ঢাকা ০৪:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মহাসড়কের বুক চিরে প্রকৃতির রঙিন সৌন্দর্য বিদ্যালয়ে ভর্তিতে লটারি বাতিলের দাবি মেধাভিত্তিক মূল্যায়নের দাবিতে ভিকারুননিসা অ্যালামনাইয়ের ব্যাখ্যা যে ৭ সবজি অতিরিক্ত খেলে কিডনির ক্ষতি হতে পারে যে পাঁচটি সিনেমা ভ্রমণপিপাসুদের অবশ্যই দেখা উচিত সৌদিতে মিসাইল হামলায় দগ্ধ প্রবাসী মামুনের মৃত্যু ঈদের ছুটিতে প্রায় ফাঁকা রাজধানী দেশে প্রথমবারের মতো চালু পেট অ্যাম্বুলেন্স, নেটিজেনদের প্রশংসা নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিরাপত্তা প্রধান লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা ইরানের অনলাইন প্রতারণা ঠেকাতে নুতন এআই টুল আনছে মেটা

ধুমকেতুর মতো এসেছিলেন, রেখে গেছেন নেতৃত্বের আলোকরেখা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:২২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪২ বার

Oplus_16908288

সাংবাদিক নেতা আলতাফ মাহমুদের প্রয়াণ দিবসে স্মরণ

সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন–সংগ্রামে প্রয়াত সাংবাদিক নেতা আলতাফ মাহমুদ ছিলেন এক সাহসী, সৎ ও আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক। ধুমকেতুর মতোই তাঁর আগমন ছিল উজ্জ্বল ও আলোড়ন সৃষ্টিকারী, আর প্রস্থান ছিল নীরব—তবে সাংবাদিক সমাজে রেখে গেছে গভীর শূন্যতা ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব।

আজ ২৪ জানুয়ারি। ২০১৬ সালের এই দিনে সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)–তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি। তাঁর প্রয়াণে দেশের সাংবাদিক সমাজ হারায় একজন অভিভাবকতুল্য নেতা।

নেতৃত্বের গুণাবলিতে আলতাফ মাহমুদ ছিলেন ব্যতিক্রমী। সততা, নির্লোভতা ও দৃঢ় অবস্থানের কারণে তিনি সহকর্মীদের কাছে ছিলেন আস্থার নাম। বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁর দক্ষতা এবং সংকটময় সময়ে সাহসী ভূমিকা তাঁকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তুলেছিল।

সাংবাদিক সমাজে তিনি দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবেন বিশেষ করে সাধারণ সাংবাদিকদের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতার জন্য। তিনি নিয়মিত খোঁজখবর রাখতেন সহকর্মীদের সুখ–দুঃখের, বিপদে–আপদে পাশে দাঁড়াতেন নীরবে। সংগঠনের কুলীনতা বা প্রভাবশালীদের বলয় এড়িয়ে তিনি বরাবরই সাধারণ সাংবাদিকদের সঙ্গেই নিজেকে যুক্ত রেখেছিলেন। আন্দোলন–সংগ্রামে ছিলেন সামনের সারির যোদ্ধা।

এই কারণেই সাংবাদিকদের কাছে তিনি ছিলেন কেবল একজন নেতা নন—ছিলেন ‘আমার নেতা’, ‘আমাদের নেতা’। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)–এর মতো দেশের শীর্ষ সাংবাদিক সংগঠনে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন আস্থার সঙ্গে। তাঁর সঙ্গে রানিং মেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক, যিনি আজও তাঁকে নিজের নেতা হিসেবে মান্য করেন।

প্রয়াণ দিবসে সাংবাদিক সমাজ গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে এই নির্ভীক ও মানবিক নেতাকে। তাঁর আদর্শ, নেতৃত্ব ও সংগ্রামী চেতনা আগামীতেও সাংবাদিক অধিকার আন্দোলনে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলে মনে করেন সহকর্মীরা।

প্রয়াত আলতাফ মাহমুদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মহাসড়কের বুক চিরে প্রকৃতির রঙিন সৌন্দর্য

ধুমকেতুর মতো এসেছিলেন, রেখে গেছেন নেতৃত্বের আলোকরেখা

আপডেট টাইম : ০১:২২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

সাংবাদিক নেতা আলতাফ মাহমুদের প্রয়াণ দিবসে স্মরণ

সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন–সংগ্রামে প্রয়াত সাংবাদিক নেতা আলতাফ মাহমুদ ছিলেন এক সাহসী, সৎ ও আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক। ধুমকেতুর মতোই তাঁর আগমন ছিল উজ্জ্বল ও আলোড়ন সৃষ্টিকারী, আর প্রস্থান ছিল নীরব—তবে সাংবাদিক সমাজে রেখে গেছে গভীর শূন্যতা ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব।

আজ ২৪ জানুয়ারি। ২০১৬ সালের এই দিনে সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)–তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি। তাঁর প্রয়াণে দেশের সাংবাদিক সমাজ হারায় একজন অভিভাবকতুল্য নেতা।

নেতৃত্বের গুণাবলিতে আলতাফ মাহমুদ ছিলেন ব্যতিক্রমী। সততা, নির্লোভতা ও দৃঢ় অবস্থানের কারণে তিনি সহকর্মীদের কাছে ছিলেন আস্থার নাম। বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁর দক্ষতা এবং সংকটময় সময়ে সাহসী ভূমিকা তাঁকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তুলেছিল।

সাংবাদিক সমাজে তিনি দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবেন বিশেষ করে সাধারণ সাংবাদিকদের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতার জন্য। তিনি নিয়মিত খোঁজখবর রাখতেন সহকর্মীদের সুখ–দুঃখের, বিপদে–আপদে পাশে দাঁড়াতেন নীরবে। সংগঠনের কুলীনতা বা প্রভাবশালীদের বলয় এড়িয়ে তিনি বরাবরই সাধারণ সাংবাদিকদের সঙ্গেই নিজেকে যুক্ত রেখেছিলেন। আন্দোলন–সংগ্রামে ছিলেন সামনের সারির যোদ্ধা।

এই কারণেই সাংবাদিকদের কাছে তিনি ছিলেন কেবল একজন নেতা নন—ছিলেন ‘আমার নেতা’, ‘আমাদের নেতা’। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)–এর মতো দেশের শীর্ষ সাংবাদিক সংগঠনে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন আস্থার সঙ্গে। তাঁর সঙ্গে রানিং মেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক, যিনি আজও তাঁকে নিজের নেতা হিসেবে মান্য করেন।

প্রয়াণ দিবসে সাংবাদিক সমাজ গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে এই নির্ভীক ও মানবিক নেতাকে। তাঁর আদর্শ, নেতৃত্ব ও সংগ্রামী চেতনা আগামীতেও সাংবাদিক অধিকার আন্দোলনে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলে মনে করেন সহকর্মীরা।

প্রয়াত আলতাফ মাহমুদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।