ঢাকা ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
কিশোরগঞ্জের কৃতী সন্তান ড. আশরাফুল মোসাদ্দেকের অনুবাদ গ্রন্থ ‘কবি ও কবিতায় এশিয়া মহাদেশ’ আলোচনায় জবির নতুন প্রক্টর অধ্যাপক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন অফিসে অবস্থান-জ্বালানি সাশ্রয়ে মন্ত্রণালয়ের ১১ নির্দেশনা স্বাস্থ্য খাত দুর্নীতিমুক্ত করতে কাজ করছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সরকারি ছুটিতেও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে হাসপাতাল পরিদর্শনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ থামাতে ৪ মুসলিম দেশের জরুরি বৈঠক শুরু মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি হচ্ছেন মামুন ও মাসুদ ১১ জেলার ডিসি প্রত্যাহার করে নতুন ডিসি নিয়োগ ঢাকায় পৌঁছেছে স্পিকারের স্ত্রী দিলারা হাফিজের মরদেহ

পবিত্র কোরআন হিফজ করল ৭ বছরের ওয়ারদা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:১৯:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ২৮৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মহান আল্লাহতায়ালার শ্রেষ্ঠদান পবিত্র কোরআন আর এই কোরআন হিফজ করার মর্যাদাও অনেক অনেক বেশি।করোনার সময়কালে হিফজ শুরু করে মাত্র কয়েক মাসে পবিত্র কোরআনুল কারিম মুখস্থ করেছে আমাতুল্লাহ ওয়ারদা। আমাতুল্লাহর বয়স এখন সাত বছর পাঁচ মাস। এর আগে আমাতুল্লাহর বোন যাহ্‌রা-ই-বেহেশতী পবিত্র মদিনাতুল মুনাওয়ারায় আট বছর বয়সে ৮ মাসের কম সময়ে হিফজ সম্পন্ন করেছিল।

এরচেয়ে আশ্চর্যের কথা হলো- ওয়ারদা ও যাহ্‌রার মা আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর শহর মদিনা মুনাওয়ারায় মাত্র ৪ মাসে কোরআনুল কারিম হিফজ করেন।

ওয়ারদা মনির বাবা বিশিষ্ট আলিম ও গবেষক মাওলানা যাকারিয়্যা মাহমুদ আল-মাদানী। তিনি রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত মানাহিল মডেল মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। তিনি মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল গবেষণা করছেন।

ওয়ারদার কোরআন হিফজের আনন্দে তিনি বলেন, মহা মহিম দয়াময় আল্লাহ তাআলা আমার ওপর এত বেশি অনুগ্রহ করেছেন যে, তা গুণে শেষ করতে পারব না। তিনি অত্যন্ত করুণা করে আমার ছোট মেয়ে ৭ বছর ৫ মাসের আমাতুল্লাহ ওয়ারদা-কে কোরআনুল কারিম অন্তরে ধারণ করার তাওফিক দিয়েছেন, আলহামদুলিল্লাহ। আজ সে হিফজুল কোরআনের শেষ সবক শুনিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ এক এমন প্রাপ্তি যার তুলনা হয় না। এমন এক অনুভূতি যা প্রকাশ করা যায় না। এমন প্রশান্তি যা বলে বুঝানো যায় না। আবেগাপ্লুত চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি! যেমন পারিনি আমার বড় মেয়ে ও তার মায়ের হিফজের পরও।

জীবনের যেকোনো প্রাপ্তি ও সফলতার চেয়ে কোরআনের এ প্রাপ্তি আমার কাছে অনেক বড়, অনেক সুখের এবং অনেক সম্মানের। এখানে মেয়েদের আম্মুর কথা না বললেই নয়, সে মেয়েদের পেছনে আঠার মতো লেগেছিল। সব অবদানই তার। মূলত সেই মেয়েদের শিক্ষিকা। আল্লাহ তাকে দুনিয়া ও আখিরাতে উত্তম বিনিময় দিন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জের কৃতী সন্তান ড. আশরাফুল মোসাদ্দেকের অনুবাদ গ্রন্থ ‘কবি ও কবিতায় এশিয়া মহাদেশ’ আলোচনায়

পবিত্র কোরআন হিফজ করল ৭ বছরের ওয়ারদা

আপডেট টাইম : ১০:১৯:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মহান আল্লাহতায়ালার শ্রেষ্ঠদান পবিত্র কোরআন আর এই কোরআন হিফজ করার মর্যাদাও অনেক অনেক বেশি।করোনার সময়কালে হিফজ শুরু করে মাত্র কয়েক মাসে পবিত্র কোরআনুল কারিম মুখস্থ করেছে আমাতুল্লাহ ওয়ারদা। আমাতুল্লাহর বয়স এখন সাত বছর পাঁচ মাস। এর আগে আমাতুল্লাহর বোন যাহ্‌রা-ই-বেহেশতী পবিত্র মদিনাতুল মুনাওয়ারায় আট বছর বয়সে ৮ মাসের কম সময়ে হিফজ সম্পন্ন করেছিল।

এরচেয়ে আশ্চর্যের কথা হলো- ওয়ারদা ও যাহ্‌রার মা আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর শহর মদিনা মুনাওয়ারায় মাত্র ৪ মাসে কোরআনুল কারিম হিফজ করেন।

ওয়ারদা মনির বাবা বিশিষ্ট আলিম ও গবেষক মাওলানা যাকারিয়্যা মাহমুদ আল-মাদানী। তিনি রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত মানাহিল মডেল মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। তিনি মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল গবেষণা করছেন।

ওয়ারদার কোরআন হিফজের আনন্দে তিনি বলেন, মহা মহিম দয়াময় আল্লাহ তাআলা আমার ওপর এত বেশি অনুগ্রহ করেছেন যে, তা গুণে শেষ করতে পারব না। তিনি অত্যন্ত করুণা করে আমার ছোট মেয়ে ৭ বছর ৫ মাসের আমাতুল্লাহ ওয়ারদা-কে কোরআনুল কারিম অন্তরে ধারণ করার তাওফিক দিয়েছেন, আলহামদুলিল্লাহ। আজ সে হিফজুল কোরআনের শেষ সবক শুনিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ এক এমন প্রাপ্তি যার তুলনা হয় না। এমন এক অনুভূতি যা প্রকাশ করা যায় না। এমন প্রশান্তি যা বলে বুঝানো যায় না। আবেগাপ্লুত চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি! যেমন পারিনি আমার বড় মেয়ে ও তার মায়ের হিফজের পরও।

জীবনের যেকোনো প্রাপ্তি ও সফলতার চেয়ে কোরআনের এ প্রাপ্তি আমার কাছে অনেক বড়, অনেক সুখের এবং অনেক সম্মানের। এখানে মেয়েদের আম্মুর কথা না বললেই নয়, সে মেয়েদের পেছনে আঠার মতো লেগেছিল। সব অবদানই তার। মূলত সেই মেয়েদের শিক্ষিকা। আল্লাহ তাকে দুনিয়া ও আখিরাতে উত্তম বিনিময় দিন।