ঢাকা ০৫:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

ইরানে হামলার পর নিউইয়র্কে সতর্কতা, অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:২৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫
  • ১২০ বার

যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় ইরানের তিনটি পরমাণু স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হওয়ার পর সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ (NYPD)।

জুন ২১ তারিখে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভেতরে ফোর্ডো, নাটানজ ও এসফাহান (বা ইসফাহান) – এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু স্থাপনায় বোমা বর্ষণ করে। এর পরপরই নিউইয়র্ক পুলিশ ম্যানহাটনের বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েনের ঘোষণা দেয়।

এক বিবৃতিতে এনওয়াইপিডি জানায়,
“আমরা ইরানে unfolding পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। অতিরিক্ত সতর্কতা হিসেবে আমরা নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও কূটনৈতিক স্থাপনায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন করেছি এবং ফেডারেল অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করছি।”

তারা আরও জানায়,
“নিউইয়র্ক সিটিতে সম্ভাব্য কোনো প্রভাব পড়তে পারে কিনা, আমরা তা পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাব।”

যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, হামলার পর তাদের বোমারু বিমানগুলো ইরানের আকাশসীমা ত্যাগ করেছে।

সিএনএন জানিয়েছে, ইরানি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে—হামলার আগেই এসব স্থাপনা খালি করে ফেলা হয়েছিল। হামলার বিষয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের প্রতিক্রিয়া ছিল মিশ্র; কেউ কেউ আগেই এ বিষয়ে ব্রিফিং পেয়েছিলেন।

এই হামলাগুলো চালানো হয় মার্কিন B-2 স্টেলথ বোমারু বিমান দিয়ে।

প্রসঙ্গত, ফোর্ডো পরমাণু স্থাপনাটি পাহাড় কেটে গভীর ভূগর্ভে নির্মাণ করা হয়েছে। ইসরায়েল অতীতে একাধিকবার জানিয়েছে, তারা এই সাইট ধ্বংস করার মতো প্রযুক্তি রাখে না। কারণ সিএনএনের পূর্ববর্তী এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ফোর্ডোর মূল স্থাপনাগুলো ছিল ভূমির ৮০ থেকে ৯০ মিটার নিচে—যা ইসরায়েলের হাতে থাকা প্রচলিত কোনো বোমা দিয়ে ধ্বংস করা সম্ভব নয়।

এদিকে নিউইয়র্ক সিটির জরুরি ব্যবস্থাপনা বিভাগ শহরের ওপর তীব্র গরমের প্রভাব মোকাবিলার বিষয়েও তৎপর রয়েছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান এই হামলার পাল্টা জবাব দেবে কি না, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

ইরানে হামলার পর নিউইয়র্কে সতর্কতা, অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন

আপডেট টাইম : ১০:২৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় ইরানের তিনটি পরমাণু স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হওয়ার পর সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ (NYPD)।

জুন ২১ তারিখে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভেতরে ফোর্ডো, নাটানজ ও এসফাহান (বা ইসফাহান) – এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু স্থাপনায় বোমা বর্ষণ করে। এর পরপরই নিউইয়র্ক পুলিশ ম্যানহাটনের বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েনের ঘোষণা দেয়।

এক বিবৃতিতে এনওয়াইপিডি জানায়,
“আমরা ইরানে unfolding পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। অতিরিক্ত সতর্কতা হিসেবে আমরা নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও কূটনৈতিক স্থাপনায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন করেছি এবং ফেডারেল অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করছি।”

তারা আরও জানায়,
“নিউইয়র্ক সিটিতে সম্ভাব্য কোনো প্রভাব পড়তে পারে কিনা, আমরা তা পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাব।”

যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, হামলার পর তাদের বোমারু বিমানগুলো ইরানের আকাশসীমা ত্যাগ করেছে।

সিএনএন জানিয়েছে, ইরানি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে—হামলার আগেই এসব স্থাপনা খালি করে ফেলা হয়েছিল। হামলার বিষয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের প্রতিক্রিয়া ছিল মিশ্র; কেউ কেউ আগেই এ বিষয়ে ব্রিফিং পেয়েছিলেন।

এই হামলাগুলো চালানো হয় মার্কিন B-2 স্টেলথ বোমারু বিমান দিয়ে।

প্রসঙ্গত, ফোর্ডো পরমাণু স্থাপনাটি পাহাড় কেটে গভীর ভূগর্ভে নির্মাণ করা হয়েছে। ইসরায়েল অতীতে একাধিকবার জানিয়েছে, তারা এই সাইট ধ্বংস করার মতো প্রযুক্তি রাখে না। কারণ সিএনএনের পূর্ববর্তী এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ফোর্ডোর মূল স্থাপনাগুলো ছিল ভূমির ৮০ থেকে ৯০ মিটার নিচে—যা ইসরায়েলের হাতে থাকা প্রচলিত কোনো বোমা দিয়ে ধ্বংস করা সম্ভব নয়।

এদিকে নিউইয়র্ক সিটির জরুরি ব্যবস্থাপনা বিভাগ শহরের ওপর তীব্র গরমের প্রভাব মোকাবিলার বিষয়েও তৎপর রয়েছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান এই হামলার পাল্টা জবাব দেবে কি না, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।