ঢাকা ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে লাদেনের মৃত্যুসনদ চেয়েছিলেন পুত্র

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:৪১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০১৫
  • ৯৫০ বার

যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নিহত ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুর সনদ চেয়ে মার্কিন প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলেন আল কায়েদার সাবেক এই নেতার এক পুত্র।

উইকিলিকস ফাঁস করা একটি চিঠি এই তথ্য দিচ্ছে। চিঠিটি সৌদি আরবে মার্কিন দূতাবাস থেকে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। লাদেনপুত্র আবদুল্লাহ বিন লাদেনের বরাবর সেই চিঠি লিখেছিলেন তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

এক প্রতিবেদনে শনিবার এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

খবরে বলা হয়, সৌদির যে ৭০ হাজার তথ্য ফাঁস করেছে উইকিলিকস, এই চিঠিটি তার অন্যতম।

চিঠিটিতে স্বাক্ষর রয়েছে তৎকালীন রিয়াদে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেনারেল গ্লেন কিসারের। এতে উল্লেখিত তারিখ ছিল ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১১; পাকিস্তানে বিশেষ অভিযানে লাদেন হত্যার প্রায় চার মাস পরের ঘটনা।

আবদুল্লাহ বিন লাদেন বরাবর ওই চিঠিতে গ্লেন কিসার লিখেছিলেন, ‘আপনার বাবা ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুসনদ চেয়ে আপনি যে আবেদন করেছেন, আমি তা পেয়েছি।’

কিন্তু সেরকম মৃত্যুসনদ মার্কিন প্রশাসন আলাদা করে তৈরি করে না উল্লেখ করে কিসার লেখেন, ‘সামরিক অভিযানে যারা নিহত হন তাদের বেলায় এটা স্বাভাবিক প্রত্যাশা।’

মৃত্যুসনদের পরিবর্তে সরকারি যে সব নথিপত্রে লাদেনের মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে সেসবের প্রসঙ্গ টেনে কিসার লেখেন, ‘আমি আশা করি, মার্কিন সরকারের নথিপত্র আপনাকে ও আপনার পরিবারকে সহযোগিতা করবে।’

লাদেন পরিবার ছিল সৌদি আরবের অন্যতম সম্ভ্রান্ত ধনী পরিবার। ১৯৯৪ সালে ওসামা বিন লাদেনের নাগরিকত্ব বাতিল করেছিল সৌদি প্রশাসন।

প্রসঙ্গত, ২০১০ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশের কূটনৈতিক তথ্য ফাঁস করে আসছে উইকিলিকস। সর্বশেষ শিকার সৌদি আরব।

উইকিলিকস জানিয়েছে, সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্ধ লক্ষাধিক তারবার্তা তারা আগামী কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রকাশ করবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে লাদেনের মৃত্যুসনদ চেয়েছিলেন পুত্র

আপডেট টাইম : ০৩:৪১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০১৫

যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নিহত ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুর সনদ চেয়ে মার্কিন প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলেন আল কায়েদার সাবেক এই নেতার এক পুত্র।

উইকিলিকস ফাঁস করা একটি চিঠি এই তথ্য দিচ্ছে। চিঠিটি সৌদি আরবে মার্কিন দূতাবাস থেকে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। লাদেনপুত্র আবদুল্লাহ বিন লাদেনের বরাবর সেই চিঠি লিখেছিলেন তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

এক প্রতিবেদনে শনিবার এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

খবরে বলা হয়, সৌদির যে ৭০ হাজার তথ্য ফাঁস করেছে উইকিলিকস, এই চিঠিটি তার অন্যতম।

চিঠিটিতে স্বাক্ষর রয়েছে তৎকালীন রিয়াদে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেনারেল গ্লেন কিসারের। এতে উল্লেখিত তারিখ ছিল ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১১; পাকিস্তানে বিশেষ অভিযানে লাদেন হত্যার প্রায় চার মাস পরের ঘটনা।

আবদুল্লাহ বিন লাদেন বরাবর ওই চিঠিতে গ্লেন কিসার লিখেছিলেন, ‘আপনার বাবা ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুসনদ চেয়ে আপনি যে আবেদন করেছেন, আমি তা পেয়েছি।’

কিন্তু সেরকম মৃত্যুসনদ মার্কিন প্রশাসন আলাদা করে তৈরি করে না উল্লেখ করে কিসার লেখেন, ‘সামরিক অভিযানে যারা নিহত হন তাদের বেলায় এটা স্বাভাবিক প্রত্যাশা।’

মৃত্যুসনদের পরিবর্তে সরকারি যে সব নথিপত্রে লাদেনের মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে সেসবের প্রসঙ্গ টেনে কিসার লেখেন, ‘আমি আশা করি, মার্কিন সরকারের নথিপত্র আপনাকে ও আপনার পরিবারকে সহযোগিতা করবে।’

লাদেন পরিবার ছিল সৌদি আরবের অন্যতম সম্ভ্রান্ত ধনী পরিবার। ১৯৯৪ সালে ওসামা বিন লাদেনের নাগরিকত্ব বাতিল করেছিল সৌদি প্রশাসন।

প্রসঙ্গত, ২০১০ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশের কূটনৈতিক তথ্য ফাঁস করে আসছে উইকিলিকস। সর্বশেষ শিকার সৌদি আরব।

উইকিলিকস জানিয়েছে, সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্ধ লক্ষাধিক তারবার্তা তারা আগামী কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রকাশ করবে।