ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

২৯ এপ্রিল থেকে হজ ভিসা ছাড়া মক্কায় প্রবেশ নিষেধ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:৫০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫
  • ৭৭ বার

২৯ এপ্রিল থেকে হজ ভিসা ছাড়া অন্য ভিসাধারী যে কারও জন্য মক্কায় প্রবেশ বা শহরে অবস্থান নিষিদ্ধ করবে সউদী আরব। ২৩ এপ্রিল থেকে বৈধ পারমিট ছাড়া প্রবাসীদেরও মক্কায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হবে।

প্রবেশের অনুমতি কেবল সেই ব্যক্তিদেরই দেয়া হবে যারা মক্কায় আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত বসবাসকারী, অথবা বৈধ হজ পারমিটধারী ব্যক্তি, অথবা পবিত্র স্থানগুলিতে কাজ করার জন্য অনুমোদিত ব্যক্তি। পারমিটের জন্য অনুরোধ আবশের ইন্ডিভিজুয়াল প্ল্যাটফর্ম বা মুকিম পোর্টালের মাধ্যমে ইলেকট্রনিকভাবে জমা দেয়া যেতে পারে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, বর্তমানে উমরাহ ভিসায় সউদী আরবে অবস্থানরত সব বিদেশি নাগরিককে ২৯ এপ্রিলের মধ্যে দেশ ত্যাগ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থানকে ভিসা লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হবে।

এছাড়া, সউদীর অন্যান্য শহরে বসবাসরত বিদেশি বাসিন্দাদেরও ২৩ এপ্রিল থেকে মক্কায় প্রবেশের জন্য অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া কেউ মক্কা প্রবেশের চেষ্টা করলে চেকপয়েন্ট, বিশেষ করে আল-শুমাইসি চেকপয়েন্টে তাদের ফেরত পাঠানো হবে। তবে যাদের আবাসিক অনুমতি (ইকামা) মক্কা শহর থেকেই ইস্যু হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই বাধ্যবাধকতা প্রযোজ্য নয়।

কর্মসংক্রান্ত কারণে মক্কা বা পবিত্র স্থানগুলোতে যেতে হলে বিদেশি শ্রমিকদের ‘আবশের’ বা ‘মুকিম’ পোর্টালের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অনুমতি নিতে হবে।

এছাড়াও, উমরাহ ভিসা ইস্যুর জন্য ব্যবহৃত ‘নুসুক’ পোর্টাল থেকে ২৯ এপ্রিল থেকে ১০ জুন পর্যন্ত উমরাহ অনুমতি ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি) সদস্য দেশগুলোর নাগরিক এবং সউদীতে বিভিন্ন ভিসায় বসবাসকারী বিদেশিদের ওপর প্রযোজ্য হবে।

এই সব ব্যবস্থার লক্ষ্য হলো হজ মৌসুমে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

২৯ এপ্রিল থেকে হজ ভিসা ছাড়া মক্কায় প্রবেশ নিষেধ

আপডেট টাইম : ০৬:৫০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫

২৯ এপ্রিল থেকে হজ ভিসা ছাড়া অন্য ভিসাধারী যে কারও জন্য মক্কায় প্রবেশ বা শহরে অবস্থান নিষিদ্ধ করবে সউদী আরব। ২৩ এপ্রিল থেকে বৈধ পারমিট ছাড়া প্রবাসীদেরও মক্কায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হবে।

প্রবেশের অনুমতি কেবল সেই ব্যক্তিদেরই দেয়া হবে যারা মক্কায় আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত বসবাসকারী, অথবা বৈধ হজ পারমিটধারী ব্যক্তি, অথবা পবিত্র স্থানগুলিতে কাজ করার জন্য অনুমোদিত ব্যক্তি। পারমিটের জন্য অনুরোধ আবশের ইন্ডিভিজুয়াল প্ল্যাটফর্ম বা মুকিম পোর্টালের মাধ্যমে ইলেকট্রনিকভাবে জমা দেয়া যেতে পারে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, বর্তমানে উমরাহ ভিসায় সউদী আরবে অবস্থানরত সব বিদেশি নাগরিককে ২৯ এপ্রিলের মধ্যে দেশ ত্যাগ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থানকে ভিসা লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হবে।

এছাড়া, সউদীর অন্যান্য শহরে বসবাসরত বিদেশি বাসিন্দাদেরও ২৩ এপ্রিল থেকে মক্কায় প্রবেশের জন্য অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া কেউ মক্কা প্রবেশের চেষ্টা করলে চেকপয়েন্ট, বিশেষ করে আল-শুমাইসি চেকপয়েন্টে তাদের ফেরত পাঠানো হবে। তবে যাদের আবাসিক অনুমতি (ইকামা) মক্কা শহর থেকেই ইস্যু হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই বাধ্যবাধকতা প্রযোজ্য নয়।

কর্মসংক্রান্ত কারণে মক্কা বা পবিত্র স্থানগুলোতে যেতে হলে বিদেশি শ্রমিকদের ‘আবশের’ বা ‘মুকিম’ পোর্টালের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অনুমতি নিতে হবে।

এছাড়াও, উমরাহ ভিসা ইস্যুর জন্য ব্যবহৃত ‘নুসুক’ পোর্টাল থেকে ২৯ এপ্রিল থেকে ১০ জুন পর্যন্ত উমরাহ অনুমতি ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি) সদস্য দেশগুলোর নাগরিক এবং সউদীতে বিভিন্ন ভিসায় বসবাসকারী বিদেশিদের ওপর প্রযোজ্য হবে।

এই সব ব্যবস্থার লক্ষ্য হলো হজ মৌসুমে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা।