ঢাকা ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত’ লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩৪৫০২ কোটি টাকা স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাস সংরক্ষণ করা জরুরি : সংস্কৃতি মন্ত্রী ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ সরকারের সৎ মায়ের নির্যাতন, মা’র কবরের পাশে শিশুর কান্না ভাইরাল নতুন সিদ্ধান্ত, ১০ শনিবার খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন ৫ দিনের রিমান্ডে ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে প্রায় ১১ ঘণ্টা অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী ৭ দিনের অভিযান আসাদগেট-শ্যামলীতে সব ক্লিনিক পরিদর্শন, অনিয়মে ছাড় নয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ইফতারি পণ্যেও সিন্ডিকেটের নজর

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৩০:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মার্চ ২০২৪
  • ১৬২ বার

নিত্যপণ্যের দাম ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। বাজারে নিত্যপণ্যের লাগামছাড়া দামে ক্রেতারা প্রতিনিয়ত নাজেহাল হচ্ছেন। চাল, ডাল, চিনি, লবণ, আটা-ময়দা-সব পণ্যই বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। মাছ-মাংস, সব ধরনের সবজি, পেঁয়াজ ও ডিমের দাম তো লাগামছাড়া। তেলের দাম কিছুটা কমলেও তা সহনীয় নয়। অনিয়ন্ত্রিত বাজারে এবার অসাধু ব্যবসায়ীদের নজর পড়েছে ইফতারি পণ্যের ওপর। সংকট না থাকলেও ইফতারি পণ্যের দাম বাড়িয়ে ক্রেতাদের পকেট কাটছে তারা। দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন বাজার ও এলাকার মুদি দোকানে দুই মাসের ব্যবধানে প্রতি কেজি ছোলা, মুড়ি, খেজুর, বেসন, সরিষার তেল, বুটের ডালের দাম ১০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। শরবত তৈরির উপকরণ ইসবগুলের ভুসির দামও কেজিতে বাড়ানো হয়েছে ৫০০ টাকা। এছাড়া রমজাননির্ভর বিভিন্ন খাদ্যপণ্য তৈরিতে ব্যবহার্য আলু, ধনেপাতা, পুদিনাপাতা, ট্যাং, রুহ-আফজার দামও অহেতুক বাড়ানো হয়েছে।

পরিতাপের বিষয়, প্রতিবছর রোজার আগে থেকেই বিক্রেতাদের সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করতে দেখা যায়। কারণ ছাড়াই দাম বাড়িয়ে বিক্রি করাটা যেন ‘সংস্কৃতি’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ব্যাপারে বারবার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয় না। বাজার তদারকি সংস্থা, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নানা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলছে। তারা দাম বাড়বে না এমন আশ্বাস দিলেও বাজারের চিত্র পুরোটাই ভিন্ন। বাড়তি দরেই সব পণ্য কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতারা। আমরা মনে করি, সরকারের উদ্যোগ ও আশ্বাসের পরও কেন তা কার্যকর হয় না, সে রহস্য উদ্ঘাটনে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। রোজার আগে পণ্যমূল্য সহনীয় রাখতে এ সময়ে সার্বিকভাবে বাজার তদারকি বৃদ্ধি এবং দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তবে তার আগে বাজার তদারকি সংস্থার কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে অসাধু ব্যবসায়ীদের আঁতাত রয়েছে কিনা অর্থাৎ সরষের ভেতরেই ভূত রয়েছে কিনা, তা বের করা জরুরি। তা না হলে পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটানো অসম্ভব। অন্যান্য দেশে বাজারে কোনো পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধির আগেই গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সিন্ডিকেটের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে আগাম সতর্ক করে দেয়। আমাদের দেশেও এ রীতি চালু করা প্রয়োজন। বাস্তবতার নিরিখেই এ ধরনের বিশেষ সংস্থাকে কার্যকর করা দরকার। সরকার পণ্যমূল্য সহনীয় রাখতে জোরালো পদক্ষেপ নেবে, এটাই প্রত্যাশা।

 

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত’ লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর

ইফতারি পণ্যেও সিন্ডিকেটের নজর

আপডেট টাইম : ০৫:৩০:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মার্চ ২০২৪

নিত্যপণ্যের দাম ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। বাজারে নিত্যপণ্যের লাগামছাড়া দামে ক্রেতারা প্রতিনিয়ত নাজেহাল হচ্ছেন। চাল, ডাল, চিনি, লবণ, আটা-ময়দা-সব পণ্যই বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। মাছ-মাংস, সব ধরনের সবজি, পেঁয়াজ ও ডিমের দাম তো লাগামছাড়া। তেলের দাম কিছুটা কমলেও তা সহনীয় নয়। অনিয়ন্ত্রিত বাজারে এবার অসাধু ব্যবসায়ীদের নজর পড়েছে ইফতারি পণ্যের ওপর। সংকট না থাকলেও ইফতারি পণ্যের দাম বাড়িয়ে ক্রেতাদের পকেট কাটছে তারা। দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন বাজার ও এলাকার মুদি দোকানে দুই মাসের ব্যবধানে প্রতি কেজি ছোলা, মুড়ি, খেজুর, বেসন, সরিষার তেল, বুটের ডালের দাম ১০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। শরবত তৈরির উপকরণ ইসবগুলের ভুসির দামও কেজিতে বাড়ানো হয়েছে ৫০০ টাকা। এছাড়া রমজাননির্ভর বিভিন্ন খাদ্যপণ্য তৈরিতে ব্যবহার্য আলু, ধনেপাতা, পুদিনাপাতা, ট্যাং, রুহ-আফজার দামও অহেতুক বাড়ানো হয়েছে।

পরিতাপের বিষয়, প্রতিবছর রোজার আগে থেকেই বিক্রেতাদের সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করতে দেখা যায়। কারণ ছাড়াই দাম বাড়িয়ে বিক্রি করাটা যেন ‘সংস্কৃতি’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ব্যাপারে বারবার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয় না। বাজার তদারকি সংস্থা, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নানা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলছে। তারা দাম বাড়বে না এমন আশ্বাস দিলেও বাজারের চিত্র পুরোটাই ভিন্ন। বাড়তি দরেই সব পণ্য কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতারা। আমরা মনে করি, সরকারের উদ্যোগ ও আশ্বাসের পরও কেন তা কার্যকর হয় না, সে রহস্য উদ্ঘাটনে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। রোজার আগে পণ্যমূল্য সহনীয় রাখতে এ সময়ে সার্বিকভাবে বাজার তদারকি বৃদ্ধি এবং দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তবে তার আগে বাজার তদারকি সংস্থার কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে অসাধু ব্যবসায়ীদের আঁতাত রয়েছে কিনা অর্থাৎ সরষের ভেতরেই ভূত রয়েছে কিনা, তা বের করা জরুরি। তা না হলে পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটানো অসম্ভব। অন্যান্য দেশে বাজারে কোনো পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধির আগেই গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সিন্ডিকেটের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে আগাম সতর্ক করে দেয়। আমাদের দেশেও এ রীতি চালু করা প্রয়োজন। বাস্তবতার নিরিখেই এ ধরনের বিশেষ সংস্থাকে কার্যকর করা দরকার। সরকার পণ্যমূল্য সহনীয় রাখতে জোরালো পদক্ষেপ নেবে, এটাই প্রত্যাশা।