ঢাকা ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
অননুমোদিত দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ তেলের ঘাটতি নেই, আগের চেয়ে সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে : জ্বালানিমন্ত্রী ঢামেকসহ ৫ মেডিক্যাল কলেজে নতুন অধ্যক্ষ নিয়োগ রাশিয়া থেকে তেল কিনতে যুক্তরাষ্ট্রকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের হারানো ইমেজ উদ্ধারে সক্রিয় সরকার, অস্থিরতা তৈরির চেষ্টায় একটি গ্রুপ আকাশপথের নতুন রাজত্বের পথে পারস্য! ৬.৫ বিলিয়নের রাশিয়ান Kibony সিস্টেমসহ Su-35 এখন ইরানে, তবে কি অকেজো মার্কিন রাডার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার সাক্ষাৎ এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ৭ জুন : শিক্ষামন্ত্রী সংসদে নামাজ পড়তে গিয়ে জুতা খোয়ালেন এমপি ২০ বছর পর ৩৩০ পুলিশ কর্মকর্তার নিয়োগ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা মঙ্গলবার শুরু

জুমার নামাজ পড়লে যেসব মর্যাদা পাবে মুমিনরা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৯:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২১
  • ২৭৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আল্লাহ তাআলা কেয়ামতের দিন সপ্তাহের সব দিনকে নিজ আকৃতিতে একত্রিত করবেন। জুমার দিনকে সবচেয়ে আলোকময় উজ্জ্বল করে উঠানো হবে। সেখানে জুমার নামাজ আদায়কারীরা জুমার দিনটিকে নববধূর মতো ঘিরে রাখবে। যেন তারা (দিনটিকে)  তাদের রবকে হাদিয়া দেবে। জুমা আদায়কারী ব্যক্তিদের জন্য থাকবে বিশেষ সব মর্যাদা। যা অন্য কেউ পাবে না। কী সেইসব মর্যাদা?

‘হ্যাঁ’, জুমার দিন যারা যথাযথভাবে নামাজ পড়বে, জুমার দিন তাদের জন্য বিশেষ ৬টি বৈশিষ্ট্য ও মর্যাদা বয়ে আনবে। সেদিন তাদের সঙ্গে মুয়াজ্জিন ছাড়া আর কেউ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। কেয়ামতের দিনের সেসব ঘটনা হাদিসে এভাবে এসেছে-

হজরত আবু মুসা আল-আশআরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা কেয়ামতের দিন সপ্তাহের সব দিনকে নিজ আকৃতিতে একত্রিত করে পুনরুত্থান করবেন। সেদিন জুমার দিনকে উজ্জ্বল আলোকময় করে উঠানো হবে। আর জুমার নামাজ আদায়কারীরা জুমার দিনটিকে নববধূর মতো ঘিরে রাখবে। যেন তা (দিনটিকে) তাদের রবকে হাদিয়া দেওয়া হবে। (জুমার দিন থেকে মুসল্লিরা যেসব অসাধারণ উপকারিতা ও মর্যাদা পাবে; তাহলো)-

১. সে (জুমার দিন) তাদেরকে (জুমা পড়া ব্যক্তিদের) আলো দান করবে।

২. তারা (মুসল্লিরা) তার (জুমার দিনের) আলোতে চলবে।

৩. এতে তাদের রং হবে বরফের মতো সাদা।

৪. তাদের ঘ্রাণ মিশকের ঘ্রাণের মতো ছড়িয়ে পড়বে।

৫. তারা কর্পুরের পাহাড়ে আরোহন করবে।

৬. জ্বিন এবং (অন্য) মানুষেরা তাদের দিকে আশ্চর্য হয়ে তাকিয়ে থাকবে; যতক্ষণ না তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে।

তবে যে মুয়াজ্জিন সওয়াবের আশায় আজান দিয়েছে তারা ছাড়া অন্য কেউ তাদের (জুমা আদায়কারী মুসল্লির) সঙ্গে মিলিত হতে পারবে না।’ (ইবনু খাজায়মা, মুসতাদরাকে হাকেম)

