ঢাকা ১০:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

এখন চাওয়া-পাওয়ার সময় নয়, আগে দেশ বাঁচান : খালেদা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০০:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন ২০১৬
  • ৩৬৫ বার

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, এখন চাওয়া-পাওয়ার সময় নয়, আগে দেশ বাঁচান। আজ বড় কথা হলো- গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হবে, দেশটাকে রক্ষা করতে হবে ও মানুষের কল্যাণে আবারো ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

পবিত্র মাহে রমজানের দশম দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ইস্কাটনের লেডিস ক্লাব মিলনায়তনে ২০ দলীয় জোটের শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) ইফতার মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি।

রাজনৈতিক নেতাদের সম্মানে আয়োজিত এ ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন এলডিপির সভাপতি ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম।

সরকারকে অযোগ্য, দুর্নীতিবাজ ও খুনি আখ্যা দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, সরকার নিজেই রাষ্ট্রদ্রোহী। কারণ বর্তমান অবৈধ সরকার রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গোপন ষড়যন্ত্র করছে। যেটা জনগণ জানে না।

বেগম জিয়া বলেন, সামনে নিশ্চয় শুভদিন আসবে। আসুন, আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশকে রক্ষা করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করি, যাতে জনগণের কল্যাণ করা যায়।

সরকার পুরো দেশটাকেই কারাগার বানিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জঙ্গি দমনে সাঁড়াশি অভিযানের নামে এখন পর্যন্ত ১২ হাজারের অধিক মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের প্রায় ২ হাজার ৭শ’ জন নেতাকর্মী রয়েছে।

খালেদা জিয়া বলেন, সরকারের লক্ষ্য সন্ত্রাসী ধরা নয়। জঙ্গি দমনের নামে বিএনপি ও এর সমর্থক, অন্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং বিএনপিকে যারা ভালোবাসেন তাদের জেল খাটানোই আসল লক্ষ্য।

তিনি বলেন, পত্রিকা খুললেই দেখা যায়, সরকার নিরীহ মানুষকে ধরে পুলিশ ভ্যানে ভরছে। আর তাদের স্বজনরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আহজারি করছে। কিন্তু তারা কিছুই করতে পারছে না। এই হচ্ছে সরকারের দেশ চালানোর নমুনা।

ইফতারের আগে খালেদা জিয়া টেবিল ঘুরে ঘুরে অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজ-খবর নেন। এর আগে সন্ধ্যা ৬টা ৩৮ মিনিটে ইফতার মাহফিলে এসে পৌঁছেন তিনি।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে একই টেবিলে বসে ইফতার করেন এলডিপির সভাপতি ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুল করিম আব্বাসী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য আব্দুল হালিম, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীক, বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের (বিএমএল) সভাপতি এএইচএম কামরুজ্জামান খান, এনডিপির চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান পেশোয়ারী, এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাতীয় পার্টির (জাফর) প্রেসিডিয়াম সদস্য আহসান হাবিব লিংকন, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মহিউদ্দিন ইকরাম, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, ডেমোক্রেটিক লীগের (ডিএল) সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, পিপলস লীগের মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুব হোসেন, ইসলামিক পার্টির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মো. এজাজ হোসেন, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ আহমেদ প্রমুখ।

ইফতারে বিএনপি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল্লাহ আল নোমান, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, বেগম সেলিমা রহমান, ব্যারিস্টার হায়দার আলী, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ।

ইফতার মাহফিলে ২০ দলীয় জোট নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে সূরা সদস্য ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা, জাগপার সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান ও সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন বাবলু, বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এম এম আমিনুর রহমান, লেবার পার্টির মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহেদী, বিএমএল’র মহাসচিব অ্যাডভোকেট শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, এনপিপির মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, এনডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য মঞ্জুর হোসেন ঈসা, যুগ্ম মহাসচিব ফরিদ উদ্দিন, ডিএল যুগ্ম সম্পাদক খোকন চন্দ্র দাস প্রমুখ।

ইফতারে এলডিপির নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মো. আব্দুল্লাহ, মামদুদুর রহমান চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, যুগ্ম মহাসচিব খালেদ সাইফুল্লাহ প্রমুখ।

বেগম জিয়া বলেন, ছাত্রলীগ বা আওয়ামী লীগের কেউ অবাধে অস্ত্র নিয়ে ঘুরলেও তাদের ধরা হয় না। ধরলেও তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

