ঢাকা ০২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ৬২৩, নিখোঁজ ২৪৮২ অটোরিকশাচালক থেকে কোটিপতি, আ.লীগ পুনর্বাসনের কারিগর কে এই ফিরোজ জেনে নিন বিনাখরচে কিভাবে মালয়েশিয়ায় যাওয়া যাবে নেপালে শুটিংয়ে গিয়ে তাণ্ডবের মুখোমুখি অপু, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা ৪২ কি.মি. যানজট: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আটকা শত শত গাড়ি ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব উপজেলায় আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ এনসিপির সারা দেশে বিশেষ অভিযানের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন আইরিন খান ১০১ মণের ‘বরকতি ড্যাগের’ খিচুড়ি, খেলেই নাকি রোগমুক্তি ও সন্তান লাভ

মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’র হিসাব রক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:০৭:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুলাই ২০২৪
  • ২১৭ বার

নিজাম (নেত্রকোণা) প্রতিনিধিঃ মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারি কাম-হিসাব রক্ষক মিজবাহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চালক আবুল হুসাইন মোঃ শহিদুল ইসলাম উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

লিখিত অভিযোগ ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স এর জন্য ৪টি টায়ার, এক সেট ব্রেক পেড, এক সেট ব্রেক শো এর জন্য আবেদন করেন চালক শহিদুল ইসলাম। আবেদন মঞ্জুর করে মালপত্র ক্রয় করার জন্য ১ লক্ষ ১১ হাজার ৮৭৫ টাকা বরাদ্দ দেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। কিন্তু বিল রেজিস্টারে ৪টি টায়ার এর স্থলে ৫ টি টায়ার দেখিয়ে ১০ টাকা মূল্যের স্ট্যাম্পে চালক শহিদুল ইসলামের স্বাক্ষর নেন হিসাব রক্ষক মিজবাহ উদ্দিন।

পরে বরাদ্দের টাকা উত্তোলণ করে মালপত্র না কিনে নিজের কাছে রেখে দেন। অ্যাম্বুলেন্স চালক টায়ার কিনতে চাইলে হিসাব রক্ষক টাকা না দিয়ে নিজে ক্রয় করবেন বলে জানান। এ নিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভিতরে চালক ও হিসাব রক্ষকের মধ্যে তর্কবির্তক হয়। অ্যাম্বুলেন্সের মালপত্র ক্রয় না করে টাকা আত্মসাত করেছে বলে চালক শহিদুল ইসলাম হিসাব রক্ষক মিজবাহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ২ জুলাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারি কাম-হিসাবরক্ষক মিজবাহ উদ্দিন জানান, অ্যাম্বুলেন্সের ৪টি টায়ার ক্রয় করার জন্য স্যারের (উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা) নির্দেশে ১ লক্ষ ১১ হাজার ৮৭৫ টাকা উত্তোলণ করি। অ্যাম্বুলেন্স চালককে সাথে নিয়ে ময়মনসিংহ থেকে গাড়ির মালপত্র ক্রয় করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু চালক নগদ টাকা নিতে চায়। আমি এতে অসম্মতি জানালে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়াগায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্যও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার নূরুল হুদা খান জানান, অ্যাম্বুলেন্স চালক শহিদুল ইসলাম হিসাব রক্ষক মিজবাহ উদ্দিনকে নিয়ে গাড়ির মালপত্র কিনবে বলে নির্দেশ দিয়েছিলাম। কিন্তু শুনেছি চালক হিসাবরক্ষককে সাথে নিয়ে মালপত্র কিনতে রাজি নন। এ নিয়ে চালক ইউএনও সাহেবের নিকট হিসাবরক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ শাহ আলম মিয়া জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চালকের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি যাচাই-বাছাই করার জন্য একটি তদন্ত টিম গঠন করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে

মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’র হিসাব রক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৬:০৭:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুলাই ২০২৪

নিজাম (নেত্রকোণা) প্রতিনিধিঃ মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারি কাম-হিসাব রক্ষক মিজবাহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চালক আবুল হুসাইন মোঃ শহিদুল ইসলাম উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

লিখিত অভিযোগ ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স এর জন্য ৪টি টায়ার, এক সেট ব্রেক পেড, এক সেট ব্রেক শো এর জন্য আবেদন করেন চালক শহিদুল ইসলাম। আবেদন মঞ্জুর করে মালপত্র ক্রয় করার জন্য ১ লক্ষ ১১ হাজার ৮৭৫ টাকা বরাদ্দ দেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। কিন্তু বিল রেজিস্টারে ৪টি টায়ার এর স্থলে ৫ টি টায়ার দেখিয়ে ১০ টাকা মূল্যের স্ট্যাম্পে চালক শহিদুল ইসলামের স্বাক্ষর নেন হিসাব রক্ষক মিজবাহ উদ্দিন।

পরে বরাদ্দের টাকা উত্তোলণ করে মালপত্র না কিনে নিজের কাছে রেখে দেন। অ্যাম্বুলেন্স চালক টায়ার কিনতে চাইলে হিসাব রক্ষক টাকা না দিয়ে নিজে ক্রয় করবেন বলে জানান। এ নিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভিতরে চালক ও হিসাব রক্ষকের মধ্যে তর্কবির্তক হয়। অ্যাম্বুলেন্সের মালপত্র ক্রয় না করে টাকা আত্মসাত করেছে বলে চালক শহিদুল ইসলাম হিসাব রক্ষক মিজবাহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ২ জুলাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারি কাম-হিসাবরক্ষক মিজবাহ উদ্দিন জানান, অ্যাম্বুলেন্সের ৪টি টায়ার ক্রয় করার জন্য স্যারের (উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা) নির্দেশে ১ লক্ষ ১১ হাজার ৮৭৫ টাকা উত্তোলণ করি। অ্যাম্বুলেন্স চালককে সাথে নিয়ে ময়মনসিংহ থেকে গাড়ির মালপত্র ক্রয় করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু চালক নগদ টাকা নিতে চায়। আমি এতে অসম্মতি জানালে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়াগায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্যও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার নূরুল হুদা খান জানান, অ্যাম্বুলেন্স চালক শহিদুল ইসলাম হিসাব রক্ষক মিজবাহ উদ্দিনকে নিয়ে গাড়ির মালপত্র কিনবে বলে নির্দেশ দিয়েছিলাম। কিন্তু শুনেছি চালক হিসাবরক্ষককে সাথে নিয়ে মালপত্র কিনতে রাজি নন। এ নিয়ে চালক ইউএনও সাহেবের নিকট হিসাবরক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ শাহ আলম মিয়া জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চালকের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি যাচাই-বাছাই করার জন্য একটি তদন্ত টিম গঠন করা হবে।