ঢাকা ০৪:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

ধুমকেতুর মতো এসেছিলেন, রেখে গেছেন নেতৃত্বের আলোকরেখা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:২২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭৩ বার

Oplus_16908288

সাংবাদিক নেতা আলতাফ মাহমুদের প্রয়াণ দিবসে স্মরণ

সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন–সংগ্রামে প্রয়াত সাংবাদিক নেতা আলতাফ মাহমুদ ছিলেন এক সাহসী, সৎ ও আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক। ধুমকেতুর মতোই তাঁর আগমন ছিল উজ্জ্বল ও আলোড়ন সৃষ্টিকারী, আর প্রস্থান ছিল নীরব—তবে সাংবাদিক সমাজে রেখে গেছে গভীর শূন্যতা ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব।

আজ ২৪ জানুয়ারি। ২০১৬ সালের এই দিনে সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)–তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি। তাঁর প্রয়াণে দেশের সাংবাদিক সমাজ হারায় একজন অভিভাবকতুল্য নেতা।

নেতৃত্বের গুণাবলিতে আলতাফ মাহমুদ ছিলেন ব্যতিক্রমী। সততা, নির্লোভতা ও দৃঢ় অবস্থানের কারণে তিনি সহকর্মীদের কাছে ছিলেন আস্থার নাম। বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁর দক্ষতা এবং সংকটময় সময়ে সাহসী ভূমিকা তাঁকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তুলেছিল।

সাংবাদিক সমাজে তিনি দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবেন বিশেষ করে সাধারণ সাংবাদিকদের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতার জন্য। তিনি নিয়মিত খোঁজখবর রাখতেন সহকর্মীদের সুখ–দুঃখের, বিপদে–আপদে পাশে দাঁড়াতেন নীরবে। সংগঠনের কুলীনতা বা প্রভাবশালীদের বলয় এড়িয়ে তিনি বরাবরই সাধারণ সাংবাদিকদের সঙ্গেই নিজেকে যুক্ত রেখেছিলেন। আন্দোলন–সংগ্রামে ছিলেন সামনের সারির যোদ্ধা।

এই কারণেই সাংবাদিকদের কাছে তিনি ছিলেন কেবল একজন নেতা নন—ছিলেন ‘আমার নেতা’, ‘আমাদের নেতা’। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)–এর মতো দেশের শীর্ষ সাংবাদিক সংগঠনে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন আস্থার সঙ্গে। তাঁর সঙ্গে রানিং মেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক, যিনি আজও তাঁকে নিজের নেতা হিসেবে মান্য করেন।

প্রয়াণ দিবসে সাংবাদিক সমাজ গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে এই নির্ভীক ও মানবিক নেতাকে। তাঁর আদর্শ, নেতৃত্ব ও সংগ্রামী চেতনা আগামীতেও সাংবাদিক অধিকার আন্দোলনে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলে মনে করেন সহকর্মীরা।

প্রয়াত আলতাফ মাহমুদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

ধুমকেতুর মতো এসেছিলেন, রেখে গেছেন নেতৃত্বের আলোকরেখা

আপডেট টাইম : ০১:২২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

সাংবাদিক নেতা আলতাফ মাহমুদের প্রয়াণ দিবসে স্মরণ

সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন–সংগ্রামে প্রয়াত সাংবাদিক নেতা আলতাফ মাহমুদ ছিলেন এক সাহসী, সৎ ও আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক। ধুমকেতুর মতোই তাঁর আগমন ছিল উজ্জ্বল ও আলোড়ন সৃষ্টিকারী, আর প্রস্থান ছিল নীরব—তবে সাংবাদিক সমাজে রেখে গেছে গভীর শূন্যতা ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব।

আজ ২৪ জানুয়ারি। ২০১৬ সালের এই দিনে সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)–তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি। তাঁর প্রয়াণে দেশের সাংবাদিক সমাজ হারায় একজন অভিভাবকতুল্য নেতা।

নেতৃত্বের গুণাবলিতে আলতাফ মাহমুদ ছিলেন ব্যতিক্রমী। সততা, নির্লোভতা ও দৃঢ় অবস্থানের কারণে তিনি সহকর্মীদের কাছে ছিলেন আস্থার নাম। বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁর দক্ষতা এবং সংকটময় সময়ে সাহসী ভূমিকা তাঁকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তুলেছিল।

সাংবাদিক সমাজে তিনি দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবেন বিশেষ করে সাধারণ সাংবাদিকদের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতার জন্য। তিনি নিয়মিত খোঁজখবর রাখতেন সহকর্মীদের সুখ–দুঃখের, বিপদে–আপদে পাশে দাঁড়াতেন নীরবে। সংগঠনের কুলীনতা বা প্রভাবশালীদের বলয় এড়িয়ে তিনি বরাবরই সাধারণ সাংবাদিকদের সঙ্গেই নিজেকে যুক্ত রেখেছিলেন। আন্দোলন–সংগ্রামে ছিলেন সামনের সারির যোদ্ধা।

এই কারণেই সাংবাদিকদের কাছে তিনি ছিলেন কেবল একজন নেতা নন—ছিলেন ‘আমার নেতা’, ‘আমাদের নেতা’। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)–এর মতো দেশের শীর্ষ সাংবাদিক সংগঠনে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন আস্থার সঙ্গে। তাঁর সঙ্গে রানিং মেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক, যিনি আজও তাঁকে নিজের নেতা হিসেবে মান্য করেন।

প্রয়াণ দিবসে সাংবাদিক সমাজ গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে এই নির্ভীক ও মানবিক নেতাকে। তাঁর আদর্শ, নেতৃত্ব ও সংগ্রামী চেতনা আগামীতেও সাংবাদিক অধিকার আন্দোলনে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলে মনে করেন সহকর্মীরা।

প্রয়াত আলতাফ মাহমুদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।