ঢাকা ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বিলের পানিতে ডুবে ভাই-বোন নিহত এমন রাজনৈতিক চর্চা করা যাবে না, যাতে ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তনের পথ সহজ হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে ইউএনওদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আলেমদের সমাজ পরিবর্তনের প্রধান রূপকার হওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, প্রস্তুত ৭ ভেন্যু সরাসরি বিশ্বকাপে আফগানিস্তান, বাংলাদেশের ভাগ্য সেই ভারতের হাতেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত চিকিৎসক সমাজের পেশাগত উৎকর্ষতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ড্যাব : জুবাইদা রহমান জেআইসিতে এক-এগারোর সময় তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য পাওয়া গেছে: চিফ প্রসিকিউটর

শপথ ভঙ্গ করেছেন দুই মন্ত্রী : আপিল বিভাগ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩৭:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০১৬
  • ৩৯৪ বার

আদালত অবমাননার দায়ে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হককে দোষী সাব্যস্ত করে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন আপিল বিভাগ।

১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে ৫৪ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়।

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সঙ্গে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের আরো চার বিচারপতি একমত হয়েছেন।

চার বিচারপতি হলেন বিচারপতি মো. আব্দুল ওয়াহ্হাব মিয়া, বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি ইমান আলী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার।

এদিকে রায়ে ভিন্ন মত পোষণ করেছেন

তিন বিচারপতি। তারা হলেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি নিজামুল হক।

সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে দেয়া রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, দুই মন্ত্রী আইন লঙ্ঘন এবং সংবিধান রক্ষা ও সংরক্ষণে নেয়া শপথ ভঙ্গ করেছেন। তারা বিচার বিভাগকে হেয় করেছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামী নেতা মীর কাসেম আলীর চূড়ান্ত রায়ের আগে সর্বোচ্চ আদালত নিয়ে করা মন্তব্যের জন্য গত ২৭ মার্চ দুই মন্ত্রীর নিঃশর্ত ক্ষমার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন আদালত।

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে ৮ সদস্যের আপিল বেঞ্চ ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেন।

গত ৫ মার্চ ঢাকায় ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির এক গোলটেবিল বৈঠকে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক প্রধান বিচারপতির সমালোচনা করেছিলেন।

এরপর আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ তাদের প্রতি আদালত অবমাননার রুল জারি করেন। রুলের শুনানি শেষে রায় দেয়া হয়।

দুই মন্ত্রী ক্ষমা চেয়ে আদালতে আবেদন করার পর গত ২০ মার্চ শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেছিলেন, ‘দুই মন্ত্রীর বক্তব্য ঔদ্ধত্যপূর্ণ। সর্বোচ্চ আদালত অবমাননা করেছেন তারা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিলের পানিতে ডুবে ভাই-বোন নিহত

শপথ ভঙ্গ করেছেন দুই মন্ত্রী : আপিল বিভাগ

আপডেট টাইম : ১০:৩৭:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০১৬

আদালত অবমাননার দায়ে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হককে দোষী সাব্যস্ত করে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন আপিল বিভাগ।

১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে ৫৪ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়।

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সঙ্গে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের আরো চার বিচারপতি একমত হয়েছেন।

চার বিচারপতি হলেন বিচারপতি মো. আব্দুল ওয়াহ্হাব মিয়া, বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি ইমান আলী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার।

এদিকে রায়ে ভিন্ন মত পোষণ করেছেন

তিন বিচারপতি। তারা হলেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি নিজামুল হক।

সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে দেয়া রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, দুই মন্ত্রী আইন লঙ্ঘন এবং সংবিধান রক্ষা ও সংরক্ষণে নেয়া শপথ ভঙ্গ করেছেন। তারা বিচার বিভাগকে হেয় করেছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামী নেতা মীর কাসেম আলীর চূড়ান্ত রায়ের আগে সর্বোচ্চ আদালত নিয়ে করা মন্তব্যের জন্য গত ২৭ মার্চ দুই মন্ত্রীর নিঃশর্ত ক্ষমার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন আদালত।

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে ৮ সদস্যের আপিল বেঞ্চ ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেন।

গত ৫ মার্চ ঢাকায় ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির এক গোলটেবিল বৈঠকে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক প্রধান বিচারপতির সমালোচনা করেছিলেন।

এরপর আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ তাদের প্রতি আদালত অবমাননার রুল জারি করেন। রুলের শুনানি শেষে রায় দেয়া হয়।

দুই মন্ত্রী ক্ষমা চেয়ে আদালতে আবেদন করার পর গত ২০ মার্চ শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেছিলেন, ‘দুই মন্ত্রীর বক্তব্য ঔদ্ধত্যপূর্ণ। সর্বোচ্চ আদালত অবমাননা করেছেন তারা।