কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনের মধ্যে চারটিতে বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. এম ওসমান ফারুক এবং কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
নামের ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় আনন্দ উল্লাসের ছোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা আনন্দ মিছিল বের করেন এবং একে অপরকে মিষ্টিমুখ করান।
ড. এম ওসমান ফারুক রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেছিলেন। গত বছরের অক্টোবরে তিনি দেশে ফেরেন এবং কিশোরগঞ্জে নজিরবিহীন গণসংবর্ধনা পেয়েছিলেন। ২০০১ সালে কিশোরগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে তিনি শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে একই আসন থেকে তার বাবা, বিখ্যাত মৃৎবিজ্ঞানী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. এম এ গণি, নির্বাচিত হন।
অন্যদিকে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান ২০০৮ ও ২০১৮ সালে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তবে নির্বাচনে জয়ী হতে পারেননি। রাজনৈতিক হামলা ও নির্যাতনের কারণে এলাকায় তিনি সভা-সমাবেশ করতে পারেননি, এবং বহু নেতাকর্মী ও সমর্থক বিনা অপরাধে কারাগারে পাঠানো হয়।
এ দুই আসনে ড. ওসমান ফারুক ও ফজলুর রহমানের বিদেশ অবস্থান ও দলীয় পদস্থগিতির কারণে মনোনয়নপ্রত্যাশী অন্য নেতারা মাঠে সরব ছিলেন। অন্যদিকে কিশোরগঞ্জ-২ ও কিশোরগঞ্জ-৬ আসনে যথাক্রমে অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দীন ও শরীফুল আলম মনোনয়ন পেয়েছেন। কিশোরগঞ্জ-১ ও কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি মনোনয়ন না দেয়ায় সমর্থকদের মধ্যে কিছুটা হতাশা দেখা দিয়েছে।
Reporter Name 





















