ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলে টানা অস্টমবারের মতো সভানেত্রী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রথমবারের মতো সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নির্বাচিত হয়েছেন। ৮১ সদস্যের ওয়ার্কিং কমিটির এখনো ৩৮টি পদ খালি রেখে আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে সাবেক কমিটির নেতাদেরই দাপট দেখা গেছে। এখন পর্যন্ত ঘোষিত আওয়ামী লীগের ৪৩ জনের মধ্যে ১০ জনের পদোন্নতি হয়েছে। স্বপদে বহাল আছেন ২৩ জন। আর নতুন মুখ হিসেবে এসেছেন ৫ জন।
বাকি ৩৮টি পদের মধ্যে ৩টি প্রেসিডিয়াম সদস্য, ৫টি সম্পাদকীয় পদ, ২টি উপ-সম্পাদক এবং ২৮ জন কার্যনির্বাহী সদস্য পদ খালি রয়েছে। আগামী শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) বৈঠকেই এসব পদে কারা আসবেন তা নির্বাচন করবেন দলের সভানেত্রী ও সাধারণ সম্পাদক।
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়ামে পদোন্নতি পেয়েছেন সাবেক কমিটির ৪ জন। তারা হলেন, নুরুল ইসলাম নাহিদ, ফারুক খান, ড. আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল মান্নান খান। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ প্রেসিডিয়ামে নতুন মুখ হিসেবে যোগ হয়েছেন দু’জন। তারা হলেন: ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রমেশ চন্দ্র সেন, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি পিযুষ ভট্টাচার্য। প্রেসিডিয়াম সদস্য পদ থেকে বাদ পড়েছেন দুই জন। তারা হলেন নূহ উল আলম লেনিন, অ্যাডভোকেট সতীশ চন্দ রায়।
এছাড়া সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ছাড়াও প্রেসিডিয়ামে স্বপদে বহাল রয়েছেন ৭ জন। তারা হলেন- তারা হলেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী, মোহাম্মদ নাসিম, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফর উল্যাহ, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ও অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন। যদিও এ কোরামের এখনো তিনটি পদ খালি আছে।
এবারের কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদ ৩ জন থেকে বাড়িয়ে ৪ জন করা হয়েছে। এ ৪ পদে একজন পদোন্নতি পেয়েছেন। সদ্য সাবেক কমিটির সদস্য আব্দুর রহমান পদোন্নতি পেয়ে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন। আর বাকি তিন জন স্বপদে বহাল দ্বিতীয়বারের মতো যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন। তারা হলেন- মাহবুব উল আলম হানিফ, ড. দিপু মনি ও জাহাঙ্গীর কবির নানক।
আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নতুন মুখ একজন। পদোন্নতি পেয়েছেন একজন আর বাকি ৬ জন স্বপদে বহাল রয়েছেন। নতুন মুখ হিসেবে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে এসেছেন চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিনের পুত্র মহিবুল হাসান চৌধুরী রাসেল। আর পদোন্নতি পেয়েছেন সদ্য সাবেক কমিটির সদস্য একে এম এনামুল হক শামীম। স্বপদে বহাল রয়েছেন- আহমদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল হক, মেসবাহ উদ্দিন সিরাজ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন ও খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তারা ২০০৯ সাল থেকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
সাংগঠনিক সম্পাদকের বাইরে আরো কিছু পদে স্বপদে বহাল থেকে হ্যাট্রিক করেছেন ৫ জন। তারা হলেন- আইন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মতিন খসরু, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ। এরাও ২০০৯ সাল থেকে এসব পদে বহাল আছেন।
দ্বিতীয়বারের মতো একই পদে দায়িত্ব পেয়েছেন ২ জন। এরা হলেন- প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হাছান মাহমুদ, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সাত্তার।
এদিকে সম্পাদকীয় পদে পদোন্নতি পেয়েছেন তিনজন। নতুন মুখ এসেছে দু’জন। পদোন্নতি পেয়ে সদ্য সাবেক কমিটির সদস্য সুজিত রায় নন্দী হয়েছেন ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক। উপ-দপ্তর সম্পাদক থেকে পদোন্নতি পেয়ে মৃণাল কান্তি দাস হয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক। উপপ্রচার সম্পাদক থেকে পদোন্নতি পেয়ে অসীম কুমার উকিল সাংস্কৃতিক সম্পাদক হয়েছেন । শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এসেছে নতুন মুখ শাহসুন্নাহার চাপা। স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক পদের নতুন মুখ ডা. রোকেয়া।
Reporter Name 




















