ঢাকা ০৭:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

নতুন শিক্ষাক্রম দক্ষ ও স্মার্ট নাগরিক তৈরি করবে : শিক্ষামন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:২৬:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ মে ২০২৩
  • ১৬৫ বার

কেরানি নয়, দক্ষ ও স্মার্ট নাগরিক তৈরি করতে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

আজ সোমবার (১৫ মে) ঢাকা সরকারি টিচার ট্রেনিং কলেজে ‘বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ ২০২৩’-এর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মুখস্থনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা ব্যক্তির সৃজনশীলতা ও মেধার বিকাশকে সীমিত করে ফেলে। একই রকম মুখস্থ পড়াশোনা দেখে মনে হয় যেন সবাই এক কারখানায় তৈরি হচ্ছেন। এ রকম শিক্ষাব্যবস্থায় যে সৃজনশীলতা ও মেধা রয়েছে তার পরিপূর্ণ বিচারের সুযোগকে সীমিত করে ফেলে।

তিনি বলেন, যেকোনো জাতির উন্নয়নের জন্য শিক্ষা একেবারেই আবশ্যিক একটি বিষয়। কারণ যেকোনো দেশ গড়ে তোলার জন্য মূল চালিকা শক্তি হলো শিক্ষা। একই সঙ্গে একটি দেশ কত উন্নত হবে, কতটা সমৃদ্ধশালী হবে সেটাও নির্ভর করে সে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ওপর। আমাদের একেবারেই অতি প্রাচীন যে শিক্ষারব্যবস্থা ছিল সেখানে গুরুর কাছ থেকে তার শিষ্য শিক্ষা গ্রহণ করতেন। সেখানে শিক্ষার্থীদের জীবনমুখী শিক্ষার বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে। দেখে শেখা, কাজ করে শেখা এবং যা শিখছে তার চর্চা করা, প্রয়োগ করা, এ বিষয়গুলো অতি প্রাচীন শিক্ষাব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল।

বঙ্গবন্ধু প্রণীত প্রথম শিক্ষাব্যবস্থার পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন এখনকার নতুন শিক্ষা ব্যবস্থায় করা হচ্ছে জানিয়ে ডা. দীপু মনি বলেন, আমরা উপনিবেশিক শাসন শোষণের শিকার হয়ে শিক্ষাব্যবস্থায়ও উপনিবেশবাদের শিকার হয়েছি। শিক্ষার গুণগত মান বলতে আমরা যা বুঝি সেগুলো আমাদের সেই অতি প্রাচীন শিক্ষাব্যবস্থায় যেমনভাবে ছিল, আবার উপনিবেশবাদী শিক্ষা ব্যবস্থায় সেটি তেমন ছিল না। বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরে জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘উপনিবেশিক শিক্ষাব্যবস্থা হলো কেরানি পয়দা করা শিক্ষাব্যবস্থা’। তাই বঙ্গবন্ধুর দিক নির্দেশনায় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেছিলেন ড. কুদরত-ই-খুদা। কিন্তু বঙ্গবন্ধু সেই শিক্ষা নীতি বাস্তবায়ন করে যেতে পারেননি।

মন্ত্রী বলেন, আবার ২০১০ সালে এসে বঙ্গবন্ধুকন্যার হাতে আমরা নতুন আরেকটি শিক্ষানীতি পেয়েছি। যেটি সেই প্রচলিত কুদরত-ই-খোদার শিক্ষা কমিশনকে অনুসরণ করা হয়েছে। আমাদের নতুন এ শিক্ষাব্যবস্থায় রূপান্তরের বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এ সময় শিক্ষা মন্ত্রী বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ-২০২০ এর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ঘোষণা করেন এবং এসব কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে সব শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) অধ্যাপক ড. প্রবীর কুমার ভট্টাচার্য্য, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. কামাল হোসেন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

নতুন শিক্ষাক্রম দক্ষ ও স্মার্ট নাগরিক তৈরি করবে : শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৯:২৬:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ মে ২০২৩

কেরানি নয়, দক্ষ ও স্মার্ট নাগরিক তৈরি করতে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

আজ সোমবার (১৫ মে) ঢাকা সরকারি টিচার ট্রেনিং কলেজে ‘বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ ২০২৩’-এর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মুখস্থনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা ব্যক্তির সৃজনশীলতা ও মেধার বিকাশকে সীমিত করে ফেলে। একই রকম মুখস্থ পড়াশোনা দেখে মনে হয় যেন সবাই এক কারখানায় তৈরি হচ্ছেন। এ রকম শিক্ষাব্যবস্থায় যে সৃজনশীলতা ও মেধা রয়েছে তার পরিপূর্ণ বিচারের সুযোগকে সীমিত করে ফেলে।

তিনি বলেন, যেকোনো জাতির উন্নয়নের জন্য শিক্ষা একেবারেই আবশ্যিক একটি বিষয়। কারণ যেকোনো দেশ গড়ে তোলার জন্য মূল চালিকা শক্তি হলো শিক্ষা। একই সঙ্গে একটি দেশ কত উন্নত হবে, কতটা সমৃদ্ধশালী হবে সেটাও নির্ভর করে সে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ওপর। আমাদের একেবারেই অতি প্রাচীন যে শিক্ষারব্যবস্থা ছিল সেখানে গুরুর কাছ থেকে তার শিষ্য শিক্ষা গ্রহণ করতেন। সেখানে শিক্ষার্থীদের জীবনমুখী শিক্ষার বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে। দেখে শেখা, কাজ করে শেখা এবং যা শিখছে তার চর্চা করা, প্রয়োগ করা, এ বিষয়গুলো অতি প্রাচীন শিক্ষাব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল।

বঙ্গবন্ধু প্রণীত প্রথম শিক্ষাব্যবস্থার পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন এখনকার নতুন শিক্ষা ব্যবস্থায় করা হচ্ছে জানিয়ে ডা. দীপু মনি বলেন, আমরা উপনিবেশিক শাসন শোষণের শিকার হয়ে শিক্ষাব্যবস্থায়ও উপনিবেশবাদের শিকার হয়েছি। শিক্ষার গুণগত মান বলতে আমরা যা বুঝি সেগুলো আমাদের সেই অতি প্রাচীন শিক্ষাব্যবস্থায় যেমনভাবে ছিল, আবার উপনিবেশবাদী শিক্ষা ব্যবস্থায় সেটি তেমন ছিল না। বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরে জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘উপনিবেশিক শিক্ষাব্যবস্থা হলো কেরানি পয়দা করা শিক্ষাব্যবস্থা’। তাই বঙ্গবন্ধুর দিক নির্দেশনায় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেছিলেন ড. কুদরত-ই-খুদা। কিন্তু বঙ্গবন্ধু সেই শিক্ষা নীতি বাস্তবায়ন করে যেতে পারেননি।

মন্ত্রী বলেন, আবার ২০১০ সালে এসে বঙ্গবন্ধুকন্যার হাতে আমরা নতুন আরেকটি শিক্ষানীতি পেয়েছি। যেটি সেই প্রচলিত কুদরত-ই-খোদার শিক্ষা কমিশনকে অনুসরণ করা হয়েছে। আমাদের নতুন এ শিক্ষাব্যবস্থায় রূপান্তরের বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এ সময় শিক্ষা মন্ত্রী বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ-২০২০ এর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ঘোষণা করেন এবং এসব কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে সব শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) অধ্যাপক ড. প্রবীর কুমার ভট্টাচার্য্য, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. কামাল হোসেন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ।