ঢাকা ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

প্রেমের টানে আমেরিকান যুবক গাজীপুরে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুন ২০২২
  • ১৭৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রেমের কাছে সব কিছুই তুচ্ছ। প্রেম মানে না কোনো বাধা, ভৌগোলিক সীমারেখা, ধর্ম, বর্ণ। তাইতো প্রেমের টানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়ে বাংলাদেশে এসে বিয়ে করেছেন মিশৌরী স্টেটের ক্যানসাস সিটির নাগরিক রাইয়ান কফম্যান।

প্রেমিকা গাজীপুর মহানগরের বাসন থানার ভোগড়া মধ্যপাড়া এলাকার মোশারফ হোসেন মাস্টারের নাতনী ও মৃত সিকন্দার আলীর মেয়ে সাইদা ইসলাম (২৬)।

কনের নানা মোশারফ হোসেন মাস্টার বলেন, ‘ঢাকার দনিয়া এলাকার বাসিন্দা সিকন্দার আলী ২০১৯ সালে মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর মা ও তার ছোট বোনকে নিয়ে সাইদা গাজীপুরে চলে আসে। বর্তমানে এখানেই বসবাস করছে তারা। ২০২০ সালে মানবিকে স্নাতক করেছে সাইদা।’

সাইদা ইসলাম বলেন, ‘২০২১ সালে ফেসবুকে প্রথম পরিচয় হয় রাইয়ান কফম্যানের সঙ্গে। পরে নিজেদের ফোন নাম্বার ও এড্রেস বিনিময় করি। এরপর থেকে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ হতো। কথা বলতে বলতে দুজন দুজনকে ভালোবেসে ফেলি। প্রায় এক বছর প্রেম করার পর সিদ্ধান্ত নেই বিয়ে করব।’

তিনি আরো বলেন, ‘রাইয়ান বিয়ে করার জন্য খৃষ্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। পরে তার ও আমার পরিবারের সম্মতিতে এ বছরের ২৯ মে যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়ে বাংলাদেশে আসেন। সেদিনই আমাদের প্রথম দেখা হয়। এয়ারপোর্ট থেকে রাইয়ান আমার সঙ্গে গাজীপুরে নানা বাড়িতে আসে। পরে সামাজিক ও ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী বিয়ের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়।’

রাইয়ান বলেন, ‘আনুষঙ্গিক কাগজপত্র ও ভিসা প্রসেসিং হতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। এসব সম্পন্ন হলেই সাইদাকে আমেরিকা নিয়ে যাব। সাইদার স্বজন ও বাংলাদেশীরা খুবই অতিথি পরায়ণ। আমেরিকায় অচেনাদের সঙ্গে কেউ খুব একটা কথা বলে না। কিন্তু বাংলাদেশে আসার পর দেখছি আমার প্রতি সবাই খুবই আন্তরিক।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

প্রেমের টানে আমেরিকান যুবক গাজীপুরে

আপডেট টাইম : ১০:০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুন ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রেমের কাছে সব কিছুই তুচ্ছ। প্রেম মানে না কোনো বাধা, ভৌগোলিক সীমারেখা, ধর্ম, বর্ণ। তাইতো প্রেমের টানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়ে বাংলাদেশে এসে বিয়ে করেছেন মিশৌরী স্টেটের ক্যানসাস সিটির নাগরিক রাইয়ান কফম্যান।

প্রেমিকা গাজীপুর মহানগরের বাসন থানার ভোগড়া মধ্যপাড়া এলাকার মোশারফ হোসেন মাস্টারের নাতনী ও মৃত সিকন্দার আলীর মেয়ে সাইদা ইসলাম (২৬)।

কনের নানা মোশারফ হোসেন মাস্টার বলেন, ‘ঢাকার দনিয়া এলাকার বাসিন্দা সিকন্দার আলী ২০১৯ সালে মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর মা ও তার ছোট বোনকে নিয়ে সাইদা গাজীপুরে চলে আসে। বর্তমানে এখানেই বসবাস করছে তারা। ২০২০ সালে মানবিকে স্নাতক করেছে সাইদা।’

সাইদা ইসলাম বলেন, ‘২০২১ সালে ফেসবুকে প্রথম পরিচয় হয় রাইয়ান কফম্যানের সঙ্গে। পরে নিজেদের ফোন নাম্বার ও এড্রেস বিনিময় করি। এরপর থেকে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ হতো। কথা বলতে বলতে দুজন দুজনকে ভালোবেসে ফেলি। প্রায় এক বছর প্রেম করার পর সিদ্ধান্ত নেই বিয়ে করব।’

তিনি আরো বলেন, ‘রাইয়ান বিয়ে করার জন্য খৃষ্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। পরে তার ও আমার পরিবারের সম্মতিতে এ বছরের ২৯ মে যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়ে বাংলাদেশে আসেন। সেদিনই আমাদের প্রথম দেখা হয়। এয়ারপোর্ট থেকে রাইয়ান আমার সঙ্গে গাজীপুরে নানা বাড়িতে আসে। পরে সামাজিক ও ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী বিয়ের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়।’

রাইয়ান বলেন, ‘আনুষঙ্গিক কাগজপত্র ও ভিসা প্রসেসিং হতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। এসব সম্পন্ন হলেই সাইদাকে আমেরিকা নিয়ে যাব। সাইদার স্বজন ও বাংলাদেশীরা খুবই অতিথি পরায়ণ। আমেরিকায় অচেনাদের সঙ্গে কেউ খুব একটা কথা বলে না। কিন্তু বাংলাদেশে আসার পর দেখছি আমার প্রতি সবাই খুবই আন্তরিক।’