ঢাকা ১১:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইটনা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান সাবেক ছাত্রদল নেতা আনম উল্লাহ সানি সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন আওয়ামী আমলের আমলনামা উন্নয়নের আড়ালে ২৮ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ২৯ অক্টোবর মধ্য রাত থেকে উঠে যাচ্ছে ইলিশ রক্ষার নিষেধাজ্ঞা স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে জুবাইদা রহমানের আহ্বান কৃষিতেও বাড়ছে খেলাপির চাপ ৩১ অক্টোবর লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছ: হুমায়ূন কবির আইজিপি সহজ-সরল মানুষ, ক্রসফায়ার নিয়ে বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

গ্রেসফুলি মারা যাওয়াটা সবার ভাগ্যে থাকে না

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৪৪:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২০৫ বার

এক জীবনের সম্ভবত সবচেয়ে বড় অর্জন এমন সুতীব্র সম্মানের সাথে মারা যাওয়া, যাতে আপনার মৃত্যুতে আপনার পরম শত্রুও কষ্ট পায়। দুনিয়া থেকে কোনো ব্যক্তি মারা গেলেও দুনিয়ার কিছু যায়-আসে না, বরং পৃথিবী নিজের নিয়মেই চলে এবং চলবে। তবে আমরা শুধু পারি প্রস্থানটাকে অর্থবহ করতে।

‘আমি নাই’, এতে যদি কারও চোখের পাতা বিন্দুমাত্র না কাঁপে তো সেই জীবন ধরে রাখার কোনো মানে আছে? খালেদা জিয়া ঠিক সেভাবেই অর্থাৎ গ্রেসফুলি মহাকালের অংশ হয়ে গেলেন।

এইবার, মুদ্রার উল্টা দিকটা খেয়াল করেন। হাসিনা চরিত্রগতভাবেই খালেদার বাইপোলার অপোজিট। ডিকটেটরের ডিলেমাতে ভুগে সে দেড় বছর পরেও রিয়েলাইজ করতে পারে নায় ‘তার অপরাধটা কী?’

একবার চিন্তা করেন, মহিলাটা জাস্ট পায়ের তলায় পিষে যাওয়া একটা তেলাপোকার মতো ঘেন্না নিয়ে চলে যাবে। অসহায়ের মতো, অনাহুতের মতো, অবাঞ্ছিতের মতো, পৃথিবীর জন্য নিতান্ত অপ্রয়োজনীয় আবর্জনার মতো নিঃশেষ হয়ে যাবে।

বাংলাদেশে অনেক মিষ্টির দোকান খালি হয়ে যাবে ওইদিন। এমনকি, ওর লাশও যদি দেশে আনার চেষ্টা করা হয়, হাদির জানাজা পড়তে আসা মানুষের ঢল চতুর্দিক থেকে ঘেরাও করে এয়ারপোর্ট আটকায় ফেলবে।

বলা চলে, বাংলাদেশে হাসিনার কবর হবে না। ওই লাশ সইবে না বাংলার মাটি।

এতোখানি ডিসগ্রেস নিয়ে, এতো শহীদের অভিশাপ নিয়েও যে হাসিনা এতোদিন পর্যন্ত বেঁচে আছে, তার কারণ একটাই। সেটা হলো— শয়তান এতো সহজে মরে না।

এদিকে খালেদার অপ্রাপ্তির কিছু ছিলো না। পূর্ণ বয়সে, সব দায়িত্ব শেষ করে পরের প্রজন্মের হাতে দায়িত্ব তুলে দিয়ে, সম্মানের সাথে রাণীর মতো বিদায় নিলেন।

তবে তার দুর্ভাগ্য একটাই। সেটা হচ্ছে— ইতিহাসে তার নামটা হাসিনার নামের সাথে উচ্চারিত হবে।

(প্রবাসী লেখক শুভজিত ভৌমিকের ফেসবুক পোস্ট থেকে নেয়া)

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইটনা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান সাবেক ছাত্রদল নেতা আনম উল্লাহ সানি

গ্রেসফুলি মারা যাওয়াটা সবার ভাগ্যে থাকে না

আপডেট টাইম : ১০:৪৪:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

এক জীবনের সম্ভবত সবচেয়ে বড় অর্জন এমন সুতীব্র সম্মানের সাথে মারা যাওয়া, যাতে আপনার মৃত্যুতে আপনার পরম শত্রুও কষ্ট পায়। দুনিয়া থেকে কোনো ব্যক্তি মারা গেলেও দুনিয়ার কিছু যায়-আসে না, বরং পৃথিবী নিজের নিয়মেই চলে এবং চলবে। তবে আমরা শুধু পারি প্রস্থানটাকে অর্থবহ করতে।

‘আমি নাই’, এতে যদি কারও চোখের পাতা বিন্দুমাত্র না কাঁপে তো সেই জীবন ধরে রাখার কোনো মানে আছে? খালেদা জিয়া ঠিক সেভাবেই অর্থাৎ গ্রেসফুলি মহাকালের অংশ হয়ে গেলেন।

এইবার, মুদ্রার উল্টা দিকটা খেয়াল করেন। হাসিনা চরিত্রগতভাবেই খালেদার বাইপোলার অপোজিট। ডিকটেটরের ডিলেমাতে ভুগে সে দেড় বছর পরেও রিয়েলাইজ করতে পারে নায় ‘তার অপরাধটা কী?’

একবার চিন্তা করেন, মহিলাটা জাস্ট পায়ের তলায় পিষে যাওয়া একটা তেলাপোকার মতো ঘেন্না নিয়ে চলে যাবে। অসহায়ের মতো, অনাহুতের মতো, অবাঞ্ছিতের মতো, পৃথিবীর জন্য নিতান্ত অপ্রয়োজনীয় আবর্জনার মতো নিঃশেষ হয়ে যাবে।

বাংলাদেশে অনেক মিষ্টির দোকান খালি হয়ে যাবে ওইদিন। এমনকি, ওর লাশও যদি দেশে আনার চেষ্টা করা হয়, হাদির জানাজা পড়তে আসা মানুষের ঢল চতুর্দিক থেকে ঘেরাও করে এয়ারপোর্ট আটকায় ফেলবে।

বলা চলে, বাংলাদেশে হাসিনার কবর হবে না। ওই লাশ সইবে না বাংলার মাটি।

এতোখানি ডিসগ্রেস নিয়ে, এতো শহীদের অভিশাপ নিয়েও যে হাসিনা এতোদিন পর্যন্ত বেঁচে আছে, তার কারণ একটাই। সেটা হলো— শয়তান এতো সহজে মরে না।

এদিকে খালেদার অপ্রাপ্তির কিছু ছিলো না। পূর্ণ বয়সে, সব দায়িত্ব শেষ করে পরের প্রজন্মের হাতে দায়িত্ব তুলে দিয়ে, সম্মানের সাথে রাণীর মতো বিদায় নিলেন।

তবে তার দুর্ভাগ্য একটাই। সেটা হচ্ছে— ইতিহাসে তার নামটা হাসিনার নামের সাথে উচ্চারিত হবে।

(প্রবাসী লেখক শুভজিত ভৌমিকের ফেসবুক পোস্ট থেকে নেয়া)