ঢাকা ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

ফ্ল্যাটে গেলেই দেখতাম কেউ রান্না করছে, কেউ শুয়ে আছে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৫:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ অগাস্ট ২০১৬
  • ৪০২ বার

আইনশঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে নারায়ণগঞ্জ সদরের পাইকপাড়ায় যে বাড়িটিতে তিন জঙ্গি নিহত হয়েছেন, সেটি স্থানীয়দের কাছে ‘দেওয়ানবাড়ি’ নামে পরিচিত। তিনতলা এই বাড়িটির মালিক মোহাম্মদ নূরুদ্দিন দেওয়ান। স্ত্রী ও তিন ছেলেকে নিয়ে ওই বাড়ির দ্বিতীয় তলায় থাকেন মালিক। দুই মাস আগে বাড়ির তৃতীয় তলাটিই ভাড়া নিয়েছিল তিন জঙ্গি।

জঙ্গিদের তথ্য গোপনের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া নারায়ণগঞ্জের দেওয়ান বাড়ির মালিক নুরুদ্দিন দেওয়ান বলেছেন, একমি ওষুধ কোম্পানির বিপণণ প্রতিনিধি পরিচয়ে জঙ্গিরা তার ফ্ল্যাট ভাড়া নেয়। নুরুদ্দিন দেওয়ান আরও জানান, তিনি আগে জাপানে থাকতেন। সেখান থেকে দেশে ফিরে প্রায় ১৫ বছর আগে তিন-তলা বাড়িটি করেন। এর দ্বিতীয় তলার পুরোটা নিয়ে তিনি থাকেন। তৃতীয় তলায় উত্তর ও দক্ষিণ দিকে একটি করে মোট দুটি ফ্ল্যাট আছে। এর মধ্যে উত্তর দিকের ফ্ল্যাটটি ভাড়া নেয় জঙ্গিরা।

নুরুদ্দিন জানান, কোম্পানির পরিচয়পত্র অনুসারে নিহত দুই জঙ্গির নাম মুরাদ ও রানা। যদিও পুলিশ তাদের নাম প্রাথমিকভাবে মানিক ও ইকবাল বলে জানিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ভাড়া দেওয়ার পর আমি একাধিকবার ওই বাসায় গেছি। গিয়ে দেখেছি, তারা কেউ রান্না করছে, কেউ শুয়ে আছে।’

নুরুদ্দিন আরও বলেন, ‘গত দেড় মাসে সন্দেহজনক কিছু আমার চোখে পড়েনি।’

গত শনিবার সকালে দেওয়ানবাড়িতে অভিযানে যান পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট ও সোয়াতের সদস্যরা। এতে রাজধানীর গুলশান ও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া হামলার ‘পরিকল্পনাকারী ও জোগানদাতা’ তামিম আহমেদ চৌধুরীসহ তিন জঙ্গি নিহত হন। অন্য দুই জঙ্গি হলেন মানিক (২৫) ও ইকবাল (৩৫)। ঢাকার কল্যাণপুরে পুলিশের অভিযানের পর পালিয়ে যান ইকবাল।

এ ঘটনার পর বিকেল ৬টার দিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ির মালিক, তাঁর স্ত্রী, তিন ছেলেসহ মোট আটজনকে আটক করে নিয়ে পুলিশ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

ফ্ল্যাটে গেলেই দেখতাম কেউ রান্না করছে, কেউ শুয়ে আছে

আপডেট টাইম : ১১:০৫:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ অগাস্ট ২০১৬

আইনশঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে নারায়ণগঞ্জ সদরের পাইকপাড়ায় যে বাড়িটিতে তিন জঙ্গি নিহত হয়েছেন, সেটি স্থানীয়দের কাছে ‘দেওয়ানবাড়ি’ নামে পরিচিত। তিনতলা এই বাড়িটির মালিক মোহাম্মদ নূরুদ্দিন দেওয়ান। স্ত্রী ও তিন ছেলেকে নিয়ে ওই বাড়ির দ্বিতীয় তলায় থাকেন মালিক। দুই মাস আগে বাড়ির তৃতীয় তলাটিই ভাড়া নিয়েছিল তিন জঙ্গি।

জঙ্গিদের তথ্য গোপনের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া নারায়ণগঞ্জের দেওয়ান বাড়ির মালিক নুরুদ্দিন দেওয়ান বলেছেন, একমি ওষুধ কোম্পানির বিপণণ প্রতিনিধি পরিচয়ে জঙ্গিরা তার ফ্ল্যাট ভাড়া নেয়। নুরুদ্দিন দেওয়ান আরও জানান, তিনি আগে জাপানে থাকতেন। সেখান থেকে দেশে ফিরে প্রায় ১৫ বছর আগে তিন-তলা বাড়িটি করেন। এর দ্বিতীয় তলার পুরোটা নিয়ে তিনি থাকেন। তৃতীয় তলায় উত্তর ও দক্ষিণ দিকে একটি করে মোট দুটি ফ্ল্যাট আছে। এর মধ্যে উত্তর দিকের ফ্ল্যাটটি ভাড়া নেয় জঙ্গিরা।

নুরুদ্দিন জানান, কোম্পানির পরিচয়পত্র অনুসারে নিহত দুই জঙ্গির নাম মুরাদ ও রানা। যদিও পুলিশ তাদের নাম প্রাথমিকভাবে মানিক ও ইকবাল বলে জানিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ভাড়া দেওয়ার পর আমি একাধিকবার ওই বাসায় গেছি। গিয়ে দেখেছি, তারা কেউ রান্না করছে, কেউ শুয়ে আছে।’

নুরুদ্দিন আরও বলেন, ‘গত দেড় মাসে সন্দেহজনক কিছু আমার চোখে পড়েনি।’

গত শনিবার সকালে দেওয়ানবাড়িতে অভিযানে যান পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট ও সোয়াতের সদস্যরা। এতে রাজধানীর গুলশান ও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া হামলার ‘পরিকল্পনাকারী ও জোগানদাতা’ তামিম আহমেদ চৌধুরীসহ তিন জঙ্গি নিহত হন। অন্য দুই জঙ্গি হলেন মানিক (২৫) ও ইকবাল (৩৫)। ঢাকার কল্যাণপুরে পুলিশের অভিযানের পর পালিয়ে যান ইকবাল।

এ ঘটনার পর বিকেল ৬টার দিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ির মালিক, তাঁর স্ত্রী, তিন ছেলেসহ মোট আটজনকে আটক করে নিয়ে পুলিশ।