করিমগঞ্জ ও তাড়াইল অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে আবারও রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনের একাধিক সূত্র বলছে, পুলিশের উচ্চপর্যায়ে দায়িত্ব পাওয়ার পর চুন্নুর ঘনিষ্ঠজন বাহারুলকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। দায়িত্ব পাওয়ার দিন চুন্নুর বাড়িতে উৎসবের আমেজ দেখা যায়—এ কথাও বিভিন্ন মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এই ঘটনাকে ঘিরে কিশোরগঞ্জের রাজনীতিতে নেমে এসেছে চাঞ্চল্য।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, এরপর থেকেই চুন্নুর পরিবারের কয়েকজন ভাই–ভাতিজা এলাকায় প্রভাব বিস্তার শুরু করেন। করিমগঞ্জ–তাড়াইল অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামে তাদের অনুসারীরা আধিপত্য দেখানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়ভাবে জাতীয় পার্টির ওয়ার্ড থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতারাও পূর্বের প্রভাব ফিরে পাচ্ছেন—এমনটিও দাবি করছেন অনেকেই।
অন্যদিকে, জুলাই আন্দোলন–সমর্থিতরা অভিযোগ করছেন, নতুন ক্ষমতার সমীকরণে তারা বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন। রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে তাদের নানাভাবে কোণঠাসা করে রাখা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের।
তবে এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করছে চুন্নু–বাহারুল পরিবারের ঘনিষ্ঠ মহল। তাদের বক্তব্য—এ সবই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার। তারা জানান, আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য।
সচেতন নাগরিকদের মতে, একের পর এক অভিযোগ–পাল্টা অভিযোগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভুগছে সাধারণ মানুষ। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে সব পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
Reporter Name 

























