ঢাকা ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

ঠাণ্ডায় গলাব্যথা বাড়তে থাকলে যা করবেন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৫৩:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪
  • ২১৪ বার

শীতের সময় ঠাণ্ডা লেগে কারও কারও গলাব্যথা হয়। গলাব্যথা মূলত গলার প্রদাহ এবং যন্ত্রণা। এর ফলে ঢোক গিলতেও কষ্ট হয়। দেশের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে তীব্র শীত। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় গলাব্যথাকে বলে ফ্যারিঞ্জাইটিস। এটি ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস সংক্রমণের কারণে হতে পারে। ভাইরাল সংক্রমণ সাধারণত স্বরে ঘটে এবং উপসর্গ অনুসারে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কিন্তু ব্যাকটেরিয়ার কারণে হলে চিকিৎসার প্রয়োজন। এ ছাড়া ধূমপান, শুষ্ক বাতাস, তামাক অথবা প্রচণ্ড দূষণেও এমনটা হতে পারে।

লক্ষণ : বড় ও শিশুদের গলায় খুসখুসে ভাব হয়। এর ফলে যন্ত্রণাদায়ক অনুভূতি হয়। যে-কোনো কিছু খেতেই কষ্ট হয়। কাশি হয়। গলার স্বর কর্কশ লাগে। গলার দুপাশে গ্রন্থি ফুলে যায়। গলার ভেতরে লালচে ভাব হয়, অস্বস্তিকর ফোলা ভাব দেখা দেয়। নাক দিয়ে পানি পড়ে, জ্বর, বমি, মাথাব্যথা ও হাঁচিÑ এসব দেখা দেয়।

যখন ঝুঁকিতে থাকবেন : যদি শিশু বা বড়দের গিলতে বা শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, বেশি জ্বর আসে এবং অন্য লক্ষণগুলো দেখা যায়, তবে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। গলাব্যথা যে-কোনো বয়সের মানুষের হতে পারে। তবে ৩ থেকে ১৫ বছরের শিশুর গলার সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি। সাধারণত, যে ব্যাকটেরিয়ার জন্য তাদের স্ট্রেপ থ্রোট হবে, তা হলো স্ট্রেপটোকক্কাস পায়োজেনাস। স্ট্রেপ সংক্রমণকে চিহ্নিত করার জন্য পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। শিশুদের এ সমস্যা হলে দ্রুতই ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।

কারণ : দূষণ, ধোঁয়া এবং ধুলোর বেশি সংস্পর্শে আসার কারণে গলা ব্যথা হয়। অ্যালার্জির কারণে গলায় ব্যথা হলে সারতে বেশি সময় লাগে। নাকের সংক্রমণ হাঁচি বা নিষ্কাশনের সময় গলার দিকে চলে যায় এবং এর ফলে গলায় সংক্রমণ হতে পারে। নাক থেকে ক্ষরিত পদার্থের জন্য গলায় অস্বস্তি হয় এবং গলায় সুড়সুড়ি ও চুলকানির অনুভূতি সৃষ্টি করে। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা বা ঘনজনবসতিপূর্ণ জায়গায় বসবাসের কারণে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের সংক্রমণে গলাব্যথা দেখা দেয়। বদ্ধ পরিবেশে বসবাসেও কারও কারও গলায় ব্যথা হতে পারে।

চিকিৎসা : ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস সংক্রমণের কারণে ফ্যারিঞ্জাইটিস অথবা গলার সংক্রমণ ঘটে। স্ট্রেপটোকক্কাস দ্বারা সংঘটিত ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হয়। যেসব বাচ্চার স্ট্রেপ সংক্রমণ হবে, তাদের অবশ্যই অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স শেষ করতে হবে। ভাইরাল সংক্রমণের কারণে গলাব্যথা হলে কোনো চিকিৎসা হোক বা না হোক, ৩ থেকে ৭ দিনের মধ্যে তা কমে যায়। যদি গলাব্যথার পাশাপাশি জ্বর থাকে, তবে প্যারাসিটামল খাওয়া যেতে পারে।

তবে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে ওষুধ সেবন করতে হবে। কখনো কখনো ফ্লু, সাধারণ ঠাণ্ডা লাগা, হাম, গনোরিয়া, চিকেনপক্স, মনোনিউক্লিওসিস ও ক্রুপ হলে প্রচণ্ড গলাব্যথা হতে পারে। এ ধরনের সমস্যা হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে এবং চিকিৎসা নিতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

