ঢাকা ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’ বোল্টের চেয়েও দ্রুত দৌড়ানো সেই চীনা রোবটের নতুন চমক মহানবী মুহাম্মদ (সা.) : সব সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ যিনি প্রধানমন্ত্রী ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করছেন: মঈন খান চুলে রং করার পর যত্ন নেবেন যেভাবে নেপালে বন্যা: প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক, সহযোগিতার বার্তা নবীজি (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ ছাড়া বিশ্ব পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয় : ডিএসসিসি প্রশাসক চারণভূমি সুরক্ষা ও টেকসই ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ করতে হবে: আইনমন্ত্রী মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে লাদেনের মৃত্যুসনদ চেয়েছিলেন পুত্র

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:৪১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০১৫
  • ৯৫৭ বার

যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নিহত ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুর সনদ চেয়ে মার্কিন প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলেন আল কায়েদার সাবেক এই নেতার এক পুত্র।

উইকিলিকস ফাঁস করা একটি চিঠি এই তথ্য দিচ্ছে। চিঠিটি সৌদি আরবে মার্কিন দূতাবাস থেকে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। লাদেনপুত্র আবদুল্লাহ বিন লাদেনের বরাবর সেই চিঠি লিখেছিলেন তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

এক প্রতিবেদনে শনিবার এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

খবরে বলা হয়, সৌদির যে ৭০ হাজার তথ্য ফাঁস করেছে উইকিলিকস, এই চিঠিটি তার অন্যতম।

চিঠিটিতে স্বাক্ষর রয়েছে তৎকালীন রিয়াদে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেনারেল গ্লেন কিসারের। এতে উল্লেখিত তারিখ ছিল ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১১; পাকিস্তানে বিশেষ অভিযানে লাদেন হত্যার প্রায় চার মাস পরের ঘটনা।

আবদুল্লাহ বিন লাদেন বরাবর ওই চিঠিতে গ্লেন কিসার লিখেছিলেন, ‘আপনার বাবা ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুসনদ চেয়ে আপনি যে আবেদন করেছেন, আমি তা পেয়েছি।’

কিন্তু সেরকম মৃত্যুসনদ মার্কিন প্রশাসন আলাদা করে তৈরি করে না উল্লেখ করে কিসার লেখেন, ‘সামরিক অভিযানে যারা নিহত হন তাদের বেলায় এটা স্বাভাবিক প্রত্যাশা।’

মৃত্যুসনদের পরিবর্তে সরকারি যে সব নথিপত্রে লাদেনের মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে সেসবের প্রসঙ্গ টেনে কিসার লেখেন, ‘আমি আশা করি, মার্কিন সরকারের নথিপত্র আপনাকে ও আপনার পরিবারকে সহযোগিতা করবে।’

লাদেন পরিবার ছিল সৌদি আরবের অন্যতম সম্ভ্রান্ত ধনী পরিবার। ১৯৯৪ সালে ওসামা বিন লাদেনের নাগরিকত্ব বাতিল করেছিল সৌদি প্রশাসন।

প্রসঙ্গত, ২০১০ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশের কূটনৈতিক তথ্য ফাঁস করে আসছে উইকিলিকস। সর্বশেষ শিকার সৌদি আরব।

উইকিলিকস জানিয়েছে, সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্ধ লক্ষাধিক তারবার্তা তারা আগামী কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রকাশ করবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে লাদেনের মৃত্যুসনদ চেয়েছিলেন পুত্র

আপডেট টাইম : ০৩:৪১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০১৫

যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নিহত ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুর সনদ চেয়ে মার্কিন প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলেন আল কায়েদার সাবেক এই নেতার এক পুত্র।

উইকিলিকস ফাঁস করা একটি চিঠি এই তথ্য দিচ্ছে। চিঠিটি সৌদি আরবে মার্কিন দূতাবাস থেকে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। লাদেনপুত্র আবদুল্লাহ বিন লাদেনের বরাবর সেই চিঠি লিখেছিলেন তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

এক প্রতিবেদনে শনিবার এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

খবরে বলা হয়, সৌদির যে ৭০ হাজার তথ্য ফাঁস করেছে উইকিলিকস, এই চিঠিটি তার অন্যতম।

চিঠিটিতে স্বাক্ষর রয়েছে তৎকালীন রিয়াদে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেনারেল গ্লেন কিসারের। এতে উল্লেখিত তারিখ ছিল ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১১; পাকিস্তানে বিশেষ অভিযানে লাদেন হত্যার প্রায় চার মাস পরের ঘটনা।

আবদুল্লাহ বিন লাদেন বরাবর ওই চিঠিতে গ্লেন কিসার লিখেছিলেন, ‘আপনার বাবা ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুসনদ চেয়ে আপনি যে আবেদন করেছেন, আমি তা পেয়েছি।’

কিন্তু সেরকম মৃত্যুসনদ মার্কিন প্রশাসন আলাদা করে তৈরি করে না উল্লেখ করে কিসার লেখেন, ‘সামরিক অভিযানে যারা নিহত হন তাদের বেলায় এটা স্বাভাবিক প্রত্যাশা।’

মৃত্যুসনদের পরিবর্তে সরকারি যে সব নথিপত্রে লাদেনের মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে সেসবের প্রসঙ্গ টেনে কিসার লেখেন, ‘আমি আশা করি, মার্কিন সরকারের নথিপত্র আপনাকে ও আপনার পরিবারকে সহযোগিতা করবে।’

লাদেন পরিবার ছিল সৌদি আরবের অন্যতম সম্ভ্রান্ত ধনী পরিবার। ১৯৯৪ সালে ওসামা বিন লাদেনের নাগরিকত্ব বাতিল করেছিল সৌদি প্রশাসন।

প্রসঙ্গত, ২০১০ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশের কূটনৈতিক তথ্য ফাঁস করে আসছে উইকিলিকস। সর্বশেষ শিকার সৌদি আরব।

উইকিলিকস জানিয়েছে, সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্ধ লক্ষাধিক তারবার্তা তারা আগামী কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রকাশ করবে।