ঢাকা ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ তালবাহানায় আটকে গভর্নিং বডি নির্বাচন, প্রশ্নের মুখে আইডিয়াল কর্তৃপক্ষ অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশা: জুবাইদা রহমান গ্লোবাল পিস ইনডেক্স ২০২৬ দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত করা হবে পুরস্কারের গাড়ি মাকে উপহার দেবেন তাওহীদ হৃদয় ইসলামী ব্যাংকে নতুন প্রশাসক নিয়োগ জিয়াউর রহমানের জীবন ও দর্শন নিয়ে গবেষণার আহ্বান ফখরুলের পাখির চোখে সীমান্ত পাহারার ছক, কঠোর নজরদারি বাড়াচ্ছে সরকার বেনজীরের গ্রেপ্তারের খবরে আনন্দিত পরীমণি

আইজিপি বাহারুল আলমের অপসারণ চেয়ে রিট খারিজ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৫৭:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৯৪ বার

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে দায়ীদের তালিকায় নাম আসায় বর্তমান পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলমের অপসারণ চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ ও ব্যারিস্টার অনীক আর হক।

রিটকারী আইনজীবী আদালতে উপস্থিত না থাকায় রিট আবেদনটি খারিজ করা হয়েছে।

এর আগে, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে দায়ীদের তালিকায় নাম আসায় আইজিপি বাহারুল আলমের অপসারণ চেয়ে রিট দায়ের করা হয়। ন্যাশনাল ল-ইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনু এই রিট দায়ের করেন।

গত ৬ ডিসেম্বর বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে দায়ীদের তালিকায় নাম আসায় বাহারুল আলমকে বরখাস্ত করতে প্রধান উপদেষ্টাকে চিঠি দেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী। ন্যাশনাল ল-ইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনু রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এ চিঠি পাঠিয়েছিলেন।

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তৎকালীন সীমান্তরক্ষী বাহিনী বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) সদর দপ্তর পিলখানায় বিদ্রোহী জওয়ানদের হামলায় নিহত হন ৫৭ সেনা কর্মকর্তা। ঘটনাটি নিয়ে ওই সময়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু রিপোটর্টি আলোর মুখ দেখেনি। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর শেখ হাসিনা, মইন ইউ আহমেদসহ ৫৮ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের করেন নিহতের স্বজনরা। এরপর ২৩ ডিসেম্বর তদন্ত কমিটি গঠন করে সরকার। কমিটিকে সুনির্দিষ্ট কিছু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে রয়েছে-অপরাধ সংঘটনকারী, সহায়তাকারী, ষড়যন্ত্রকারী, ঘটনার আলামত ধ্বংসকারী ও ইন্ধনদাতাকে চিহ্নিত করা। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে দেশি-বিদেশি সংশ্লিষ্ট অপরাধী ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সংস্থা, প্রতিষ্ঠান, বিভাগ ও সংগঠন চিহ্নিত করা অন্যতম।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ

আইজিপি বাহারুল আলমের অপসারণ চেয়ে রিট খারিজ

আপডেট টাইম : ১০:৫৭:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে দায়ীদের তালিকায় নাম আসায় বর্তমান পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলমের অপসারণ চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ ও ব্যারিস্টার অনীক আর হক।

রিটকারী আইনজীবী আদালতে উপস্থিত না থাকায় রিট আবেদনটি খারিজ করা হয়েছে।

এর আগে, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে দায়ীদের তালিকায় নাম আসায় আইজিপি বাহারুল আলমের অপসারণ চেয়ে রিট দায়ের করা হয়। ন্যাশনাল ল-ইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনু এই রিট দায়ের করেন।

গত ৬ ডিসেম্বর বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে দায়ীদের তালিকায় নাম আসায় বাহারুল আলমকে বরখাস্ত করতে প্রধান উপদেষ্টাকে চিঠি দেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী। ন্যাশনাল ল-ইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনু রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এ চিঠি পাঠিয়েছিলেন।

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তৎকালীন সীমান্তরক্ষী বাহিনী বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) সদর দপ্তর পিলখানায় বিদ্রোহী জওয়ানদের হামলায় নিহত হন ৫৭ সেনা কর্মকর্তা। ঘটনাটি নিয়ে ওই সময়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু রিপোটর্টি আলোর মুখ দেখেনি। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর শেখ হাসিনা, মইন ইউ আহমেদসহ ৫৮ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের করেন নিহতের স্বজনরা। এরপর ২৩ ডিসেম্বর তদন্ত কমিটি গঠন করে সরকার। কমিটিকে সুনির্দিষ্ট কিছু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে রয়েছে-অপরাধ সংঘটনকারী, সহায়তাকারী, ষড়যন্ত্রকারী, ঘটনার আলামত ধ্বংসকারী ও ইন্ধনদাতাকে চিহ্নিত করা। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে দেশি-বিদেশি সংশ্লিষ্ট অপরাধী ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সংস্থা, প্রতিষ্ঠান, বিভাগ ও সংগঠন চিহ্নিত করা অন্যতম।