ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

তারেক রহমান এলডিসি থেকে উত্তরণে আমাদের সতর্ক হতে হবে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৫৭:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৫৮ বার

২০২৬ সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশ জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বেরিয়ে আসতে যাচ্ছে—এটি দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হলেও এর সঙ্গে নানা ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জও রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই উত্তরণকে কেন্দ্র করে দেশের অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে এখনই সদ্ভাবে কথা বলা দরকার।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ২৮ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে তারেক রহমান বলেন, ‘এলডিসি থেকে উত্তরণের পথে আমাদের শ্রমিক, কৃষক ও তরুণদের ঝুঁকিতে ফেলে দেওয়া যাবে না।

উত্তরণের সুফল যেন জনগণ ভোগ করতে পারে, সে জন্য বাস্তবসম্মত, দৃশ্যমান অগ্রগতি ও সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।’

বিএনপির উদ্বেগ

তারেক রহমান বলেন, এলডিসি থেকে বেরিয়ে গেলে বাংলাদেশ বেশ কিছু আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সুবিধা হারাবে। এতে তৈরি পোশাক খাতের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। একই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও ঋণের ওপর চাপ বাড়বে।

ফলে স্বল্প সুদে বৈদেশিক ঋণ পাওয়া কঠিন হবে। আর্থিক সহায়তার পরিমাণও কমে যেতে পারে।

তিনি আরো বলেন, এলডিসি দেশ হিসেবে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) থেকে যে সুবিধাগুলো পাওয়া যায় যেমন—ভর্তুকির নমনীয়তা, ওষুধের পেটেন্টসংক্রান্ত ছাড়ও আর প্রযোজ্য থাকবে না। ফলে ওষুধের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সমাধানে যেসব উদ্যোগের কথা বললেন

এই পরিস্থিতিতে এখনই প্রস্তুতি নিতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘একটি মাত্র খাতে রপ্তানিনির্ভরতা ঝুঁকিপূর্ণ। তাই রপ্তানি বহুমুখীকরণ জরুরি, বিশেষ করে তথ্য-প্রযুক্তি, ওষুধ ও উচ্চমূল্য সংযোজনশীল শিল্পে।’

তাঁর প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে—উৎপাদনশীলতা, লজিস্টিকস ও অবকাঠামোতে বিনিয়োগ; সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর দক্ষতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা; আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পরিবেশবান্ধব অর্থনীতিতে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে নীতিগত প্রস্তুতি।

তারেক রহমান বলেন, ‘উত্তরণ যেন দেশকে ঋণের ফাঁদে না ফেলে বা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে না দেয়, তা নিশ্চিত করতে হবে এখনই।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

তারেক রহমান এলডিসি থেকে উত্তরণে আমাদের সতর্ক হতে হবে

আপডেট টাইম : ১০:৫৭:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

২০২৬ সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশ জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বেরিয়ে আসতে যাচ্ছে—এটি দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হলেও এর সঙ্গে নানা ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জও রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই উত্তরণকে কেন্দ্র করে দেশের অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে এখনই সদ্ভাবে কথা বলা দরকার।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ২৮ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে তারেক রহমান বলেন, ‘এলডিসি থেকে উত্তরণের পথে আমাদের শ্রমিক, কৃষক ও তরুণদের ঝুঁকিতে ফেলে দেওয়া যাবে না।

উত্তরণের সুফল যেন জনগণ ভোগ করতে পারে, সে জন্য বাস্তবসম্মত, দৃশ্যমান অগ্রগতি ও সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।’

বিএনপির উদ্বেগ

তারেক রহমান বলেন, এলডিসি থেকে বেরিয়ে গেলে বাংলাদেশ বেশ কিছু আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সুবিধা হারাবে। এতে তৈরি পোশাক খাতের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। একই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও ঋণের ওপর চাপ বাড়বে।

ফলে স্বল্প সুদে বৈদেশিক ঋণ পাওয়া কঠিন হবে। আর্থিক সহায়তার পরিমাণও কমে যেতে পারে।

তিনি আরো বলেন, এলডিসি দেশ হিসেবে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) থেকে যে সুবিধাগুলো পাওয়া যায় যেমন—ভর্তুকির নমনীয়তা, ওষুধের পেটেন্টসংক্রান্ত ছাড়ও আর প্রযোজ্য থাকবে না। ফলে ওষুধের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সমাধানে যেসব উদ্যোগের কথা বললেন

এই পরিস্থিতিতে এখনই প্রস্তুতি নিতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘একটি মাত্র খাতে রপ্তানিনির্ভরতা ঝুঁকিপূর্ণ। তাই রপ্তানি বহুমুখীকরণ জরুরি, বিশেষ করে তথ্য-প্রযুক্তি, ওষুধ ও উচ্চমূল্য সংযোজনশীল শিল্পে।’

তাঁর প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে—উৎপাদনশীলতা, লজিস্টিকস ও অবকাঠামোতে বিনিয়োগ; সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর দক্ষতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা; আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পরিবেশবান্ধব অর্থনীতিতে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে নীতিগত প্রস্তুতি।

তারেক রহমান বলেন, ‘উত্তরণ যেন দেশকে ঋণের ফাঁদে না ফেলে বা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে না দেয়, তা নিশ্চিত করতে হবে এখনই।’