ঢাকা ১২:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’ বোল্টের চেয়েও দ্রুত দৌড়ানো সেই চীনা রোবটের নতুন চমক মহানবী মুহাম্মদ (সা.) : সব সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ যিনি প্রধানমন্ত্রী ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করছেন: মঈন খান চুলে রং করার পর যত্ন নেবেন যেভাবে নেপালে বন্যা: প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক, সহযোগিতার বার্তা নবীজি (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ ছাড়া বিশ্ব পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয় : ডিএসসিসি প্রশাসক চারণভূমি সুরক্ষা ও টেকসই ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ করতে হবে: আইনমন্ত্রী মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ‘নিবন্ধন সনদ’ যাচাইয়ের উদ্যোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৪:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৩৯ বার
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাল সনদে শিক্ষকতা করার পথ চিরতরে বন্ধ করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নিবন্ধন সনদ যাচাইয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের আওতায় পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪টি জেলার ৩৬ হাজারের বেশি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের সনদ পরীক্ষা করা হবে।

জেলাগুলো হলো-গাজীপুর, নরসিংদী ও ভোলা। এই তিন জেলার সব স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের তথ্য ও সনদ সবার আগে যাচাই করা হবে। এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪ জেলার সব প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সনদ যাচাই করা হবে।এনটিআরসিএ’র সহকারী পরিচালক ফয়জার আহমেদ এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘বিভিন্ন গণম্যাধমে এনটিআরসিএ’র জাল নিবন্ধন সনদ নিয়ে খবর প্রচার হতে দেখা যায়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ জাল নিবন্ধন সনদধারী শনাক্ত করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।’তিনি আরো জানান, পাইলটিং কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিকভাবে দেশের গাজীপুর, নরসিংদী ও ভোলা জেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের তথ্য যাচাই করা হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪ জেলার ৩৬ হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নিবন্ধন সনদ যাচাই করা হবে।

এনটিআরসিএ’র অপর এক কর্মকর্তা জানান, জাল নিবন্ধন সনদধারীদের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।

দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে যাদের নিবন্ধন সনদ জাল পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।গত ৭ জানুয়ারি এনটিআরসিএ’র সদস্য (পরীক্ষা, মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন) মুহম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক জরুরি পত্রে বলা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন প্রচারমাধ্যমে এনটিআরসিএ’র জাল সনদের খবর কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। এর প্রেক্ষিতে জাল নিবন্ধন সনদধারী শনাক্ত করতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান, সহকারী প্রধানসহ সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষকের তথ্য, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসের এমপিও শিট এবং তাদের নিবন্ধন সনদের সত্যায়িত কপি যাচাই করা প্রয়োজন।

ওই পত্রে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে নির্দিষ্ট ছকে সব এমপিওভুক্ত শিক্ষকের তথ্য, শূন্য পদের বিবরণ, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসের এমপিও শিট এবং নিবন্ধন সনদের সত্যায়িত রঙিন ফটোকপি ডাকযোগে, কুরিয়ারে বা বাহকের মাধ্যমে এনটিআরসিএ কার্যালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে। এসব তথ্যাদি প্রতিষ্ঠানের সভাপতি এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক স্বাক্ষরিত অগ্রায়ণপত্রসহ পাঠাতে হবে।

সংস্থাটি তাদের পত্রে সতর্ক করে দিয়েছে যে, এই তথ্য প্রেরণে কোনো ধরনের ব্যত্যয় ঘটলে, তথ্য গোপন করলে বা সনদ টেম্পারিংয়ের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরগুলোকেও অবহিত করা হবে।

প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিঠির অনুলিপি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরসহ দেশের সকল জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারদের কাছে পাঠানো হয়েছে। বিশেষ করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারদের তাদের আওতাধীন সকল প্রতিষ্ঠানের তথ্য সময়মতো পাঠানো নিশ্চিত করতে অনুরোধ করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ‘নিবন্ধন সনদ’ যাচাইয়ের উদ্যোগ

আপডেট টাইম : ১১:৪৪:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাল সনদে শিক্ষকতা করার পথ চিরতরে বন্ধ করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নিবন্ধন সনদ যাচাইয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের আওতায় পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪টি জেলার ৩৬ হাজারের বেশি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের সনদ পরীক্ষা করা হবে।

জেলাগুলো হলো-গাজীপুর, নরসিংদী ও ভোলা। এই তিন জেলার সব স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের তথ্য ও সনদ সবার আগে যাচাই করা হবে। এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪ জেলার সব প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সনদ যাচাই করা হবে।এনটিআরসিএ’র সহকারী পরিচালক ফয়জার আহমেদ এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘বিভিন্ন গণম্যাধমে এনটিআরসিএ’র জাল নিবন্ধন সনদ নিয়ে খবর প্রচার হতে দেখা যায়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ জাল নিবন্ধন সনদধারী শনাক্ত করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।’তিনি আরো জানান, পাইলটিং কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিকভাবে দেশের গাজীপুর, নরসিংদী ও ভোলা জেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের তথ্য যাচাই করা হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪ জেলার ৩৬ হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নিবন্ধন সনদ যাচাই করা হবে।

এনটিআরসিএ’র অপর এক কর্মকর্তা জানান, জাল নিবন্ধন সনদধারীদের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।

দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে যাদের নিবন্ধন সনদ জাল পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।গত ৭ জানুয়ারি এনটিআরসিএ’র সদস্য (পরীক্ষা, মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন) মুহম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক জরুরি পত্রে বলা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন প্রচারমাধ্যমে এনটিআরসিএ’র জাল সনদের খবর কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। এর প্রেক্ষিতে জাল নিবন্ধন সনদধারী শনাক্ত করতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান, সহকারী প্রধানসহ সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষকের তথ্য, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসের এমপিও শিট এবং তাদের নিবন্ধন সনদের সত্যায়িত কপি যাচাই করা প্রয়োজন।

ওই পত্রে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে নির্দিষ্ট ছকে সব এমপিওভুক্ত শিক্ষকের তথ্য, শূন্য পদের বিবরণ, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসের এমপিও শিট এবং নিবন্ধন সনদের সত্যায়িত রঙিন ফটোকপি ডাকযোগে, কুরিয়ারে বা বাহকের মাধ্যমে এনটিআরসিএ কার্যালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে। এসব তথ্যাদি প্রতিষ্ঠানের সভাপতি এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক স্বাক্ষরিত অগ্রায়ণপত্রসহ পাঠাতে হবে।

সংস্থাটি তাদের পত্রে সতর্ক করে দিয়েছে যে, এই তথ্য প্রেরণে কোনো ধরনের ব্যত্যয় ঘটলে, তথ্য গোপন করলে বা সনদ টেম্পারিংয়ের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরগুলোকেও অবহিত করা হবে।

প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিঠির অনুলিপি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরসহ দেশের সকল জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারদের কাছে পাঠানো হয়েছে। বিশেষ করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারদের তাদের আওতাধীন সকল প্রতিষ্ঠানের তথ্য সময়মতো পাঠানো নিশ্চিত করতে অনুরোধ করা হয়েছে।