ঢাকা ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জামায়াত নির্বাচনে সমঝোতার নামে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে: শীর্ষ ওলামায়ে কেরাম বিগত ৩ নির্বাচনে প্রশাসন, পুলিশ, ইসি ও গোয়েন্দা সংস্থার একাংশ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যবহৃত হয় সব রেকর্ড ভেঙে স্বর্ণের দামে ইতিহাস, ভরি কত মোস্তাফিজ বিশ্বকাপ দলে থাকলে বাড়বে নিরাপত্তা ঝুঁকি: আইসিসির চিঠি কোটিপতি তাহেরীর স্বর্ণ ৩১ ভরি, স্ত্রীর নামে কিছুই নেই কথিত একটি রাজনৈতিক দল নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে সহিংসতা করছে: মির্জা আব্বাস ইসিতে আপিল শুনানি: তৃতীয় দিনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন আরও ৪১ জন বিক্ষোভকারীদের হত্যায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চরিত্র একই ফ্রিল্যান্সারদের ডিজিটাল কার্ড দিচ্ছে সরকার, মিলবে যেসব সুবিধা অবশেষে সুখবর পেলেন মেহজাবীন

আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজন নেই ট্রাম্পের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:৪৭:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১০ বার

আমার আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, বিশ্বজুড়ে তিনি যে আগ্রাসী নীতি অনুসরণ করছেন; তা কেবল তার ‘নিজের নৈতিকতা’ দ্বারা দমন করা সম্ভব।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এমন মন্তব্য করলেন। তিনি বলেন, ‘আমার আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজন নেই। আমি মানুষকে আঘাত করতে চাই না।’

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে আটকের পর সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যেই এসব কথা বলেন তিনি। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) কাতারভিত্তিক সংবাদসংস্থা আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার প্রয়োজন আছে কি না জানতে চাইলে ট্রাম্প তা মানছেন উল্লেখ করে বলেন, ‘এটি আন্তর্জাতিক আইনের আপনার সংজ্ঞার ওপর নির্ভর করে।’ ট্রাম্প তার পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য অর্জনের জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনীর শক্তি প্রয়োগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) ভোরে ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ শুরু করে। রাজধানী কারাকাস এবং ভেনেজুয়েলার সামরিক ঘাঁটিতে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। মার্কিন সেনারা শেষ পর্যন্ত কারাকাস থেকে ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতি মাদুরোকে অপহরণ করে, যা সমালোচকদের মতে জাতিসংঘের সনদের স্পষ্ট লঙ্ঘন, যা যেকোনো রাষ্ট্রের আঞ্চলিক অখণ্ডতা বা রাজনৈতিক স্বাধীনতার বিরুদ্ধে হুমকি বা শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধ করে।

ভেনেজুয়েলায় হামলার পরপরই ট্রাম্প বলেছিলেন, আমেরিকা ভেনেজুয়েলাকে চালাবে এবং দেশটির বিশাল তেলের ভাণ্ডার কাজে লাগাবে। যদিও তার প্রশাসন জানিয়েছে, তারা অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি ডেলসি রদ্রিগেজের সঙ্গে সহযোগিতা করবে। তবুও ট্রাম্প প্রশাসন বলেছে, তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নীতি নির্দেশনা দেবে। এ ছাড়া বারবার হুমকিও দিয়েছে, যদি মার্কিন দাবি অমান্য করা হয়, তবে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

গত রোববার (৪ জানুয়ারি) দ্য আটলান্টিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প রদ্রিগেজকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, যদি রদ্রিগেজ সঠিক কাজ না করেন, তাহলে তাকে অনেক বড় মূল্য দিতে হবে, সম্ভবত মাদুরোর চেয়েও বেশি।

এই সপ্তাহের শুরুতে ট্রাম্প আরও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, আমেরিকা কলম্বিয়ার বামপন্থী রাষ্ট্রপতি গুস্তাভো পেত্রোর বিরুদ্ধে একটি হামলা চালাতে পারে। পাশাপাশি তিনি গ্রিনল্যান্ডের ডেনিশ অঞ্চল অধিগ্রহণের জন্য তার প্রচারণা আরও তীব্র করেছেন। এর গত জুনে ট্রাম্প ইরানের তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলার নির্দেশ দেন।

ট্রাম্পের সহযোগী স্টিফেন মিলার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সমালোচনা করে বলেছেন, এখান থেকে, আমেরিকা পশ্চিম গোলার্ধে তার স্বার্থ সুরক্ষিত করার জন্য “বিনা প্ররোচনায়” তার সামরিক শক্তি ব্যবহার করবে।

