ঢাকা ০৫:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ম্যাজিস্ট্রেসি ছেড়ে রাজনীতিতে, সালাহউদ্দিনের একাল-সেকাল উন্নয়নের নতুন স্বপ্ন দেখছে বগুড়া প্রশাসনের নাকের ডগায় ভুয়া জার্মান ক্লাব বিদেশি ক্লাবের সাইনবোর্ডে রমরমা মাদক ব্যবসা ঢাকা উত্তরে দুই, দক্ষিণে চার নেতা আলোচনায় বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী নয় বছর পর খুলল ওসমানী উদ্যান পদত্যাগের নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘সেরা পরামর্শ’ দিয়েছিলেন: ইশরাক প্রশাসনের নাকের ডগায় অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়ি’ বলে অভয় দেওয়া হয় আমন্ত্রিতদের ৫৯২ কোটি টাকায় খনন হবে দুটি নতুন কূপ, বাড়বে ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী সাইবার সুরক্ষাসহ গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট : শাহবাজ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:০৭:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১০০ বার

ভারতের বিপক্ষে ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের প্রতি সংহতির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। তিনি বলেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে আমরা খুব পরিষ্কার অবস্থান নিয়েছি। আমাদের সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো উচিত।

বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) ক্রিকইনফোর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বুধবার মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে শেহবাজ শরিফ বলেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে আমরা খুব পরিষ্কার অবস্থান নিয়েছি। আমরা ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলব না, কারণ খেলার মাঠে রাজনীতি থাকা উচিত নয়। এ সিদ্ধান্ত খুব ভেবেচিন্তে নেওয়া হয়েছে। আমাদের সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো উচিত। আমি মনে করি এটি একেবারেই যথাযথ সিদ্ধান্ত।

এর আগে রোববার পাকিস্তান সরকার এক বিবৃতিতে জানায়, দেশটি ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে। তবে ১৫ ফেব্রুয়ারি গ্রুপ পর্বে ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে মাঠে নামবে না। তবে ওই বিবৃতিতে সিদ্ধান্তের কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। এতে টুর্নামেন্টে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে এক সপ্তাহ ধরে চলা অনিশ্চয়তার অবসান ঘটে।

এ বিষয়ে পিসিবি প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য না করলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রতিক্রিয়া জানায়। আইসিসি এক বিবৃতিতে জানায়, পিসিবির উচিত এই সিদ্ধান্তের ‘দীর্ঘমেয়াদি ও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব’ বিবেচনা করা। কারণ এটি বৈশ্বিক ক্রিকেট ব্যবস্থার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এর অংশীদার ও সুবিধাভোগী পাকিস্তান নিজেও।

আইসিসিকে পিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানিয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি বলে জানিয়েছেন ক্রিকইনফো। আইসিসি জানিয়েছে, তারা পিসিবির কাছ থেকে সব পক্ষের স্বার্থ রক্ষা করবে এমন একটি সমাধান প্রত্যাশা করে।

ক্রিকইনফো জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে, এই বয়কটের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার ঘটনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। পিসিবি চেয়ারম্যান ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নকভি একে আইসিসির ‘দ্বিমুখী আচরণ’ বলে উল্লেখ করেছেন।

এর আগে বাংলাদেশ সরকার নিরাপত্তাজনিত কারণে দলকে ভারতে পাঠাতে অস্বীকৃতি জানালে আইসিসি তাদের টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেয়। বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কায় তাদের ম্যাচগুলোর আয়োজনের দাবি করেছিল। দেশটিতে পাকিস্তানও তাদের সব ম্যাচ খেলবে বলেও আশা করেছিল বাংলাদেশ। তবে আইসিসি বোর্ড ১৪-২ ভোটে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্তের বিপক্ষে ভোট দেয় মাত্র দুটি বোর্ড-পিসিবি ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