ঠাণ্ডায় গলাব্যথা বাড়তে থাকলে যা করবেন

আপডেট টাইম : ১০:৫৩:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪

শীতের সময় ঠাণ্ডা লেগে কারও কারও গলাব্যথা হয়। গলাব্যথা মূলত গলার প্রদাহ এবং যন্ত্রণা। এর ফলে ঢোক গিলতেও কষ্ট হয়। দেশের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে তীব্র শীত। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় গলাব্যথাকে বলে ফ্যারিঞ্জাইটিস। এটি ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস সংক্রমণের কারণে হতে পারে। ভাইরাল সংক্রমণ সাধারণত স্বরে ঘটে এবং উপসর্গ অনুসারে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কিন্তু ব্যাকটেরিয়ার কারণে হলে চিকিৎসার প্রয়োজন। এ ছাড়া ধূমপান, শুষ্ক বাতাস, তামাক অথবা প্রচণ্ড দূষণেও এমনটা হতে পারে।

লক্ষণ : বড় ও শিশুদের গলায় খুসখুসে ভাব হয়। এর ফলে যন্ত্রণাদায়ক অনুভূতি হয়। যে-কোনো কিছু খেতেই কষ্ট হয়। কাশি হয়। গলার স্বর কর্কশ লাগে। গলার দুপাশে গ্রন্থি ফুলে যায়। গলার ভেতরে লালচে ভাব হয়, অস্বস্তিকর ফোলা ভাব দেখা দেয়। নাক দিয়ে পানি পড়ে, জ্বর, বমি, মাথাব্যথা ও হাঁচিÑ এসব দেখা দেয়।

যখন ঝুঁকিতে থাকবেন : যদি শিশু বা বড়দের গিলতে বা শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, বেশি জ্বর আসে এবং অন্য লক্ষণগুলো দেখা যায়, তবে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। গলাব্যথা যে-কোনো বয়সের মানুষের হতে পারে। তবে ৩ থেকে ১৫ বছরের শিশুর গলার সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি। সাধারণত, যে ব্যাকটেরিয়ার জন্য তাদের স্ট্রেপ থ্রোট হবে, তা হলো স্ট্রেপটোকক্কাস পায়োজেনাস। স্ট্রেপ সংক্রমণকে চিহ্নিত করার জন্য পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। শিশুদের এ সমস্যা হলে দ্রুতই ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।

কারণ : দূষণ, ধোঁয়া এবং ধুলোর বেশি সংস্পর্শে আসার কারণে গলা ব্যথা হয়। অ্যালার্জির কারণে গলায় ব্যথা হলে সারতে বেশি সময় লাগে। নাকের সংক্রমণ হাঁচি বা নিষ্কাশনের সময় গলার দিকে চলে যায় এবং এর ফলে গলায় সংক্রমণ হতে পারে। নাক থেকে ক্ষরিত পদার্থের জন্য গলায় অস্বস্তি হয় এবং গলায় সুড়সুড়ি ও চুলকানির অনুভূতি সৃষ্টি করে। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা বা ঘনজনবসতিপূর্ণ জায়গায় বসবাসের কারণে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের সংক্রমণে গলাব্যথা দেখা দেয়। বদ্ধ পরিবেশে বসবাসেও কারও কারও গলায় ব্যথা হতে পারে।

চিকিৎসা : ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস সংক্রমণের কারণে ফ্যারিঞ্জাইটিস অথবা গলার সংক্রমণ ঘটে। স্ট্রেপটোকক্কাস দ্বারা সংঘটিত ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হয়। যেসব বাচ্চার স্ট্রেপ সংক্রমণ হবে, তাদের অবশ্যই অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স শেষ করতে হবে। ভাইরাল সংক্রমণের কারণে গলাব্যথা হলে কোনো চিকিৎসা হোক বা না হোক, ৩ থেকে ৭ দিনের মধ্যে তা কমে যায়। যদি গলাব্যথার পাশাপাশি জ্বর থাকে, তবে প্যারাসিটামল খাওয়া যেতে পারে।

তবে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে ওষুধ সেবন করতে হবে। কখনো কখনো ফ্লু, সাধারণ ঠাণ্ডা লাগা, হাম, গনোরিয়া, চিকেনপক্স, মনোনিউক্লিওসিস ও ক্রুপ হলে প্রচণ্ড গলাব্যথা হতে পারে। এ ধরনের সমস্যা হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে এবং চিকিৎসা নিতে হবে।