অবশেষে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হতে যাচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। গত সোমবার ২৩৭ আসনে ঘোষিত বিএনপির প্রার্থী তালিকায় জায়গা হয়নি তার। বিএনপির চেয়ারপারসনের এই উপদেষ্টা সিলেট-৪ (জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ) আসন থেকে নির্বাচন করবেন। এই আসনি বিএনপি ফাঁকা রাখে। যদিও আরিফ চেয়েছিলেন সিলেট-১ (সদর) আসন।
বুধবার রাতে সাবেক মেয়র আরিফুল হক সময়ের আলোকে বলেন, আমাকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গুলশানে ডেকেছিলেন। তিনি সিলেট-৪ আসনে আমাকে বৃহস্পতিবার থেকে কাজ শুরুর নির্দেশনা দিয়েছেন। আমি সকালেই সিলেট গিয়ে নির্বাচনী প্রচারণার কাজ শুরু করব। এই আসনে আমি প্রয়াত অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমানের নির্বাচনে কাজ করেছি। কিছুটা অভিজ্ঞতা ও চেনাজানা আছে।
সিলেটের এই হেভিওয়েট নেতা বলেন, আগে থেকেই আমাকে সিলেট-৪ আসনের কথা বলা হয়েছিল। বুধবার রাতে হাইকমান্ড ডেকে নিয়ে বেশকিছু নির্দেশনা দিল। আনুষ্ঠানিক চিঠি হয়তো পেয়ে যাব দুয়েকদিনের মধ্যেই৷
সোমবার দলের পক্ষ থেকে সিলেট-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে খন্দকার মুক্তাদিরের নাম ঘোষণা করা হয়। তিনিও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা। মুক্তাদির ২০১৮ সালেও এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন। তার বাবা মরহুম খন্দকার এম এ মালিক এ আসনের সাবেক এমপি ছিলেন।
সিলেট বিভাগের ১৯ সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৪টিতে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তখন সাবেক মেয়র আরিফের মনোনয়ন না পাওয়ার বিষয়টি সবচাইতে বেশি আলোচিত হয়।
Reporter Name 
























