ঢাকা ০২:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষাদূত মুকুল মাস্টারের অন্তিম প্রহর ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবার কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত সরকারের ১৭ হাজার মুসল্লির ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ ৭৮ দেশের সঙ্গে বৈঠক, হজ ব্যবস্থাপনায় বড় পরিকল্পনা সৌদির বিদ্যুৎ ও জ্বালানিতে ৩.৩ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ নিচ্ছে সরকার গুগলের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যে ১.৩৩ বিলিয়ন ডলারের মামলা এমপি নজরুলের জামিন হলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে, বললেন বিচারক মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির

তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা, চলতি মাসেই আসছে শৈত্যপ্রবাহ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৫৮:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ৮০ বার

উত্তরবঙ্গে কয়েক দিন ধরেই ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত হিমেল হাওয়া আর কুয়াশা দেখা দিয়েছে। উচ্চ আর্দ্রতায় জমে আসছে শীতের অনুভূতি। তেঁতুলিয়ার তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যাওয়ায় মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও নেমেছে কনকনে শীতের চাপ।

রোববার তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রির ঘরে এসে দাঁড়িয়েছে। আর দিন দিন তাপমাত্রা নিচে নেমে যাওয়ায় পঞ্চগড় জেলার কর্মজীবী সাধারণ খেটেখাওয়া মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে।

গত এক সপ্তাহ ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে ১৩ থেকে ১৪ ডিগ্রির ঘরে। রোববার ভোর ৬টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

হিমালয় থেকে বয়ে আসা ঠান্ডা বাতাস আর ভোর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে পুরো এলাকা। তবে সকাল ৯টার পর সূর্য উঠার সঙ্গে সঙ্গে শীতের প্রবণতা কমতে থাকে। আর সকাল ৯টার পর ঝলমলে রোদপড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা মোটামুটি কমে যায়।

তবে দুপুরের পর শুরু হয় ফের বাতাস এবং দুপুর গড়িয়ে বিকাল নেমে আসলেই শীতের তীব্রতা বেড়ে যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজনকে শীতের কাপড় পরিধান করতে হয়। আর রাতে রীতিমতো কাঁথা-কম্বল-লেপ ব্যবহার করতে হয় লোকজনকে। অপরদিকে বিরূপ আবহাওয়ার কারণে শীত ও শীতজনিত নানা রোগে শিশু ও বয়স্ক লোকজন আক্রান্ত হচ্ছেন।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জীতেন্দ্র নাথ জানান, তেঁতুলিয়াসহ পঞ্চগড়ের পুরো এলাকায় দিন দিন তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। নভেম্বরের শেষদিকে এখানে একটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তবে ডিসেম্বরের প্রথম দিকে পঞ্চগড়ে একাধিক শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তখন শীতের তীব্রতা অনেক বেড়ে যাবে। তখন তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নেমে আসতে পারে।

এদিকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মনসুর আলম বলেন, পঞ্চগড়ে আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাবের কারণে চলতি সপ্তাহ থেকে হাসপাতালে শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিদিন গড়ে আড়াই থেকে তিনশ রোগী শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে বহিঃবিভাগে চিকিৎসার জন্য আসছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষাদূত মুকুল মাস্টারের অন্তিম প্রহর

তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা, চলতি মাসেই আসছে শৈত্যপ্রবাহ

আপডেট টাইম : ১০:৫৮:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

উত্তরবঙ্গে কয়েক দিন ধরেই ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত হিমেল হাওয়া আর কুয়াশা দেখা দিয়েছে। উচ্চ আর্দ্রতায় জমে আসছে শীতের অনুভূতি। তেঁতুলিয়ার তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যাওয়ায় মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও নেমেছে কনকনে শীতের চাপ।

রোববার তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রির ঘরে এসে দাঁড়িয়েছে। আর দিন দিন তাপমাত্রা নিচে নেমে যাওয়ায় পঞ্চগড় জেলার কর্মজীবী সাধারণ খেটেখাওয়া মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে।

গত এক সপ্তাহ ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে ১৩ থেকে ১৪ ডিগ্রির ঘরে। রোববার ভোর ৬টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

হিমালয় থেকে বয়ে আসা ঠান্ডা বাতাস আর ভোর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে পুরো এলাকা। তবে সকাল ৯টার পর সূর্য উঠার সঙ্গে সঙ্গে শীতের প্রবণতা কমতে থাকে। আর সকাল ৯টার পর ঝলমলে রোদপড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা মোটামুটি কমে যায়।

তবে দুপুরের পর শুরু হয় ফের বাতাস এবং দুপুর গড়িয়ে বিকাল নেমে আসলেই শীতের তীব্রতা বেড়ে যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজনকে শীতের কাপড় পরিধান করতে হয়। আর রাতে রীতিমতো কাঁথা-কম্বল-লেপ ব্যবহার করতে হয় লোকজনকে। অপরদিকে বিরূপ আবহাওয়ার কারণে শীত ও শীতজনিত নানা রোগে শিশু ও বয়স্ক লোকজন আক্রান্ত হচ্ছেন।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জীতেন্দ্র নাথ জানান, তেঁতুলিয়াসহ পঞ্চগড়ের পুরো এলাকায় দিন দিন তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। নভেম্বরের শেষদিকে এখানে একটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তবে ডিসেম্বরের প্রথম দিকে পঞ্চগড়ে একাধিক শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তখন শীতের তীব্রতা অনেক বেড়ে যাবে। তখন তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নেমে আসতে পারে।

এদিকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মনসুর আলম বলেন, পঞ্চগড়ে আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাবের কারণে চলতি সপ্তাহ থেকে হাসপাতালে শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিদিন গড়ে আড়াই থেকে তিনশ রোগী শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে বহিঃবিভাগে চিকিৎসার জন্য আসছেন।