ঢাকা ০৭:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস

১০টি মুহূর্তে সালাম দেয়া উচিত নয়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:১৬:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ মার্চ ২০১৬
  • ৩৭০ বার

এক মুসলমান অন্যজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে সালাম দেয়ার বিধান রয়েছে। সালামের মাধ্যমে পরস্পরের জন্য শান্তি ও কল্যাণ কামনা করা হয়। কোনো মুসলমান ভাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে কথা বলার আগে সালাম দেয়া নবীজির আদর্শ। আর এর উত্তর দেয়া অবশ্যকরণীয়। রাসুল (সা.) সালামের ব্যাপারে বিশেষ তাগিদ দিয়েছেন। হাদিসে কারো সঙ্গে দেখা হলে কথাবার্তার আগে সালাম দেয়ার কথা বলা হয়েছে। আমাদের সমাজে সালাম সৌজন্য বিনিময়ের একটি মাধ্যম। চলতে-ফিরতে, দেখা-সাক্ষাতে যেমন সালাম দিতে হয় তেমনি ফোনে বা মোবাইলে কথা বলার সময়ও সালাম দেয়া সুন্নত। সালাম একটি স্বতন্ত্র ইবাদত ও সওয়াবের উপায়।

তবে এই সালামেরও কিছু নিয়ম ও আদব আছে। সালাম একটি সওয়াবের কাজ হলেও অনেক সময় বিধান না মানার কারণে তা আর সওয়াবের কাজ থাকে না, গোনাহের কাজ হয়ে যায়। ১০টি মুহূর্ত এমন আছে যখন সালাম দেয়া উচিত নয়। ১. নামাজ পড়া অবস্থায় কোনো ব্যক্তিকে সালাম দেয়া উচিত নয়। কারণ নামাজের অবস্থায় ওই ব্যক্তি এর উত্তর দিতে পারবেন না। উত্তর দিলে নামাজ ভেঙে যাবে। ২. কেউ প্রশ্রাব-পায়খানা করছে এমতাবস্থায় তাকে সালাম দেয়া যাবে না। কারণ তখন জবাব দেয়ার কোনো উপায় নেই। সালামও এক ধরনের জিকির। প্রশ্রাব-পায়খানার সময় জিকির করা যাবে না। ৩. ওজুরত অবস্থায় কাউকে সালাম দেয়া যাবে না। এতে তার ওজুর মনোযোগ নষ্ট হবে; ওজুতে ভুলও হতে পারে। ৪. কেউ খাবার খাচ্ছে এমতাবস্থায়ও সালাম দেয়া যাবে না। এ সময় সালাম দিতে নিষেধ করা হয়েছে হাদিসে।

৫. কোরআন তেলাওয়াত করা অবস্থায় কোনো ব্যক্তিকে সালাম দেয়া উচিত নয়। ৬. জিকির ও মোরাকাবারত ব্যক্তিকে সালাম দেয়া উচিত নয়। ৭. ওয়াজ ও নসিহত শোনা অবস্থায় সালাম দেয়া উচিত নয়। ৮. দ্বীনি শিক্ষার মজলিসে মশগুল ব্যক্তিকে সালাম দেয়া উচিত নয়। ৯. আজানরত অবস্থায় মুয়াজ্জিনকে সালাম দেয়া যাবে না। ১০. কেউ কোনো জরুরি হিসাব-নিকাশে ব্যস্ত তখনও সালাম দেয়া যাবে না। সালামের উত্তর দেয়া যেহেতু ওয়াজিব এজন্য যাকে সালাম দেয়া হচ্ছে তার অবস্থাটি বিশেষ বিবেচনায় রাখাই হচ্ছে সালামের মূল আদব।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা

১০টি মুহূর্তে সালাম দেয়া উচিত নয়

আপডেট টাইম : ১০:১৬:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ মার্চ ২০১৬

এক মুসলমান অন্যজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে সালাম দেয়ার বিধান রয়েছে। সালামের মাধ্যমে পরস্পরের জন্য শান্তি ও কল্যাণ কামনা করা হয়। কোনো মুসলমান ভাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে কথা বলার আগে সালাম দেয়া নবীজির আদর্শ। আর এর উত্তর দেয়া অবশ্যকরণীয়। রাসুল (সা.) সালামের ব্যাপারে বিশেষ তাগিদ দিয়েছেন। হাদিসে কারো সঙ্গে দেখা হলে কথাবার্তার আগে সালাম দেয়ার কথা বলা হয়েছে। আমাদের সমাজে সালাম সৌজন্য বিনিময়ের একটি মাধ্যম। চলতে-ফিরতে, দেখা-সাক্ষাতে যেমন সালাম দিতে হয় তেমনি ফোনে বা মোবাইলে কথা বলার সময়ও সালাম দেয়া সুন্নত। সালাম একটি স্বতন্ত্র ইবাদত ও সওয়াবের উপায়।

তবে এই সালামেরও কিছু নিয়ম ও আদব আছে। সালাম একটি সওয়াবের কাজ হলেও অনেক সময় বিধান না মানার কারণে তা আর সওয়াবের কাজ থাকে না, গোনাহের কাজ হয়ে যায়। ১০টি মুহূর্ত এমন আছে যখন সালাম দেয়া উচিত নয়। ১. নামাজ পড়া অবস্থায় কোনো ব্যক্তিকে সালাম দেয়া উচিত নয়। কারণ নামাজের অবস্থায় ওই ব্যক্তি এর উত্তর দিতে পারবেন না। উত্তর দিলে নামাজ ভেঙে যাবে। ২. কেউ প্রশ্রাব-পায়খানা করছে এমতাবস্থায় তাকে সালাম দেয়া যাবে না। কারণ তখন জবাব দেয়ার কোনো উপায় নেই। সালামও এক ধরনের জিকির। প্রশ্রাব-পায়খানার সময় জিকির করা যাবে না। ৩. ওজুরত অবস্থায় কাউকে সালাম দেয়া যাবে না। এতে তার ওজুর মনোযোগ নষ্ট হবে; ওজুতে ভুলও হতে পারে। ৪. কেউ খাবার খাচ্ছে এমতাবস্থায়ও সালাম দেয়া যাবে না। এ সময় সালাম দিতে নিষেধ করা হয়েছে হাদিসে।

৫. কোরআন তেলাওয়াত করা অবস্থায় কোনো ব্যক্তিকে সালাম দেয়া উচিত নয়। ৬. জিকির ও মোরাকাবারত ব্যক্তিকে সালাম দেয়া উচিত নয়। ৭. ওয়াজ ও নসিহত শোনা অবস্থায় সালাম দেয়া উচিত নয়। ৮. দ্বীনি শিক্ষার মজলিসে মশগুল ব্যক্তিকে সালাম দেয়া উচিত নয়। ৯. আজানরত অবস্থায় মুয়াজ্জিনকে সালাম দেয়া যাবে না। ১০. কেউ কোনো জরুরি হিসাব-নিকাশে ব্যস্ত তখনও সালাম দেয়া যাবে না। সালামের উত্তর দেয়া যেহেতু ওয়াজিব এজন্য যাকে সালাম দেয়া হচ্ছে তার অবস্থাটি বিশেষ বিবেচনায় রাখাই হচ্ছে সালামের মূল আদব।