সিদ্ধান্তের পর মোহসিন নকভি বলেন, দ্বৈত মানদণ্ড চলতে পারে না। এক দেশের ক্ষেত্রে (ভারত) বলা হবে তারা যা খুশি করতে পারে, আর অন্য দেশগুলোকে ঠিক উল্টোটা মানতে হবে- এমন আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। তাই আমরা এই অবস্থান নিয়েছি। বাংলাদেশের সঙ্গে অবিচার হয়েছে। তাদের বিশ্বকাপে খেলার অধিকার আছে, তারা ক্রিকেটের বড় অংশীজন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ম্যাজিস্ট্রেসি ছেড়ে রাজনীতিতে, সালাহউদ্দিনের একাল-সেকাল

বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট : শাহবাজ

আপডেট টাইম : ১০:০৭:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভারতের বিপক্ষে ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের প্রতি সংহতির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। তিনি বলেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে আমরা খুব পরিষ্কার অবস্থান নিয়েছি। আমাদের সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো উচিত।

বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) ক্রিকইনফোর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বুধবার মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে শেহবাজ শরিফ বলেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে আমরা খুব পরিষ্কার অবস্থান নিয়েছি। আমরা ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলব না, কারণ খেলার মাঠে রাজনীতি থাকা উচিত নয়। এ সিদ্ধান্ত খুব ভেবেচিন্তে নেওয়া হয়েছে। আমাদের সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো উচিত। আমি মনে করি এটি একেবারেই যথাযথ সিদ্ধান্ত।

এর আগে রোববার পাকিস্তান সরকার এক বিবৃতিতে জানায়, দেশটি ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে। তবে ১৫ ফেব্রুয়ারি গ্রুপ পর্বে ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে মাঠে নামবে না। তবে ওই বিবৃতিতে সিদ্ধান্তের কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। এতে টুর্নামেন্টে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে এক সপ্তাহ ধরে চলা অনিশ্চয়তার অবসান ঘটে।

এ বিষয়ে পিসিবি প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য না করলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রতিক্রিয়া জানায়। আইসিসি এক বিবৃতিতে জানায়, পিসিবির উচিত এই সিদ্ধান্তের ‘দীর্ঘমেয়াদি ও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব’ বিবেচনা করা। কারণ এটি বৈশ্বিক ক্রিকেট ব্যবস্থার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এর অংশীদার ও সুবিধাভোগী পাকিস্তান নিজেও।

আইসিসিকে পিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানিয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি বলে জানিয়েছেন ক্রিকইনফো। আইসিসি জানিয়েছে, তারা পিসিবির কাছ থেকে সব পক্ষের স্বার্থ রক্ষা করবে এমন একটি সমাধান প্রত্যাশা করে।

ক্রিকইনফো জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে, এই বয়কটের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার ঘটনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। পিসিবি চেয়ারম্যান ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নকভি একে আইসিসির ‘দ্বিমুখী আচরণ’ বলে উল্লেখ করেছেন।

এর আগে বাংলাদেশ সরকার নিরাপত্তাজনিত কারণে দলকে ভারতে পাঠাতে অস্বীকৃতি জানালে আইসিসি তাদের টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেয়। বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কায় তাদের ম্যাচগুলোর আয়োজনের দাবি করেছিল। দেশটিতে পাকিস্তানও তাদের সব ম্যাচ খেলবে বলেও আশা করেছিল বাংলাদেশ। তবে আইসিসি বোর্ড ১৪-২ ভোটে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্তের বিপক্ষে ভোট দেয় মাত্র দুটি বোর্ড-পিসিবি ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

সিদ্ধান্তের পর মোহসিন নকভি বলেন, দ্বৈত মানদণ্ড চলতে পারে না। এক দেশের ক্ষেত্রে (ভারত) বলা হবে তারা যা খুশি করতে পারে, আর অন্য দেশগুলোকে ঠিক উল্টোটা মানতে হবে- এমন আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। তাই আমরা এই অবস্থান নিয়েছি। বাংলাদেশের সঙ্গে অবিচার হয়েছে। তাদের বিশ্বকাপে খেলার অধিকার আছে, তারা ক্রিকেটের বড় অংশীজন।