,

মতবিনিময় সভায় মন্ত্রীরা, পুলিশ বাহিনী সম্মানজনক অবস্থানে আসতে পেরেছে

হাওর বার্তা ডেস্কঃ অনেক চড়াই-উৎরাই পার হয়ে পুলিশ বাহিনী আজ একটি সম্মানজনক গর্বিত অবস্থানে আসতে পেরেছে। পুলিশ জনগণের বন্ধু হিসেবে সেভাবে নিজেকে প্রস্তুত করেছে। সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে সক্ষমতা অর্জন করেছে।

‘বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে পুলিশ আছে জনতার পাশে’এই প্রতিপাদ্যে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৩ এর শেষ দিন আজ রোববার ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরা এ সব কথা বলেন। রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন জনপ্রশাসন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হেসেন, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।  অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তারা তাদের সুনির্দিষ্ট কিছু সমস্যা ও চাহিদার কথা মন্ত্রীদের অবহিত করেন। মন্ত্ররা প্রত্যেকটি সমস্যা সমাধানে আশ্বস্ত করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্পর্ক ওতপ্রোতভাবে জড়িত। পুলিশের যৌক্তিক সমস্যা সমাধানে আইন মন্ত্রণালয়ের দরজা সব সময় খোলা রয়েছে। একটা দেশে স্বাধীনভাবে চলার জন্য, সমাজের শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য পুলিশের ভূমিকা অপরিহার্য। পুলিশ নিষ্ঠার সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

জনপ্রশাসন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হেসেন বলেন, অনেক চড়াই-উৎরাই পার হয়ে পুলিশ বাহিনী আজ একটি সম্মানজনক গর্বিত অবস্থানে আসতে পেরেছে। একটি দেশের এগিয়ে যাওয়ার পূর্বশর্ত হচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রেখে জনগণকে শান্তিতে রাখা। পুলিশ জনগণের বন্ধু হিসেবে সেভাবে নিজেকে প্রস্তুত করেছে। সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার ক্ষেত্রে সক্ষমতা অর্জন করেছে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ বলেন, পুলিশ বাহিনী জনগণের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিভিন্ন সময়ে দেশের রাজনৈতিক সংকটে পুলিশ বাহিনী জনগণের পাশে থেকেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাধ্যমত চেষ্টা করেছে।

সভাপতির বক্তব্যে আইজিপি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু পুলিশকে জনগণের পুলিশ হিসেবে গড়ে তুলতে বলেছেন। সরকার ও পুলিশ বাহিনী সে লক্ষেই কাজ করছে। আমাদের আজকের প্রস্তাবে যেসব সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির কথা তুলে ধরা হয়েছে তা জনগণের সেবা বাড়ানোর জন্যই।’

আইজিপি আরও বলেন, ‘আমরা জনগণের পুলিশ হিসেবে দেশের জন্য কাজ করতে চাই, সেবা করতে চাই। যাতে দ্রুততম সময়ে মানুষের কাছাকাছি যাওয়া যায়। তাই সরকারের কাছে উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন প্রয়োজন।’

অনুষ্ঠানে ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মন্ত্রী ও সচিবদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর