ঢাকা ০৬:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা মহররমের চাঁদ দেখা গেছে ২৬ জুন সারাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র আশুরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় খামার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী আত্রাই নদীতে অবৈধ সৌতিজালের বিরুদ্ধে অভিযান নেটওয়ার্ক খুঁজতে আম গাছে প্রধান শিক্ষক, কী ঘটেছিল সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতকে দুদকের চিঠি মাদরাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন বিলম্ব: দ্রুত সমাধান ও স্থায়ী ব্যবস্থার দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে রাত পোহালেই আর্জেন্টিনার ম্যাচ, মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন মেসি

সাত কলেজ নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩৮:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৭৭ বার

প্রস্তাবিত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ ২০২৫’-এর খসড়া পরিমার্জন করে চূড়ান্ত করার কাজ চলছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিষয়টি নিয়ে কাজ সম্পন্ন করে ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে পরিমার্জিত খসড়ার ওপর আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে মন্ত্রণালয়।

প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠামোর পক্ষে-বিপক্ষে আন্দোলন চলার মধ্যেই আজ সোমবার এ নিয়ে ব্যাখ্যা দিল মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর খসড়া অধ্যাদেশটি ওয়েবসাইটে প্রকাশের পর শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সুধীজনসহ বিভিন্ন মহল থেকে ৫ হাজারের বেশি মতামত এসেছে। একই সঙ্গে অংশীজনদের নিয়ে ৩টি মতবিনিময় সভা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়-বিভাগের মতামত সংগ্রহ প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছে। এসব মতামত আইনগত ও বাস্তবতার আলোকে বিশ্লেষণ করে খসড়াটি চূড়ান্ত করা হচ্ছে। আগামী ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে পরিমার্জিত খসড়ার ওপর আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা আয়োজনের চেষ্টা চলছে।

এতে আরও বলা হয়, চূড়ান্তকরণের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম যাতে কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয় সেটিও অগ্রাধিকার পাচ্ছে। এ লক্ষ্যে সাত কলেজের অধ্যক্ষ, শিক্ষক প্রতিনিধি, অন্তর্বর্তী প্রশাসন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চলছে। গত ১১ নভেম্বর ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশন-সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, অন্তর্বর্তী প্রশাসকের ২৮ জুলাইয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে তিন ইউনিটে ভর্তি আবেদন গ্রহণ করা হয়। এতে ১০ হাজার ১৯৪ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছেন। যাদের মধ্যে ৯ হাজার ৩৮৮ জন ভর্তি নিশ্চিত করেন। নতুন শিক্ষাবর্ষ পরিচালনার জন্য একটি অপারেশন ম্যানুয়েলও ইতোমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে। আর ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরুর বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ৪ ডিসেম্বর অধ্যক্ষ ও ৭ ডিসেম্বর শিক্ষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে সভা করেছে মাউশি। বিদ্যমান একাডেমিক কাঠামো অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কলেজের শিক্ষকদের প্রস্তুতির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, শীতকালীন ছুটি শেষে ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে নবীন শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু করা সম্ভব হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাত কলেজের স্বাতন্ত্র্য, নারী শিক্ষার সুযোগ সংকোচন না হওয়া, নারীদের জন্য নির্ধারিত কলেজগুলোর বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ন রাখা, সম্পত্তির মালিকানা সুরক্ষা, মাধ্যমিক স্তরের কার্যক্রম বিঘ্নিত না হওয়া এবং সাত কলেজের সঙ্গে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কী ধরনের সম্পৃক্ততা থাকবে—এ সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনায় রেখেই খসড়া পরিমার্জন চলছে। সময়সাপেক্ষ এ প্রক্রিয়ায় ধৈর্যশীল আচরণ কামনা করেছে বিভাগ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নের এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ন্যায্য স্বার্থ রক্ষা করে একটি ইতিবাচক একাডেমিক পরিবেশ গড়ে তোলাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। গুজব, অসম্পূর্ণ তথ্য বা ব্যক্তিগত ব্যাখ্যার ভিত্তিতে বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা

সাত কলেজ নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়

আপডেট টাইম : ১১:৩৮:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

প্রস্তাবিত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ ২০২৫’-এর খসড়া পরিমার্জন করে চূড়ান্ত করার কাজ চলছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিষয়টি নিয়ে কাজ সম্পন্ন করে ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে পরিমার্জিত খসড়ার ওপর আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে মন্ত্রণালয়।

প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠামোর পক্ষে-বিপক্ষে আন্দোলন চলার মধ্যেই আজ সোমবার এ নিয়ে ব্যাখ্যা দিল মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর খসড়া অধ্যাদেশটি ওয়েবসাইটে প্রকাশের পর শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সুধীজনসহ বিভিন্ন মহল থেকে ৫ হাজারের বেশি মতামত এসেছে। একই সঙ্গে অংশীজনদের নিয়ে ৩টি মতবিনিময় সভা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়-বিভাগের মতামত সংগ্রহ প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছে। এসব মতামত আইনগত ও বাস্তবতার আলোকে বিশ্লেষণ করে খসড়াটি চূড়ান্ত করা হচ্ছে। আগামী ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে পরিমার্জিত খসড়ার ওপর আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা আয়োজনের চেষ্টা চলছে।

এতে আরও বলা হয়, চূড়ান্তকরণের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম যাতে কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয় সেটিও অগ্রাধিকার পাচ্ছে। এ লক্ষ্যে সাত কলেজের অধ্যক্ষ, শিক্ষক প্রতিনিধি, অন্তর্বর্তী প্রশাসন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চলছে। গত ১১ নভেম্বর ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশন-সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, অন্তর্বর্তী প্রশাসকের ২৮ জুলাইয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে তিন ইউনিটে ভর্তি আবেদন গ্রহণ করা হয়। এতে ১০ হাজার ১৯৪ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছেন। যাদের মধ্যে ৯ হাজার ৩৮৮ জন ভর্তি নিশ্চিত করেন। নতুন শিক্ষাবর্ষ পরিচালনার জন্য একটি অপারেশন ম্যানুয়েলও ইতোমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে। আর ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরুর বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ৪ ডিসেম্বর অধ্যক্ষ ও ৭ ডিসেম্বর শিক্ষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে সভা করেছে মাউশি। বিদ্যমান একাডেমিক কাঠামো অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কলেজের শিক্ষকদের প্রস্তুতির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, শীতকালীন ছুটি শেষে ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে নবীন শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু করা সম্ভব হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাত কলেজের স্বাতন্ত্র্য, নারী শিক্ষার সুযোগ সংকোচন না হওয়া, নারীদের জন্য নির্ধারিত কলেজগুলোর বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ন রাখা, সম্পত্তির মালিকানা সুরক্ষা, মাধ্যমিক স্তরের কার্যক্রম বিঘ্নিত না হওয়া এবং সাত কলেজের সঙ্গে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কী ধরনের সম্পৃক্ততা থাকবে—এ সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনায় রেখেই খসড়া পরিমার্জন চলছে। সময়সাপেক্ষ এ প্রক্রিয়ায় ধৈর্যশীল আচরণ কামনা করেছে বিভাগ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নের এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ন্যায্য স্বার্থ রক্ষা করে একটি ইতিবাচক একাডেমিক পরিবেশ গড়ে তোলাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। গুজব, অসম্পূর্ণ তথ্য বা ব্যক্তিগত ব্যাখ্যার ভিত্তিতে বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।