সোমবার সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিলার বলেন, ‘আমরা একটি পরাশক্তি, এবং রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের অধীনে, আমরা নিজেদেরকে একটি পরাশক্তি হিসেবে আচরণ করতে যাচ্ছি।’

এদিকে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি অবজ্ঞা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সমগ্র বিশ্ব সম্প্রদায়ের জন্য বিপর্যয়কর পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

বিচারক ও আইনজীবীদের স্বাধীনতা বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত মার্গারেট স্যাটার্থওয়েট এই সপ্তাহের শুরুতে আল জাজিরাকে বলেছিলেন, আন্তর্জাতিক আইন বাতিল করে মার্কিন বিবৃতি অত্যন্ত বিপজ্জনক। বিশ্ব হয়তো সাম্রাজ্যবাদের যুগে ফিরে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক আইনের অবমাননা ওয়াশিংটনের প্রতিপক্ষদের তাদের নিজস্ব আগ্রাসন শুরু করতে উৎসাহিত করতে পারে।

ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক আইনের সহকারী অধ্যাপক ইউসরা সুয়েদি আন্তর্জাতিক আইন উপেক্ষা করার প্রবণতার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, ‘এটি খুবই বিপজ্জনক কিছুর ইঙ্গিত দেয়। কারণ এটি অন্যান্য রাষ্ট্রগুলিকে মূলত এটি অনুসরণ করার অনুমতি দেয়। যেমন চীন তাইওয়ানের দিকে নজর রাখতে পারে, অথবা ইউক্রেনের ক্ষেত্রে রাশিয়া।’

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ইয়ান হার্ড বলেন, ‘ইতিহাস ল্যাটিন আমেরিকায় মার্কিন নীতির বিপদের চিত্র তুলে ধরে। এই অঞ্চলটি এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে মার্কিন আক্রমণ এবং মার্কিন-সমর্থিত সামরিক অভ্যুত্থানের সাক্ষী, যার ফলে অস্থিতিশীলতা, দমন-পীড়ন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন ঘটেছে। ঐতিহাসিকভাবে এর অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে, পানামা থেকে হাইতি, নিকারাগুয়া থেকে চিলি, ৭০-এর দশকে এবং আরও অনেক কিছু।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভেনেজুয়েলায় ট্রাম্পের নীতি আমেরিকার অন্যান্য অংশ কীভাবে পরিচালিত হবে তা নির্ধারণের জন্য পূর্বে যেভাবে চেষ্টা করেছিল তার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এর আগে প্রতিটি ক্ষেত্রেই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্তের জন্য অনুতপ্ত হয়েছিল। এগুলো কখনই ভালো কিছু বয়ে আনে না।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত নির্বাচনে সমঝোতার নামে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে: শীর্ষ ওলামায়ে কেরাম

আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজন নেই ট্রাম্পের

আপডেট টাইম : ০৬:৪৭:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

আমার আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, বিশ্বজুড়ে তিনি যে আগ্রাসী নীতি অনুসরণ করছেন; তা কেবল তার ‘নিজের নৈতিকতা’ দ্বারা দমন করা সম্ভব।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এমন মন্তব্য করলেন। তিনি বলেন, ‘আমার আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজন নেই। আমি মানুষকে আঘাত করতে চাই না।’

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে আটকের পর সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যেই এসব কথা বলেন তিনি। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) কাতারভিত্তিক সংবাদসংস্থা আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার প্রয়োজন আছে কি না জানতে চাইলে ট্রাম্প তা মানছেন উল্লেখ করে বলেন, ‘এটি আন্তর্জাতিক আইনের আপনার সংজ্ঞার ওপর নির্ভর করে।’ ট্রাম্প তার পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য অর্জনের জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনীর শক্তি প্রয়োগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) ভোরে ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ শুরু করে। রাজধানী কারাকাস এবং ভেনেজুয়েলার সামরিক ঘাঁটিতে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। মার্কিন সেনারা শেষ পর্যন্ত কারাকাস থেকে ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতি মাদুরোকে অপহরণ করে, যা সমালোচকদের মতে জাতিসংঘের সনদের স্পষ্ট লঙ্ঘন, যা যেকোনো রাষ্ট্রের আঞ্চলিক অখণ্ডতা বা রাজনৈতিক স্বাধীনতার বিরুদ্ধে হুমকি বা শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধ করে।

