ইরান যে কোনো নতুন সামরিক আগ্রাসনের জবাব দিতে প্রস্তুত জানিয়ে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, ১২ দিনের ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের চেয়েও তেহরান প্রতিপক্ষকে ‘আরও বড় আঘাত দিতে সক্ষম’।
বুধবার (১৬ জুলাই) তেহরানে বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে খামেনি বলেন, ‘আমাদের জাতি যে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার শিকলবন্দী কুকুর ইহুদিবাদী শাসনব্যবস্থার (ইসরায়েল) বিরুদ্ধে লড়াই করতে প্রস্তুত, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।’
কাতারে অবস্থি4reত মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বড় মার্কিন ঘাঁটি আল উদেইদে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রসঙ্গে খামেনি বলেন, ‘ইরান কর্তৃক আক্রান্ত ঘাঁটিটি ছিল একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল আমেরিকান আঞ্চলিক ঘাঁটি। যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্যদের ওপর আরও বড় আঘাত আসতে পারে।’
যুক্তরাষ্ট্র এবং তিনটি ইউরোপীয় দেশ আগামী আগস্ট মাসের শেষের দিকে ‘একটি চুক্তির সময়সীমা নির্ধারণে’ ইরানের ওপর চাপ দিয়ে যাচ্ছে। যদি ততক্ষণে কোনো অগ্রগতি না হয়, তাহলে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, জাতিসংঘের ‘স্ন্যাপব্যাক’ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তেহরানের ওপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে।
খামেনি বলেছেন, ‘কোনো যুদ্ধক্ষেত্রে ইরানি জাতি দুর্বল পক্ষ হিসেবে আবির্ভূত হবে না। কারণ আমাদের কাছে প্রয়োজনীয় সকল উপায় আছে, আমাদের যুক্তি আছে এবং আমাদের শক্তি আছে। আল্লাহর ইচ্ছায়, আমরা কূটনৈতিক এবং সামরিক উভয় ক্ষেত্রেই পূর্ণ হাতে প্রবেশ করব।’
সর্বোচ্চ নেতা ইরানি কূটনীতিকদের ‘নির্দেশিকা’ মেনে চলার এবং বিস্তারিত না বলে জোর দিয়ে তাদের কাজ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
এর আগে আজ বুধবার ইরানের পার্লামেন্ট একটি বিবৃতি জারি করে বলেছে, পূর্বশর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনা পুনরায় শুরু করা উচিত হবে না।
Reporter Name 

























