ঢাকা ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

স্ত্রীর সঙ্গে বেশি কথা বলুন, সুরক্ষায় থাকবে হৃৎপিণ্ড

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২১
  • ২১৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ হৃদরোগে আক্রান্ত পুরুষরা যদি স্ত্রীর সঙ্গে বেশি বেশি কথা বলে ও স্ত্রীর সঙ্গে বেশি সময় কাটায় তবে হৃৎপিণ্ড ভালো থাকবে। সম্প্রতি এক গবেষনায় এই চমকপ্রদ তথ্যটি দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিষয়ক মার্কিন গবেষকেরা। মার্কিন এই গবেষণাটি লাইভ সায়েন্সের একটি জার্নালে সদ্য প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষক দলটি জানিয়েছেন, শত ব্যস্ততার মধ্যেও কিছুটা সময় বের করে স্ত্রীর সঙ্গে সময় কাটালে হৃৎপিণ্ডটি সুস্থ থাকবে। এ ছাড়াও প্রচণ্ডরকম ক্লান্তির মধ্যেও স্ত্রীর সঙ্গে সময় কাটালে মানসিক শক্তি বৃদ্ধি পায়। নানা বিরূপ পরিস্থিতি ও বিষাদগ্রস্ততায় স্ত্রীর সঙ্গে মনের কথা শেয়ার করলে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যাবে।

মার্কিন গবেষণাটিতে জানানো হয়েছে, সঙ্গীর সঙ্গে ইতিবাচক কথা আদান-প্রদানের সুযোগ থাকলে তিনি শারীরিকভাবে প্রায় ৩০টি রোগ থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন। সঙ্গীর সঙ্গে অতিরিক্ত নেতিবাচক কথাবর্তার সঙ্গে পুরু ক্যারোটিড আর্টারির সম্পর্ক রয়েছে। ক্যারোটিড আর্টারি হলো একটি রক্তনালি যা ঘাড় থেকে মস্তিষ্কে রক্ত পৌঁছে দেয়। হৃৎপিণ্ডের বিভিন্ন সমস্যার সঙ্গে এই রক্তনালীর সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ভিএ গ্রেটার লস অ্যাঞ্জেলস হেলথকেয়ার সিস্টেমের গবেষক নাটারিয়া জোসেফ তার এক লেখনিতে জানান, যারা স্ত্রীর সঙ্গে বেশিরভাগ সময় ঝগড়ায় লিপ্ত থাকেন তাদের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি প্রায় সাড়ে আট শতাংশ বৃদ্ধি পায়।

জানা গেছে, এই গবেষণার জন্য গবেষকেরা প্রায় ৩০০ মাঝবয়সী দম্পতির তথ্য নিয়েছেন। গবেষকদের দাবি, আবেগ, ভালবাসা ও শারীরিক সম্পর্কের সঙ্গে আঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত ইতিবাচক সম্পর্ক। এতে স্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়ে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

স্ত্রীর সঙ্গে বেশি কথা বলুন, সুরক্ষায় থাকবে হৃৎপিণ্ড

আপডেট টাইম : ১০:০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ হৃদরোগে আক্রান্ত পুরুষরা যদি স্ত্রীর সঙ্গে বেশি বেশি কথা বলে ও স্ত্রীর সঙ্গে বেশি সময় কাটায় তবে হৃৎপিণ্ড ভালো থাকবে। সম্প্রতি এক গবেষনায় এই চমকপ্রদ তথ্যটি দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিষয়ক মার্কিন গবেষকেরা। মার্কিন এই গবেষণাটি লাইভ সায়েন্সের একটি জার্নালে সদ্য প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষক দলটি জানিয়েছেন, শত ব্যস্ততার মধ্যেও কিছুটা সময় বের করে স্ত্রীর সঙ্গে সময় কাটালে হৃৎপিণ্ডটি সুস্থ থাকবে। এ ছাড়াও প্রচণ্ডরকম ক্লান্তির মধ্যেও স্ত্রীর সঙ্গে সময় কাটালে মানসিক শক্তি বৃদ্ধি পায়। নানা বিরূপ পরিস্থিতি ও বিষাদগ্রস্ততায় স্ত্রীর সঙ্গে মনের কথা শেয়ার করলে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যাবে।

মার্কিন গবেষণাটিতে জানানো হয়েছে, সঙ্গীর সঙ্গে ইতিবাচক কথা আদান-প্রদানের সুযোগ থাকলে তিনি শারীরিকভাবে প্রায় ৩০টি রোগ থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন। সঙ্গীর সঙ্গে অতিরিক্ত নেতিবাচক কথাবর্তার সঙ্গে পুরু ক্যারোটিড আর্টারির সম্পর্ক রয়েছে। ক্যারোটিড আর্টারি হলো একটি রক্তনালি যা ঘাড় থেকে মস্তিষ্কে রক্ত পৌঁছে দেয়। হৃৎপিণ্ডের বিভিন্ন সমস্যার সঙ্গে এই রক্তনালীর সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ভিএ গ্রেটার লস অ্যাঞ্জেলস হেলথকেয়ার সিস্টেমের গবেষক নাটারিয়া জোসেফ তার এক লেখনিতে জানান, যারা স্ত্রীর সঙ্গে বেশিরভাগ সময় ঝগড়ায় লিপ্ত থাকেন তাদের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি প্রায় সাড়ে আট শতাংশ বৃদ্ধি পায়।

জানা গেছে, এই গবেষণার জন্য গবেষকেরা প্রায় ৩০০ মাঝবয়সী দম্পতির তথ্য নিয়েছেন। গবেষকদের দাবি, আবেগ, ভালবাসা ও শারীরিক সম্পর্কের সঙ্গে আঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত ইতিবাচক সম্পর্ক। এতে স্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়ে।