ঢাকা ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

প্রেমিকের লটারির ৪২ কোটি টাকা নিয়ে আরেক যুবকের সঙ্গে পালালেন তরুণী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:৩৮:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫
  • ১০০ বার

লটারিতে ৪২ কোটি টাকা জিতেছিলেন এক যুবক।খুশি হয়ে প্রেমিকাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন তা রাখার। কিন্তু সেই প্রেমিকা টাকা নিয়ে অন্য এক যুবকের সঙ্গে পালিয়ে গেলেন। কানাডার উইনপেগে ঘটেছে এই ঘটনা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, কানাডার উইনিপেগ শহরের ওই বাসিন্দার নাম লরেন্স ক্যাম্পবেল। নিজের কেনা লটারির টিকিটে ৫ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৪২ কোটি টাকা জেতেন তিনি। এরপর সেই অর্থ তুলে দেওয়ার জন্য নিজের প্রেমিকা ক্রিস্টাল অ্যান ম্যাকে-কে দায়িত্ব দেন। অথচ পরে সেই প্রেমিকা টাকা নিয়ে অন্য এক প্রেমিকসহ পালিয়ে যান!

ক্যাম্পবেল দাবি করেন, তার কাছে বৈধ পরিচয়পত্র না থাকায় তিনি নিজে লটারির টাকা তুলতে পারেননি। লটারি কর্তৃপক্ষের পরামর্শে তিনি নিজের প্রেমিকাকে টাকা তোলার দায়িত্ব দেন।  টাকা তোলার পর দুজন একটি ভিডিও রেকর্ড করেন এবং একটি ওষুধের দোকানে দাঁড়িয়ে বড় চেক হাতে ছবি তোলেন। ছবিগুলোতে যদিও ম্যাকের মুখে খুব একটা খুশির ছাপ ছিল না, তবুও ক্যাম্পবেল বিষয়টিকে তার প্রেমিকার জন্মদিন উপলক্ষে উপহার হিসেবে বর্ণনা করেন।

কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যেই ম্যাকে হঠাৎ করে ক্যাম্পবেলের সঙ্গে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। তাদের একসাথে থাকা হোটেল রুমেও আর ফেরেননি। পরে ক্যাম্পবেল যখন ম্যাকে খুঁজে পান, তখন তিনি ‘অন্য একজন পুরুষের সঙ্গে বিছানায়’, এমনটাই উল্লেখ করা হয়েছে মামলার নথিতে।

ম্যাকের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করেন, তিনি সব যোগাযোগ বন্ধ করে দেন, ফোন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে তাকে ব্লক করে দেন এবং এমনকি ক্যাম্পবেলের বিরুদ্ধে একটি প্রোটেকশন অর্ডারও নিয়ে নেন।

এই ঘটনার পর ক্যাম্পবেল ম্যানিটোবা কোর্ট অব কিং’স বেঞ্চ-এ মামলা করেন ম্যাকে-র বিরুদ্ধে। মামলায় তিনি শুধু ম্যাকেই নয়, ওয়েস্টার্ন কানাডা লটারি কর্পোরেশন এবং ম্যানিটোবা লিকর অ্যান্ড লটারি-কেও দায়ী করেছেন, কারণ তারা তাকে এমন কাউকে দিয়ে লটারির টাকা তোলার ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেনি।

ক্যাম্পবেলের আইনজীবী বলেন, ‘এই মামলা শুধু একটি ব্যক্তিগত প্রতারণা নয়, বরং এটি একটি সিস্টেমের বিরুদ্ধে লড়াই।’ অন্যদিকে, ম্যাকের আইনজীবী বলছেন, তার মক্কেল সকল অভিযোগ অস্বীকার করছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

প্রেমিকের লটারির ৪২ কোটি টাকা নিয়ে আরেক যুবকের সঙ্গে পালালেন তরুণী

আপডেট টাইম : ০৭:৩৮:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

লটারিতে ৪২ কোটি টাকা জিতেছিলেন এক যুবক।খুশি হয়ে প্রেমিকাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন তা রাখার। কিন্তু সেই প্রেমিকা টাকা নিয়ে অন্য এক যুবকের সঙ্গে পালিয়ে গেলেন। কানাডার উইনপেগে ঘটেছে এই ঘটনা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, কানাডার উইনিপেগ শহরের ওই বাসিন্দার নাম লরেন্স ক্যাম্পবেল। নিজের কেনা লটারির টিকিটে ৫ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৪২ কোটি টাকা জেতেন তিনি। এরপর সেই অর্থ তুলে দেওয়ার জন্য নিজের প্রেমিকা ক্রিস্টাল অ্যান ম্যাকে-কে দায়িত্ব দেন। অথচ পরে সেই প্রেমিকা টাকা নিয়ে অন্য এক প্রেমিকসহ পালিয়ে যান!

ক্যাম্পবেল দাবি করেন, তার কাছে বৈধ পরিচয়পত্র না থাকায় তিনি নিজে লটারির টাকা তুলতে পারেননি। লটারি কর্তৃপক্ষের পরামর্শে তিনি নিজের প্রেমিকাকে টাকা তোলার দায়িত্ব দেন।  টাকা তোলার পর দুজন একটি ভিডিও রেকর্ড করেন এবং একটি ওষুধের দোকানে দাঁড়িয়ে বড় চেক হাতে ছবি তোলেন। ছবিগুলোতে যদিও ম্যাকের মুখে খুব একটা খুশির ছাপ ছিল না, তবুও ক্যাম্পবেল বিষয়টিকে তার প্রেমিকার জন্মদিন উপলক্ষে উপহার হিসেবে বর্ণনা করেন।

কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যেই ম্যাকে হঠাৎ করে ক্যাম্পবেলের সঙ্গে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। তাদের একসাথে থাকা হোটেল রুমেও আর ফেরেননি। পরে ক্যাম্পবেল যখন ম্যাকে খুঁজে পান, তখন তিনি ‘অন্য একজন পুরুষের সঙ্গে বিছানায়’, এমনটাই উল্লেখ করা হয়েছে মামলার নথিতে।

ম্যাকের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করেন, তিনি সব যোগাযোগ বন্ধ করে দেন, ফোন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে তাকে ব্লক করে দেন এবং এমনকি ক্যাম্পবেলের বিরুদ্ধে একটি প্রোটেকশন অর্ডারও নিয়ে নেন।

এই ঘটনার পর ক্যাম্পবেল ম্যানিটোবা কোর্ট অব কিং’স বেঞ্চ-এ মামলা করেন ম্যাকে-র বিরুদ্ধে। মামলায় তিনি শুধু ম্যাকেই নয়, ওয়েস্টার্ন কানাডা লটারি কর্পোরেশন এবং ম্যানিটোবা লিকর অ্যান্ড লটারি-কেও দায়ী করেছেন, কারণ তারা তাকে এমন কাউকে দিয়ে লটারির টাকা তোলার ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেনি।

ক্যাম্পবেলের আইনজীবী বলেন, ‘এই মামলা শুধু একটি ব্যক্তিগত প্রতারণা নয়, বরং এটি একটি সিস্টেমের বিরুদ্ধে লড়াই।’ অন্যদিকে, ম্যাকের আইনজীবী বলছেন, তার মক্কেল সকল অভিযোগ অস্বীকার করছেন।