এবং কোনো ভেটো না থাকা বাধ্যতামূলক হওয়ায় ড. ইউনূসের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সমীকরণ ও পরাশক্তিগুলোর ঐকমত্যই চূড়ান্ত নির্ধারক হবে।

কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পদে সাধারণত বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে ভারসাম্য, রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং আন্তর্জাতিক সমর্থনের বিষয়গুলো মুখ্য ভূমিকা রাখে।

সব মিলিয়ে ড. ইউনূসকে ঘিরে আলোচনাটি এখনো সম্ভাবনার পর্যায়ে থাকলেও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এটি নতুন করে আগ্রহ তৈরি করেছে।