ঢাকা ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকে পুরোনো মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীকে দুই বিষয়ে সতর্ক থাকতে বললেন মির্জা আব্বাস ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল সমাবেশ জনগণের প্রয়োজনে যেকোনো সময় আন্দোলনের ডাক: ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাসের সেরা ২ নারী গোয়েন্দা ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, লক্ষ্য কী দক্ষিণখানে অস্ত্র-মাদকসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

৩৩ ট্রাক ত্রাণ প্রবেশ করলো গাজায়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৩২:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৩
  • ১৪৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ৭ অক্টোবর সংঘাত শুরুর পর যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনে এটি সর্ববৃহৎ ত্রাণ বহর। গতকাল রোববার পানি, খাদ্য ও ওষুধ নিয়ে এসব ট্রাক মিসর থেকে রাফা সীমান্ত দিয়ে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডটিতে ঢোকে ৩৩ ট্রাক ত্রাণ। রাফা সীমান্তের মুখপাত্র ওয়ায়েল আবো ওমর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ওসিএইচও আজ সোমবার পাঠানো গাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে হালনাগাদ  তথ্যে বলেছে, ‘এটি হচ্ছে ২১ অক্টোবরের পর গাজায় পাঠানো মানবিক সহায়তার বৃহত্তম চালান। ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে লড়াই শুরু হওয়ার পর ২১ অক্টোবর প্রথমবারের মতো সীমিত পরিসরে ত্রাণ সরবরাহ ফের শুরু করা হয়।’

তারা জানায়, ফের ত্রাণ সরবরাহ শুরু হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত ১১৭ ট্রাক ত্রাণ সামগ্রী গাজায় প্রবেশ করেছে। গাজা উপত্যকা একেবারে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে এবং অবিরাম ইসরায়েলি বোমাবর্ষণের মুখোমুখি হচ্ছে।

খবরে বলা হয়, অবরুদ্ধ হয়ে পড়ার আগে গাজায় প্রতিদিন প্রায় ৫শ’ ট্রাক সাহায্য এবং অন্যান্য পণ্য প্রবেশ করতো।

৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালায় হামাস। এর জবাবে সেদিন থেকেই গাজায় অনবরত হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। এতে গতকাল পর্যন্ত ৮ হাজার ৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ২০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন বলে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়মিত ব্রিফিংয়ে জানিয়েছে। এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রায় এক হাজার মরদেহ পড়ে আছে। এ ছাড়া পশ্চিম তীরেও হামলা বাড়িয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। সেখানে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১২।

অন্যদিকে ইসরায়েলে ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ সংগঠন হামাসের হামলায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে ৩৩১ জন সেনা। এ ছাড়া নিজেদের বন্দীদের মুক্ত করে আনতে দুই শতাধিক ইসরায়েলিকে জিম্মি করে রেখেছেন হামাস যোদ্ধারা। জিম্মিদের বেশ কয়েকজন পশ্চিমা দেশগুলোর দ্বৈত নাগরিক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

৩৩ ট্রাক ত্রাণ প্রবেশ করলো গাজায়

আপডেট টাইম : ০৫:৩২:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৩

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ৭ অক্টোবর সংঘাত শুরুর পর যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনে এটি সর্ববৃহৎ ত্রাণ বহর। গতকাল রোববার পানি, খাদ্য ও ওষুধ নিয়ে এসব ট্রাক মিসর থেকে রাফা সীমান্ত দিয়ে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডটিতে ঢোকে ৩৩ ট্রাক ত্রাণ। রাফা সীমান্তের মুখপাত্র ওয়ায়েল আবো ওমর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ওসিএইচও আজ সোমবার পাঠানো গাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে হালনাগাদ  তথ্যে বলেছে, ‘এটি হচ্ছে ২১ অক্টোবরের পর গাজায় পাঠানো মানবিক সহায়তার বৃহত্তম চালান। ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে লড়াই শুরু হওয়ার পর ২১ অক্টোবর প্রথমবারের মতো সীমিত পরিসরে ত্রাণ সরবরাহ ফের শুরু করা হয়।’

তারা জানায়, ফের ত্রাণ সরবরাহ শুরু হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত ১১৭ ট্রাক ত্রাণ সামগ্রী গাজায় প্রবেশ করেছে। গাজা উপত্যকা একেবারে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে এবং অবিরাম ইসরায়েলি বোমাবর্ষণের মুখোমুখি হচ্ছে।

খবরে বলা হয়, অবরুদ্ধ হয়ে পড়ার আগে গাজায় প্রতিদিন প্রায় ৫শ’ ট্রাক সাহায্য এবং অন্যান্য পণ্য প্রবেশ করতো।

৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালায় হামাস। এর জবাবে সেদিন থেকেই গাজায় অনবরত হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। এতে গতকাল পর্যন্ত ৮ হাজার ৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ২০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন বলে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়মিত ব্রিফিংয়ে জানিয়েছে। এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রায় এক হাজার মরদেহ পড়ে আছে। এ ছাড়া পশ্চিম তীরেও হামলা বাড়িয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। সেখানে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১২।

অন্যদিকে ইসরায়েলে ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ সংগঠন হামাসের হামলায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে ৩৩১ জন সেনা। এ ছাড়া নিজেদের বন্দীদের মুক্ত করে আনতে দুই শতাধিক ইসরায়েলিকে জিম্মি করে রেখেছেন হামাস যোদ্ধারা। জিম্মিদের বেশ কয়েকজন পশ্চিমা দেশগুলোর দ্বৈত নাগরিক।