ঢাকা ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকে পুরোনো মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীকে দুই বিষয়ে সতর্ক থাকতে বললেন মির্জা আব্বাস ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল সমাবেশ জনগণের প্রয়োজনে যেকোনো সময় আন্দোলনের ডাক: ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাসের সেরা ২ নারী গোয়েন্দা ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, লক্ষ্য কী দক্ষিণখানে অস্ত্র-মাদকসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

আফগানিস্তানে নারী শিক্ষায় নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে গুতেরেসের আহ্বান

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৩৪:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • ১৩৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জাতিসংঘের মহাসচিব সোমবার আফগানিস্তানের তালিবানের কাছে কিশোরী মেয়েদের উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ার অনুমতি দেওয়ার জন্য পুনরায় দাবি জানিয়েছেন।

আন্তনিও গুতেরেস এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক ট্যুইটার) বলেন, “এটি মানবাধিকারের অযৌক্তিক লঙ্ঘন যা গোটা দেশকে দীর্ঘস্থায়ীভাবে ক্ষতি করবে।” পাশাপাশি তিনি যোগ করেন, “মেয়েদের স্থান বিদ্যালয়ে। তাদের ফিরতে দিন।” স্বীকৃতিহীন এই সরকারের শিক্ষায় নিষেধাজ্ঞা চাপানোর দুই বছর পূর্তিতে তাঁর এই বিবৃতি।

২০২১ সালে আন্তর্জাতিকভাবে সাহায্যপুষ্ট সরকারের কাছ থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে নিয়েছিল তালিবান। তারপর থেকে আফগান নারীদের শিক্ষা ও কাজের ক্ষেত্রে ব্যাপক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে তারা। ষষ্ঠ শ্রেণির পর মেয়েদের বিদ্যালয়ে পড়াশোনার উপর তারা নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে। এর ফলে, আফগানিস্তান হয়ে উঠেছে বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে নারীশিক্ষার উপর বিধিনিষেধ রয়েছে।

গত সপ্তাহে গুতেরেস সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আফগানিস্তানের নারী ও মেয়েদের অধিকার “সমস্ত উদ্বেগের একেবারে কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।” নিউইয়র্কে সোমবার অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘের সাধারণ সভার অধিবেশনের আলোচ্যসূচিতেও থাকবে এই বিষয়টি।

জরুরি অবস্থা ও দীর্ঘায়িত সংকটে শিক্ষার জন্য জাতিসংঘের বৈশ্বিক তহবিল ‘এডুকেশন ক্যানট ওয়েটট’ এই নিষেধাজ্ঞাকে সর্বজনীন মানবাধিকারের লঙ্ঘন বলে নিন্দা করেছে।

এই সংস্থা বলেছে, “স্কুলে যাওয়ার বয়সী ৮০ শতাংশ আফগান মেয়েই এখন বিদ্যালয়ের চৌহদ্দির বাইরে। ২.৫ মিলিয়ন মেয়ে নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও শিক্ষার সুবিধা সংক্রান্ত অধিকার থেকে বঞ্চিত। এটা তাদের একান্ত মানবিক অধিকার।”

সূত্র: ভয়েস অব আমেরিকা 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আফগানিস্তানে নারী শিক্ষায় নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে গুতেরেসের আহ্বান

আপডেট টাইম : ১২:৩৪:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জাতিসংঘের মহাসচিব সোমবার আফগানিস্তানের তালিবানের কাছে কিশোরী মেয়েদের উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ার অনুমতি দেওয়ার জন্য পুনরায় দাবি জানিয়েছেন।

আন্তনিও গুতেরেস এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক ট্যুইটার) বলেন, “এটি মানবাধিকারের অযৌক্তিক লঙ্ঘন যা গোটা দেশকে দীর্ঘস্থায়ীভাবে ক্ষতি করবে।” পাশাপাশি তিনি যোগ করেন, “মেয়েদের স্থান বিদ্যালয়ে। তাদের ফিরতে দিন।” স্বীকৃতিহীন এই সরকারের শিক্ষায় নিষেধাজ্ঞা চাপানোর দুই বছর পূর্তিতে তাঁর এই বিবৃতি।

২০২১ সালে আন্তর্জাতিকভাবে সাহায্যপুষ্ট সরকারের কাছ থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে নিয়েছিল তালিবান। তারপর থেকে আফগান নারীদের শিক্ষা ও কাজের ক্ষেত্রে ব্যাপক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে তারা। ষষ্ঠ শ্রেণির পর মেয়েদের বিদ্যালয়ে পড়াশোনার উপর তারা নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে। এর ফলে, আফগানিস্তান হয়ে উঠেছে বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে নারীশিক্ষার উপর বিধিনিষেধ রয়েছে।

গত সপ্তাহে গুতেরেস সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আফগানিস্তানের নারী ও মেয়েদের অধিকার “সমস্ত উদ্বেগের একেবারে কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।” নিউইয়র্কে সোমবার অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘের সাধারণ সভার অধিবেশনের আলোচ্যসূচিতেও থাকবে এই বিষয়টি।

জরুরি অবস্থা ও দীর্ঘায়িত সংকটে শিক্ষার জন্য জাতিসংঘের বৈশ্বিক তহবিল ‘এডুকেশন ক্যানট ওয়েটট’ এই নিষেধাজ্ঞাকে সর্বজনীন মানবাধিকারের লঙ্ঘন বলে নিন্দা করেছে।

এই সংস্থা বলেছে, “স্কুলে যাওয়ার বয়সী ৮০ শতাংশ আফগান মেয়েই এখন বিদ্যালয়ের চৌহদ্দির বাইরে। ২.৫ মিলিয়ন মেয়ে নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও শিক্ষার সুবিধা সংক্রান্ত অধিকার থেকে বঞ্চিত। এটা তাদের একান্ত মানবিক অধিকার।”

সূত্র: ভয়েস অব আমেরিকা