ঢাকা ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মদনে গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মিঠামইনে ‘তাজুল’ ইস্যুতে প্রবাসীর স্ট্যাটাস ভাইরাল, এলাকায় তোলপাড় ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে উন্নীতকরণের কাজ চলমান পুলিশে বড় নিয়োগ, কোন জেলায় পদসংখ্যা কত জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরে এসেছে আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ২ আসামির ফাঁসি, ৩ জনের যাবজ্জীবন ইহুদিদের জীবনে কিয়ামতের প্রলয়! তেল আবিব-জেরুজালেম জ্বালিয়ে দেওয়ার শপথ হিজবুল্লাহর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: বিশ্বের নজর এখন ইসলামাবাদে বাণিজ্য ঘাটতি ৮ মাসে দুই লাখ কোটি টাকা অতিক্রম শ্রমিক নিয়োগে ‘জিরো কস্ট’ নীতি, মালয়েশিয়ার বাজারে ফিরছে বাংলাদেশ

এবার আলম-শফী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৩৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৬
  • ৩৩২ বার

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদের সংখ্যা বাড়ানোর ঘোষণা এসেছে আগেই। ৭৩ সদস্যের বর্তমান কমিটি বেড়ে কত হতে পারে তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে সম্মেলন পর‌্যন্ত। দলে পদের সংখ্যা বাড়ানোর ফলে কেন্দ্রীয় কমিটিতে ডজনখানেক নতুন মুখ আসতে পারে বলছে দলটির নেতারা।

আর এই নতুন মুখ যোগ হওয়ার খবরে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন তরুণ নেতারা।

আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, দলের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের মধ্যে সাংগঠনিকভাবে দক্ষ, দল ও দলীয় নেতৃত্বের প্রতি নিবেদিতরা এবারের কাউন্সিলের মাধ্যমে মূল্যায়িত হতে পারেন। সাবেক ছাত্রনেতারাই মূলত এ ক্ষেত্রে এগিয়ে। তবে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শাহে আলম ও সাবেক ছাত্রনেতা শফী আহমেদ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, শাহে আলম ও শফী আহমেদ রাজনীতির পরীক্ষিত সৈনিক। এ দুই ছাত্রনেতা স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তারা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আসছেন বিষয়টি গত কয়েকটি সম্মেলনে আলোচনায় ছিল। কিন্তু শেষ পর‌্যন্ত দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান হয়নি তাদের। তবে এবার শিকে ছিঁড়তে পারে এ দুজনের।

নব্বইয়ের দশকে যখন ছাত্রনেতাদের নেতৃত্বে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন তুঙ্গে, তখন ছাত্রলীগে বিদ্রোহ করেন তৎকালীন সভাপতি হাবিবুর রহমান। শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কৃত হন তিনি। পরে হাবিবুর রহমানের জায়গায় সভাপতি হন শাহে আলম। সভাপতি হওয়ার আগে এবং সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর সব আন্দোলন-সংগ্রামে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের একজন নেতা বলেন, ‘স্বৈরাচারবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সামনে থেকে অংশ নেন শাহে আলম ভাই। এরপর বিরোধী দলে থাকাকালীন আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি মাঠে ছিলেন। এরপর কয়েকবার বরিশালের বানিয়াপাড়া আসনের মনোনয়নও চেয়েছিলেন, কিন্তু শেষ পর‌্যন্ত পাননি। আবার গত দুবারের সম্মেলনেও দলে পদপদবি পাননি। তাই এবার হয়তো দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসতে পারেন।’

নব্বইয়ের দশকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও পরে বিএনপিবিরোধী আন্দোলনে আরেক সক্রিয় নেতা ছিলেন শফী আহমেদ। গত দুটি জাতীয় নির্বাচনে দল থেকে মনোনয়ন পাবেন সেই গুঞ্জনও উঠেছিল। কিন্তু শেষ সময়ে আর তিনি তা পাননি।

শফী আহমেদের একজন অনুসারী বলেন, ‘শফী ভাই বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। এক-এগারোর প্রেক্ষাপটেও তিনি নেত্রীর মুক্তি আন্দোলনে মাঠে ছিলেন। আমরা আওয়ামী লীগের সভাপতির কাছে তার মূল্যায়নের দাবি করছি।’ঢাকাটাইমস

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মদনে গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

এবার আলম-শফী

আপডেট টাইম : ০৯:৩৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৬

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদের সংখ্যা বাড়ানোর ঘোষণা এসেছে আগেই। ৭৩ সদস্যের বর্তমান কমিটি বেড়ে কত হতে পারে তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে সম্মেলন পর‌্যন্ত। দলে পদের সংখ্যা বাড়ানোর ফলে কেন্দ্রীয় কমিটিতে ডজনখানেক নতুন মুখ আসতে পারে বলছে দলটির নেতারা।

আর এই নতুন মুখ যোগ হওয়ার খবরে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন তরুণ নেতারা।

আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, দলের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের মধ্যে সাংগঠনিকভাবে দক্ষ, দল ও দলীয় নেতৃত্বের প্রতি নিবেদিতরা এবারের কাউন্সিলের মাধ্যমে মূল্যায়িত হতে পারেন। সাবেক ছাত্রনেতারাই মূলত এ ক্ষেত্রে এগিয়ে। তবে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শাহে আলম ও সাবেক ছাত্রনেতা শফী আহমেদ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, শাহে আলম ও শফী আহমেদ রাজনীতির পরীক্ষিত সৈনিক। এ দুই ছাত্রনেতা স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তারা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আসছেন বিষয়টি গত কয়েকটি সম্মেলনে আলোচনায় ছিল। কিন্তু শেষ পর‌্যন্ত দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান হয়নি তাদের। তবে এবার শিকে ছিঁড়তে পারে এ দুজনের।

নব্বইয়ের দশকে যখন ছাত্রনেতাদের নেতৃত্বে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন তুঙ্গে, তখন ছাত্রলীগে বিদ্রোহ করেন তৎকালীন সভাপতি হাবিবুর রহমান। শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কৃত হন তিনি। পরে হাবিবুর রহমানের জায়গায় সভাপতি হন শাহে আলম। সভাপতি হওয়ার আগে এবং সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর সব আন্দোলন-সংগ্রামে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের একজন নেতা বলেন, ‘স্বৈরাচারবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সামনে থেকে অংশ নেন শাহে আলম ভাই। এরপর বিরোধী দলে থাকাকালীন আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি মাঠে ছিলেন। এরপর কয়েকবার বরিশালের বানিয়াপাড়া আসনের মনোনয়নও চেয়েছিলেন, কিন্তু শেষ পর‌্যন্ত পাননি। আবার গত দুবারের সম্মেলনেও দলে পদপদবি পাননি। তাই এবার হয়তো দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসতে পারেন।’

নব্বইয়ের দশকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও পরে বিএনপিবিরোধী আন্দোলনে আরেক সক্রিয় নেতা ছিলেন শফী আহমেদ। গত দুটি জাতীয় নির্বাচনে দল থেকে মনোনয়ন পাবেন সেই গুঞ্জনও উঠেছিল। কিন্তু শেষ সময়ে আর তিনি তা পাননি।

শফী আহমেদের একজন অনুসারী বলেন, ‘শফী ভাই বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। এক-এগারোর প্রেক্ষাপটেও তিনি নেত্রীর মুক্তি আন্দোলনে মাঠে ছিলেন। আমরা আওয়ামী লীগের সভাপতির কাছে তার মূল্যায়নের দাবি করছি।’ঢাকাটাইমস