ঢাকা ১০:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস

মদনে ডালি নদীতে অবৈধভাবে বাঁধ দিয়ে চলেছে মাছ শিকার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:২৪:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ নভেম্বর ২০২২
  • ৩৪২ বার
মদন (নেত্রকোণা) প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণার মদনে তিয়শ্রী ইউনিয়নের তিয়শ্রী বাজারের পাশে ডালি নদীতে বাঁধ দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে চলছে মাছ শিকার। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছরই তিয়শ্রী এন.এইচ.খান একাডেমির নাম ব্যবহার করে চলছে ডালি নদী ও মৎস্য সম্পদের সর্বনাশ।
অন্য বছরের ন্যায় এ বছরও প্রথমে বায়না ও জাল দিয়ে নদীতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এবং পরে সুবিধা মতো নদীতে বাঁধ দিয়ে পানি শুকিয়ে চলছে মাছ শিকারের প্রস্তুতি। ইতোমধ্যে পানি বরাবর মাটি দিয়ে বাঁধ তৈরির করে তার এক পাশে জাল আরেক পাশে বায়না দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেফেলেছে। এতে নদী হারাচ্ছে নাব্যতা। নদী শুকিয়ে মাছ শিকার করায় দেশীয় প্রজাতির মাছের ঘটছে বিলুপ্তি। এছাড়াও শুকলো মৌসুমে ফসলের জমিতে সেচের ক্ষেত্রে সৃষ্টি হয় পানির তিব্র সংকট।
নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক একজন বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ভাঙ্গিয়ে একটি মহল লক্ষাধিক  টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমান রাজস্ব। ডালি নদীকে শুকিয়ে মাছতো মারেই, একপর্যায়ে এসে ঔষধ ব্যবহার করে মাটির নিচ থেকে দেশীয় মাছ টেনে বের করে।
এ বিষয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক  জানান, আমারা ইউনও অফিস থেকে সমতা মৎসজীবী সমিতির নামে ১৪-১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে লিজ নেই। আমাদের ধারা তো মাছ ধরা সম্ভব না, তাই কিছু লোক দিয়ে মাছ ধরাচ্ছি।
মৎস্য শিকারী আলিম মিয়া জানা, আমি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে এক লক্ষ পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে এক সিজনের জন্য লিজ নিয়েছি। নদীতে বাঁধ দিয়ে শুকিয়ে মাছ শিকার করব এই শর্ত দিয়েই নদী লিজ নিয়েছি। এ বিষয়ে তিয়শ্রী এন.এইচ. খান একাডেমী প্রধান শিক্ষক সবই জানেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ কামরুল হাসান বলেন, নদীতে বাঁধ দিয়ে বা শুকিয়ে মাছ শিকার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আমরা দ্রুত এর ব্যাবস্থা নিচ্ছি।
উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ শাহনূর রহমান জানান, এ বিষয়ে আমি অবগত হয়েছি। বিষয়টি দেখতে তিয়শ্রী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছি।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা

মদনে ডালি নদীতে অবৈধভাবে বাঁধ দিয়ে চলেছে মাছ শিকার

আপডেট টাইম : ০৪:২৪:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ নভেম্বর ২০২২
মদন (নেত্রকোণা) প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণার মদনে তিয়শ্রী ইউনিয়নের তিয়শ্রী বাজারের পাশে ডালি নদীতে বাঁধ দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে চলছে মাছ শিকার। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছরই তিয়শ্রী এন.এইচ.খান একাডেমির নাম ব্যবহার করে চলছে ডালি নদী ও মৎস্য সম্পদের সর্বনাশ।
অন্য বছরের ন্যায় এ বছরও প্রথমে বায়না ও জাল দিয়ে নদীতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এবং পরে সুবিধা মতো নদীতে বাঁধ দিয়ে পানি শুকিয়ে চলছে মাছ শিকারের প্রস্তুতি। ইতোমধ্যে পানি বরাবর মাটি দিয়ে বাঁধ তৈরির করে তার এক পাশে জাল আরেক পাশে বায়না দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেফেলেছে। এতে নদী হারাচ্ছে নাব্যতা। নদী শুকিয়ে মাছ শিকার করায় দেশীয় প্রজাতির মাছের ঘটছে বিলুপ্তি। এছাড়াও শুকলো মৌসুমে ফসলের জমিতে সেচের ক্ষেত্রে সৃষ্টি হয় পানির তিব্র সংকট।
নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক একজন বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ভাঙ্গিয়ে একটি মহল লক্ষাধিক  টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমান রাজস্ব। ডালি নদীকে শুকিয়ে মাছতো মারেই, একপর্যায়ে এসে ঔষধ ব্যবহার করে মাটির নিচ থেকে দেশীয় মাছ টেনে বের করে।
এ বিষয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক  জানান, আমারা ইউনও অফিস থেকে সমতা মৎসজীবী সমিতির নামে ১৪-১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে লিজ নেই। আমাদের ধারা তো মাছ ধরা সম্ভব না, তাই কিছু লোক দিয়ে মাছ ধরাচ্ছি।
মৎস্য শিকারী আলিম মিয়া জানা, আমি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে এক লক্ষ পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে এক সিজনের জন্য লিজ নিয়েছি। নদীতে বাঁধ দিয়ে শুকিয়ে মাছ শিকার করব এই শর্ত দিয়েই নদী লিজ নিয়েছি। এ বিষয়ে তিয়শ্রী এন.এইচ. খান একাডেমী প্রধান শিক্ষক সবই জানেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ কামরুল হাসান বলেন, নদীতে বাঁধ দিয়ে বা শুকিয়ে মাছ শিকার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আমরা দ্রুত এর ব্যাবস্থা নিচ্ছি।
উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ শাহনূর রহমান জানান, এ বিষয়ে আমি অবগত হয়েছি। বিষয়টি দেখতে তিয়শ্রী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছি।