ঢাকা ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকে পুরোনো মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীকে দুই বিষয়ে সতর্ক থাকতে বললেন মির্জা আব্বাস ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল সমাবেশ জনগণের প্রয়োজনে যেকোনো সময় আন্দোলনের ডাক: ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাসের সেরা ২ নারী গোয়েন্দা ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, লক্ষ্য কী দক্ষিণখানে অস্ত্র-মাদকসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

গাজায় একদিনে একই পরিবারের ৪২ সদস্য নিহত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৩৬:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০২৩
  • ১৪৭ বার

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী একটি ফিলিস্তিনি পরিবার বলেছে, ইসরাইল-হামাস চলমান যুদ্ধে একদিনে তাদের পরিবারের ৪২ জন আত্মীয় নিহত হওয়ার খবর পেয়েছেন।

সিএনএনের সঙ্গে কথা বলার সময় তারিক হামুদা ও তার স্ত্রী মানাল জানান, তিন প্রজন্মকে একসঙ্গে হারিয়েছেন।

আরও বলেন, ১৯ অক্টোবর গাজা শহরের শেখ ইজলিন অঞ্চলে ইসরাইলি বিমান হামলায় পরিবারের সদস্যরা নিহত হন।

বুধবার সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, তারিক হামুদা ও তার স্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের শহর মানাল মিনেসোটার ম্যাপেল গ্রোভে থাকেন। তারা গাজার একই অঞ্চলের বাসিন্দা ছিলেন। কিন্তু ২০০৪ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন।

তারিক বলেন, ১৯ অক্টোবরের দুটি বিস্ফোরণে মানালের বাড়ি ধ্বংস হয়ে যায়। প্রাণঘাতী এ হামলার ফলে তার চার ভাই, এক বোন ও তাদের সন্তানদের চিরতরে হারিয়ে ফেলেন।

আরও বলেন, ‘আমার স্ত্রী পরিবারের প্রতিটি সদস্যকে ভালোবাসতেন। সে তার পরিবারের সঙ্গে গ্রীষ্ম কাটিয়েছে।’

মৃতদের জন্য শোক করার থেকেও, যুদ্ধবিধ্বস্ত শহরে যারা বেঁচে আছেন তাদের নিয়ে চিন্তিত তারিক। মিসেস মানালের চাচাতো ভাই ইয়াদ আবু শাবানও তার পরিবারের সদস্যদের মৃত্যুর খবর পেয়ে সমানভাবে উদ্বিগ্ন। ইয়াদ থাকেন সাউথ ফ্লোরিডায়।

বলেন, ‘এ খবরে যেন আমার পুরো পৃথিবী থমকে গেছে। এটি এক, দুই, তিন, বা চার নয়-এটি ৪২ সদস্য। এর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সত্যিই কঠিন।’

ইয়াদের মতে, নিহতদের বয়স ৩ মাস থেকে ৭৭। সিএনএনের সঙ্গে কথা বলার সময়, তিনি দাবি করেছিলেন, বিমান হামলার আগে, ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ফোন করেছিল যে এলাকায় সামরিক তৎপরতা থাকতে পারে। কিন্তু কখনই তাদের বাড়ি খালি করতে বলা হয়নি। তারা সতর্কতাসহ এবং সতর্কতা ছাড়াই বাড়িগুলোতে বোমা হামলা চালিয়েছে। তাদের কোথাও যাওয়ার সুযোগ ছিল না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

গাজায় একদিনে একই পরিবারের ৪২ সদস্য নিহত

আপডেট টাইম : ১২:৩৬:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০২৩

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী একটি ফিলিস্তিনি পরিবার বলেছে, ইসরাইল-হামাস চলমান যুদ্ধে একদিনে তাদের পরিবারের ৪২ জন আত্মীয় নিহত হওয়ার খবর পেয়েছেন।

সিএনএনের সঙ্গে কথা বলার সময় তারিক হামুদা ও তার স্ত্রী মানাল জানান, তিন প্রজন্মকে একসঙ্গে হারিয়েছেন।

আরও বলেন, ১৯ অক্টোবর গাজা শহরের শেখ ইজলিন অঞ্চলে ইসরাইলি বিমান হামলায় পরিবারের সদস্যরা নিহত হন।

বুধবার সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, তারিক হামুদা ও তার স্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের শহর মানাল মিনেসোটার ম্যাপেল গ্রোভে থাকেন। তারা গাজার একই অঞ্চলের বাসিন্দা ছিলেন। কিন্তু ২০০৪ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন।

তারিক বলেন, ১৯ অক্টোবরের দুটি বিস্ফোরণে মানালের বাড়ি ধ্বংস হয়ে যায়। প্রাণঘাতী এ হামলার ফলে তার চার ভাই, এক বোন ও তাদের সন্তানদের চিরতরে হারিয়ে ফেলেন।

আরও বলেন, ‘আমার স্ত্রী পরিবারের প্রতিটি সদস্যকে ভালোবাসতেন। সে তার পরিবারের সঙ্গে গ্রীষ্ম কাটিয়েছে।’

মৃতদের জন্য শোক করার থেকেও, যুদ্ধবিধ্বস্ত শহরে যারা বেঁচে আছেন তাদের নিয়ে চিন্তিত তারিক। মিসেস মানালের চাচাতো ভাই ইয়াদ আবু শাবানও তার পরিবারের সদস্যদের মৃত্যুর খবর পেয়ে সমানভাবে উদ্বিগ্ন। ইয়াদ থাকেন সাউথ ফ্লোরিডায়।

বলেন, ‘এ খবরে যেন আমার পুরো পৃথিবী থমকে গেছে। এটি এক, দুই, তিন, বা চার নয়-এটি ৪২ সদস্য। এর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সত্যিই কঠিন।’

ইয়াদের মতে, নিহতদের বয়স ৩ মাস থেকে ৭৭। সিএনএনের সঙ্গে কথা বলার সময়, তিনি দাবি করেছিলেন, বিমান হামলার আগে, ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ফোন করেছিল যে এলাকায় সামরিক তৎপরতা থাকতে পারে। কিন্তু কখনই তাদের বাড়ি খালি করতে বলা হয়নি। তারা সতর্কতাসহ এবং সতর্কতা ছাড়াই বাড়িগুলোতে বোমা হামলা চালিয়েছে। তাদের কোথাও যাওয়ার সুযোগ ছিল না।