,

কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনজনের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়, প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৫৩

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য পদে একজন এবং সাধারণ আসনের সদস্য পদে দুইজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়ের পর একক প্রার্থী হিসেবে এই তিনজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতরা হলেন, ২নং ওয়ার্ডে (নিকলী ও বাজিতপুর) সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য পদে বাজিতপুর উপজেলা পরিষদের প্রয়াত চেয়ারম্যান ছারওয়ার আলমের স্ত্রী ইয়াছমীন আক্তার, ৫নং ওয়ার্ডে (করিমগঞ্জ) সাধারণ আসনের সদস্য পদে মো. সোহাগ মিয়া এবং ৮নং ওয়ার্ডে (মিঠামইন) সাধারণ আসনের সদস্য পদে রইছ উদ্দিন আহমেদ।

তাদের মধ্যে ইয়াছমীন আক্তার একক প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছিলেন।

অন্যদিকে মো. সোহাগ মিয়ার বিপরীতে মনোনয়ন পত্র দাখিলকারী অপর দুই প্রার্থী সেলিম জাবেদ ও তারেক মিনহাজ কোরায়শী তাদের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেন।

এছাড়া রইছ উদ্দিন আহমেদ এর বিপরীতে সমীর কুমার বৈষ্ণব তার মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেন।

বর্তমানে চেয়ারম্যান পদে ৪জন, সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য পদে ১২ জন এবং সাধারণ আসনের সদস্য পদে ৩৭ জন প্রার্থী নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

প্রতিদ্বন্দ্বী চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামী লীগ প্রার্থী জেলা পরিষদ প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মো. জিল্লুর রহমান, জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক এডভোকেট মো. আশরাফ উদ্দিন রেনু এবং সাবেক দুই ছাত্রলীগ নেতা হামিদুল আলম চৌধুরী নিউটন ও আশিক জামান এলিন।

অন্যদিকে বর্তমানে সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য পদে ১নং ওয়ার্ডে (কিশোরগঞ্জ সদর, হোসেনপুর ও পাকুন্দিয়া) তিনজন প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন, কামরুন্নাহার লিপি, ফৌজিয়া জলিল ন্যান্সী ও সুলতানা সাজিদা ইয়াছমিন।

সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য পদে ৩নং ওয়ার্ডে (করিমগঞ্জ ও তাড়াইল) বর্তমানে তিনজন প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন, মোছা. সেলিনা খানম, মোসা. বিলকিস নাহার ও শায়লা পারভীন সাথী।

সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য পদে ৪নং ওয়ার্ডে (ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম) দুইজন প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন, নাছিমা আলম ও সাঈদা আক্তার।

সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য পদে ৫নং ওয়ার্ডে (ভৈরব, কুলিয়ারচর ও কটিয়াদী) তিনজন প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন, আসমা আহমেদ, মোছা. হাছনা হেনা ও সানজিদা ইয়াছমিন।

সাধারণ আসনের সদস্য পদে ১নং ওয়ার্ডে (কিশোরগঞ্জ সদর) দুইজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক ও মো. সানোয়ার হোসেন।

সাধারণ আসনের সদস্য পদে ২নং ওয়ার্ডে (হোসেনপুর) বর্তমানে তিনজন প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন, ছাবিয়া পারভীন জেনি, মাসুদ আলম ও মো. মোছলেহ উদ্দিন।

সাধারণ আসনের সদস্য পদে ৩নং ওয়ার্ডে (পাকুন্দিয়া) ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, আল মোকাররাম, গোল মো. হাবিবুল্লাহ, মো. বজলুল করিম বাবুল, মো. বাবুল আহম্মেদ, মো. মনোয়ার হোসেন ও মো. শফিকুল ইসলাম।

সাধারণ আসনের সদস্য পদে ৪নং ওয়ার্ডে (কটিয়াদী) তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, মো. কামরুজ্জামান, সাদেক হোসেন খোকা ও সৈয়দ মুরাদ।

সাধারণ আসনের সদস্য পদে ৬নং ওয়ার্ডে (তাড়াইল) দুইজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, আলহাজ্ব এ,কে,এস জামান সম্রাট ও শহিদুল ইসলাম।

সাধারণ আসনের সদস্য পদে ৭নং ওয়ার্ডে (ইটনা) দুইজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, খলিলুর রহমান ও মো. ইসমাইল হোসেন।

সাধারণ আসনের সদস্য পদে ৯নং ওয়ার্ডে (অষ্টগ্রাম) দুইজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, ফজলুল হক হাইদারী ও মো. ছায়েদুর রহমান।

সাধারণ আসনের সদস্য পদে ১০নং ওয়ার্ডে (নিকলী) দুইজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, মো. আবু তাহের ও মো. জাকির হোসেন বাতেন।

সাধারণ আসনের সদস্য পদে ১১নং ওয়ার্ডে (বাজিতপুর) তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, মো. আব্দুর রহমান বোরহান, মো. মাহবুব হাসান কামাল ও মো. শাহজাহান মাহবুবুর রহমান।

সাধারণ আসনের সদস্য পদে ১২নং ওয়ার্ডে (ভৈরব) চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, কাইসার আহম্মেদ ভূঞা, মির্জা মো. সোলায়মান, মো. জাকির হোসেন ও মো. নাজির উদ্দিন।

সাধারণ আসনের সদস্য পদে ১৩নং ওয়ার্ডে (কুলিয়ারচর) ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, আব্দুছ ছাত্তার, মাইনুল ইসলাম, মো. জিল্লুর রহমান, মো. নজরুল ইসলাম, শিউলী খানম ও সৈয়দা নাছিমা।

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর