ঢাকা ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

মায়ের কাছে পড়ে ৯ মাসে কোরআনের হাফেজ ৭ বছরের শিশু

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:২২:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫
  • ৯৯ বার

মাত্র ৯ মাসে মায়ের কাছে পড়ে পবিত্র কোরআন মুখস্থ করে হাফেজ হয়েছে সাত বছরের এক শিশু। বিস্ময়কর এই বালকের নাম মুহাম্মদ। সে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার সাতবাড়ীয়া গ্রামের মুফতি আবদুল্লাহ আমজাদের ছেলে।

হাফেজ মুহাম্মদের মায়ের নাম আলেমা মাছুমা জান্নাত। তিনি ‘মাছুমা জান্নাত মহিলা মাদরাসা’ নামে নিজ এলাকায় একটি মাদরাসা পরিচালনা করেন। সেখানে মা ও নানির কাছে পবিত্র কোরআনের হাফেজ হন সাত বছরের শিশু মুহাম্মদ।

শিশু মুহাম্মদের বাবা মুফতি আবদুল্লাহ আমজাদ বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের পুরো পরিবারই কোরআনের খেদমতের সঙ্গে যুক্ত। মুহাম্মদের মা, নানা-নানি সবাই হাফেজ। আমার স্ত্রীও আমার শাশুড়ির কাছে পড়ে পবিত্র কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছিল।

মুফতি আবদুল্লাহ আরও বলেন, মুহাম্মদ যেটা করেছে, এর শুকরিয়া আদায় করে শেষ করা যাবে না। আমার সন্তান একজন প্রকৃত আলেম ও ইসলামের প্রচারক এবং একজন বিশ্বসেরা হাফেজ হয়ে দেশের নাম উজ্জ্বল করবে—এমনটাই আমার আশা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মিঠামইনে উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা, আহত আরও একজন

মায়ের কাছে পড়ে ৯ মাসে কোরআনের হাফেজ ৭ বছরের শিশু

আপডেট টাইম : ১০:২২:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫

মাত্র ৯ মাসে মায়ের কাছে পড়ে পবিত্র কোরআন মুখস্থ করে হাফেজ হয়েছে সাত বছরের এক শিশু। বিস্ময়কর এই বালকের নাম মুহাম্মদ। সে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার সাতবাড়ীয়া গ্রামের মুফতি আবদুল্লাহ আমজাদের ছেলে।

হাফেজ মুহাম্মদের মায়ের নাম আলেমা মাছুমা জান্নাত। তিনি ‘মাছুমা জান্নাত মহিলা মাদরাসা’ নামে নিজ এলাকায় একটি মাদরাসা পরিচালনা করেন। সেখানে মা ও নানির কাছে পবিত্র কোরআনের হাফেজ হন সাত বছরের শিশু মুহাম্মদ।

শিশু মুহাম্মদের বাবা মুফতি আবদুল্লাহ আমজাদ বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের পুরো পরিবারই কোরআনের খেদমতের সঙ্গে যুক্ত। মুহাম্মদের মা, নানা-নানি সবাই হাফেজ। আমার স্ত্রীও আমার শাশুড়ির কাছে পড়ে পবিত্র কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছিল।

মুফতি আবদুল্লাহ আরও বলেন, মুহাম্মদ যেটা করেছে, এর শুকরিয়া আদায় করে শেষ করা যাবে না। আমার সন্তান একজন প্রকৃত আলেম ও ইসলামের প্রচারক এবং একজন বিশ্বসেরা হাফেজ হয়ে দেশের নাম উজ্জ্বল করবে—এমনটাই আমার আশা।