সুতরং মুমিন মুসলমানের উচিত, যথাযথভাবে জুমার নামাজ আদায় করা। জুমার দিনের আমলগুলো যথাযথভাবে পালন করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জুমার দিনটি নামাজ ও আমলে অতিবাহিত করার তাওফিক দান করুন। জুমার দিনের কাঙিক্ষত ফজিলত ও বৈশিষ্ট্য পাওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

অননুমোদিত দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ

জুমার নামাজ পড়লে যেসব মর্যাদা পাবে মুমিনরা

আপডেট টাইম : ১১:১৯:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আল্লাহ তাআলা কেয়ামতের দিন সপ্তাহের সব দিনকে নিজ আকৃতিতে একত্রিত করবেন। জুমার দিনকে সবচেয়ে আলোকময় উজ্জ্বল করে উঠানো হবে। সেখানে জুমার নামাজ আদায়কারীরা জুমার দিনটিকে নববধূর মতো ঘিরে রাখবে। যেন তারা (দিনটিকে)  তাদের রবকে হাদিয়া দেবে। জুমা আদায়কারী ব্যক্তিদের জন্য থাকবে বিশেষ সব মর্যাদা। যা অন্য কেউ পাবে না। কী সেইসব মর্যাদা?

‘হ্যাঁ’, জুমার দিন যারা যথাযথভাবে নামাজ পড়বে, জুমার দিন তাদের জন্য বিশেষ ৬টি বৈশিষ্ট্য ও মর্যাদা বয়ে আনবে। সেদিন তাদের সঙ্গে মুয়াজ্জিন ছাড়া আর কেউ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। কেয়ামতের দিনের সেসব ঘটনা হাদিসে এভাবে এসেছে-

হজরত আবু মুসা আল-আশআরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা কেয়ামতের দিন সপ্তাহের সব দিনকে নিজ আকৃতিতে একত্রিত করে পুনরুত্থান করবেন। সেদিন জুমার দিনকে উজ্জ্বল আলোকময় করে উঠানো হবে। আর জুমার নামাজ আদায়কারীরা জুমার দিনটিকে নববধূর মতো ঘিরে রাখবে। যেন তা (দিনটিকে) তাদের রবকে হাদিয়া দেওয়া হবে। (জুমার দিন থেকে মুসল্লিরা যেসব অসাধারণ উপকারিতা ও মর্যাদা পাবে; তাহলো)-

১. সে (জুমার দিন) তাদেরকে (জুমা পড়া ব্যক্তিদের) আলো দান করবে।

২. তারা (মুসল্লিরা) তার (জুমার দিনের) আলোতে চলবে।

৩. এতে তাদের রং হবে বরফের মতো সাদা।

৪. তাদের ঘ্রাণ মিশকের ঘ্রাণের মতো ছড়িয়ে পড়বে।

৫. তারা কর্পুরের পাহাড়ে আরোহন করবে।

৬. জ্বিন এবং (অন্য) মানুষেরা তাদের দিকে আশ্চর্য হয়ে তাকিয়ে থাকবে; যতক্ষণ না তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে।

তবে যে মুয়াজ্জিন সওয়াবের আশায় আজান দিয়েছে তারা ছাড়া অন্য কেউ তাদের (জুমা আদায়কারী মুসল্লির) সঙ্গে মিলিত হতে পারবে না।’ (ইবনু খাজায়মা, মুসতাদরাকে হাকেম)

সুতরং মুমিন মুসলমানের উচিত, যথাযথভাবে জুমার নামাজ আদায় করা। জুমার দিনের আমলগুলো যথাযথভাবে পালন করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জুমার দিনটি নামাজ ও আমলে অতিবাহিত করার তাওফিক দান করুন। জুমার দিনের কাঙিক্ষত ফজিলত ও বৈশিষ্ট্য পাওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।