এখন চাওয়া-পাওয়ার সময় নয়, আগে দেশ বাঁচান : খালেদা

আপডেট টাইম : ১১:০০:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন ২০১৬

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, এখন চাওয়া-পাওয়ার সময় নয়, আগে দেশ বাঁচান। আজ বড় কথা হলো- গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হবে, দেশটাকে রক্ষা করতে হবে ও মানুষের কল্যাণে আবারো ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

পবিত্র মাহে রমজানের দশম দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ইস্কাটনের লেডিস ক্লাব মিলনায়তনে ২০ দলীয় জোটের শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) ইফতার মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি।

রাজনৈতিক নেতাদের সম্মানে আয়োজিত এ ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন এলডিপির সভাপতি ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম।

সরকারকে অযোগ্য, দুর্নীতিবাজ ও খুনি আখ্যা দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, সরকার নিজেই রাষ্ট্রদ্রোহী। কারণ বর্তমান অবৈধ সরকার রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গোপন ষড়যন্ত্র করছে। যেটা জনগণ জানে না।

বেগম জিয়া বলেন, সামনে নিশ্চয় শুভদিন আসবে। আসুন, আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশকে রক্ষা করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করি, যাতে জনগণের কল্যাণ করা যায়।

সরকার পুরো দেশটাকেই কারাগার বানিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জঙ্গি দমনে সাঁড়াশি অভিযানের নামে এখন পর্যন্ত ১২ হাজারের অধিক মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের প্রায় ২ হাজার ৭শ’ জন নেতাকর্মী রয়েছে।

খালেদা জিয়া বলেন, সরকারের লক্ষ্য সন্ত্রাসী ধরা নয়। জঙ্গি দমনের নামে বিএনপি ও এর সমর্থক, অন্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং বিএনপিকে যারা ভালোবাসেন তাদের জেল খাটানোই আসল লক্ষ্য।

তিনি বলেন, পত্রিকা খুললেই দেখা যায়, সরকার নিরীহ মানুষকে ধরে পুলিশ ভ্যানে ভরছে। আর তাদের স্বজনরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আহজারি করছে। কিন্তু তারা কিছুই করতে পারছে না। এই হচ্ছে সরকারের দেশ চালানোর নমুনা।

ইফতারের আগে খালেদা জিয়া টেবিল ঘুরে ঘুরে অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজ-খবর নেন। এর আগে সন্ধ্যা ৬টা ৩৮ মিনিটে ইফতার মাহফিলে এসে পৌঁছেন তিনি।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে একই টেবিলে বসে ইফতার করেন এলডিপির সভাপতি ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুল করিম আব্বাসী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য আব্দুল হালিম, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীক, বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের (বিএমএল) সভাপতি এএইচএম কামরুজ্জামান খান, এনডিপির চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান পেশোয়ারী, এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাতীয় পার্টির (জাফর) প্রেসিডিয়াম সদস্য আহসান হাবিব লিংকন, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মহিউদ্দিন ইকরাম, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, ডেমোক্রেটিক লীগের (ডিএল) সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, পিপলস লীগের মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুব হোসেন, ইসলামিক পার্টির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মো. এজাজ হোসেন, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ আহমেদ প্রমুখ।

ইফতারে বিএনপি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল্লাহ আল নোমান, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, বেগম সেলিমা রহমান, ব্যারিস্টার হায়দার আলী, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ।

ইফতার মাহফিলে ২০ দলীয় জোট নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে সূরা সদস্য ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা, জাগপার সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান ও সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন বাবলু, বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এম এম আমিনুর রহমান, লেবার পার্টির মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহেদী, বিএমএল’র মহাসচিব অ্যাডভোকেট শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, এনপিপির মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, এনডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য মঞ্জুর হোসেন ঈসা, যুগ্ম মহাসচিব ফরিদ উদ্দিন, ডিএল যুগ্ম সম্পাদক খোকন চন্দ্র দাস প্রমুখ।

ইফতারে এলডিপির নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মো. আব্দুল্লাহ, মামদুদুর রহমান চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, যুগ্ম মহাসচিব খালেদ সাইফুল্লাহ প্রমুখ।

বেগম জিয়া বলেন, ছাত্রলীগ বা আওয়ামী লীগের কেউ অবাধে অস্ত্র নিয়ে ঘুরলেও তাদের ধরা হয় না। ধরলেও তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।