ভেনেজুয়েলায় হামলার পরপরই ট্রাম্প বলেছিলেন, আমেরিকা ভেনেজুয়েলাকে চালাবে এবং দেশটির বিশাল তেলের ভাণ্ডার কাজে লাগাবে। যদিও তার প্রশাসন জানিয়েছে, তারা অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি ডেলসি রদ্রিগেজের সঙ্গে সহযোগিতা করবে। তবুও ট্রাম্প প্রশাসন বলেছে, তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নীতি নির্দেশনা দেবে। এ ছাড়া বারবার হুমকিও দিয়েছে, যদি মার্কিন দাবি অমান্য করা হয়, তবে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

গত রোববার (৪ জানুয়ারি) দ্য আটলান্টিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প রদ্রিগেজকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, যদি রদ্রিগেজ সঠিক কাজ না করেন, তাহলে তাকে অনেক বড় মূল্য দিতে হবে, সম্ভবত মাদুরোর চেয়েও বেশি।

এই সপ্তাহের শুরুতে ট্রাম্প আরও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, আমেরিকা কলম্বিয়ার বামপন্থী রাষ্ট্রপতি গুস্তাভো পেত্রোর বিরুদ্ধে একটি হামলা চালাতে পারে। পাশাপাশি তিনি গ্রিনল্যান্ডের ডেনিশ অঞ্চল অধিগ্রহণের জন্য তার প্রচারণা আরও তীব্র করেছেন। এর গত জুনে ট্রাম্প ইরানের তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলার নির্দেশ দেন।

ট্রাম্পের সহযোগী স্টিফেন মিলার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সমালোচনা করে বলেছেন, এখান থেকে, আমেরিকা পশ্চিম গোলার্ধে তার স্বার্থ সুরক্ষিত করার জন্য “বিনা প্ররোচনায়” তার সামরিক শক্তি ব্যবহার করবে।

সোমবার সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিলার বলেন, ‘আমরা একটি পরাশক্তি, এবং রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের অধীনে, আমরা নিজেদেরকে একটি পরাশক্তি হিসেবে আচরণ করতে যাচ্ছি।’

এদিকে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি অবজ্ঞা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সমগ্র বিশ্ব সম্প্রদায়ের জন্য বিপর্যয়কর পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

বিচারক ও আইনজীবীদের স্বাধীনতা বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত মার্গারেট স্যাটার্থওয়েট এই সপ্তাহের শুরুতে আল জাজিরাকে বলেছিলেন, আন্তর্জাতিক আইন বাতিল করে মার্কিন বিবৃতি অত্যন্ত বিপজ্জনক। বিশ্ব হয়তো সাম্রাজ্যবাদের যুগে ফিরে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক আইনের অবমাননা ওয়াশিংটনের প্রতিপক্ষদের তাদের নিজস্ব আগ্রাসন শুরু করতে উৎসাহিত করতে পারে।

ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক আইনের সহকারী অধ্যাপক ইউসরা সুয়েদি আন্তর্জাতিক আইন উপেক্ষা করার প্রবণতার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, ‘এটি খুবই বিপজ্জনক কিছুর ইঙ্গিত দেয়। কারণ এটি অন্যান্য রাষ্ট্রগুলিকে মূলত এটি অনুসরণ করার অনুমতি দেয়। যেমন চীন তাইওয়ানের দিকে নজর রাখতে পারে, অথবা ইউক্রেনের ক্ষেত্রে রাশিয়া।’

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ইয়ান হার্ড বলেন, ‘ইতিহাস ল্যাটিন আমেরিকায় মার্কিন নীতির বিপদের চিত্র তুলে ধরে। এই অঞ্চলটি এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে মার্কিন আক্রমণ এবং মার্কিন-সমর্থিত সামরিক অভ্যুত্থানের সাক্ষী, যার ফলে অস্থিতিশীলতা, দমন-পীড়ন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন ঘটেছে। ঐতিহাসিকভাবে এর অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে, পানামা থেকে হাইতি, নিকারাগুয়া থেকে চিলি, ৭০-এর দশকে এবং আরও অনেক কিছু।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভেনেজুয়েলায় ট্রাম্পের নীতি আমেরিকার অন্যান্য অংশ কীভাবে পরিচালিত হবে তা নির্ধারণের জন্য পূর্বে যেভাবে চেষ্টা করেছিল তার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এর আগে প্রতিটি ক্ষেত্রেই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্তের জন্য অনুতপ্ত হয়েছিল। এগুলো কখনই ভালো কিছু বয়ে আনে না।’