ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

বিএনপি দুষছে আ.লীগকে, তারা বলছে অন্য কথা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:৫৯:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ মার্চ ২০১৬
  • ৪৫৭ বার

প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপ মিলে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের বাঁধা ও হুমকির কারণে বিএনপির ১৬২ জন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেনি বলে অভিযোগ করেছেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপ মিলে ১৬২ জনের মতো বিএনপির মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধাদান অথবা জমা দেওয়ার পর প্রত্যাহারে বাধ্য করে অথবা ঠুনকো অজুহাতে প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে।

ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরেন রিজভী বলেন, নির্বাচন নিয়ে অনাচার ও অনিয়মের ঘটনা সম্পর্কে নির্বাচন কমিশন নির্বিকার রয়েছে। তাদের (নির্বাচন কমিশন) পক্ষপাতিত্বের

কারণে এখন পর্যন্ত দুই ধাপে নির্বাচনে সরকারি দলের প্রায় ১৫০ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে।

ফেনীল ফুলগাজীর জিএম হাট ইউনিয়ন, আনন্দপুর ইউনিয়ন, গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার হিরন, রামশিল, বান্দাবাড়ী, তিনজুরী ইউনিয়ন, বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নে সরকারি দলের হামলা ও বাঁধার কারণে বিএনপির প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেনি বলে অভিযোগ করেন রিজভী।

এছাড়া নড়াইল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের অভিযোগ তুলে তার নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তাদের মুক্তি দাবি করেন তিনি।

এদিকে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, এ রকম অবস্থায় বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচন করার বিষয়ে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের আগ্রহ অনেকটাই কমে গেছে। এসব কারণে তারা দলীয় প্রার্থী খুঁজে পাচ্ছে না। এই ব্যর্থতার দায় তারা অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে শান্তনা খোঁজার চেষ্টা করছেন।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে কুষ্টিয়ার হানিফনগরে নিজ বাসভবনে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির কাউন্সিল প্রসঙ্গে হানিফ বলেন, বিএনপি জানে তারা কাউন্সিল করার অনুমতি চাইলেই পাবে। তারপরও তারা নিজেরাই কখনও এখানে কখনও ওখানে এই স্থান নির্ধারণ নিয়েই তালবাহানা করছে। এটা তাদের সিদ্ধান্তহীনতার বহিঃপ্রকাশ। তারা নিজেরাও জানে না কাউন্সিল করবে কি না বা করলে কোথায় করবে। এই সিদ্ধান্তহীনতা তারা সরকারের ঘাড়ে চাপাচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

বিএনপি দুষছে আ.লীগকে, তারা বলছে অন্য কথা

আপডেট টাইম : ০৮:৫৯:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ মার্চ ২০১৬

প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপ মিলে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের বাঁধা ও হুমকির কারণে বিএনপির ১৬২ জন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেনি বলে অভিযোগ করেছেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপ মিলে ১৬২ জনের মতো বিএনপির মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধাদান অথবা জমা দেওয়ার পর প্রত্যাহারে বাধ্য করে অথবা ঠুনকো অজুহাতে প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে।

ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরেন রিজভী বলেন, নির্বাচন নিয়ে অনাচার ও অনিয়মের ঘটনা সম্পর্কে নির্বাচন কমিশন নির্বিকার রয়েছে। তাদের (নির্বাচন কমিশন) পক্ষপাতিত্বের

কারণে এখন পর্যন্ত দুই ধাপে নির্বাচনে সরকারি দলের প্রায় ১৫০ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে।

ফেনীল ফুলগাজীর জিএম হাট ইউনিয়ন, আনন্দপুর ইউনিয়ন, গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার হিরন, রামশিল, বান্দাবাড়ী, তিনজুরী ইউনিয়ন, বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নে সরকারি দলের হামলা ও বাঁধার কারণে বিএনপির প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেনি বলে অভিযোগ করেন রিজভী।

এছাড়া নড়াইল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের অভিযোগ তুলে তার নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তাদের মুক্তি দাবি করেন তিনি।

এদিকে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, এ রকম অবস্থায় বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচন করার বিষয়ে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের আগ্রহ অনেকটাই কমে গেছে। এসব কারণে তারা দলীয় প্রার্থী খুঁজে পাচ্ছে না। এই ব্যর্থতার দায় তারা অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে শান্তনা খোঁজার চেষ্টা করছেন।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে কুষ্টিয়ার হানিফনগরে নিজ বাসভবনে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির কাউন্সিল প্রসঙ্গে হানিফ বলেন, বিএনপি জানে তারা কাউন্সিল করার অনুমতি চাইলেই পাবে। তারপরও তারা নিজেরাই কখনও এখানে কখনও ওখানে এই স্থান নির্ধারণ নিয়েই তালবাহানা করছে। এটা তাদের সিদ্ধান্তহীনতার বহিঃপ্রকাশ। তারা নিজেরাও জানে না কাউন্সিল করবে কি না বা করলে কোথায় করবে। এই সিদ্ধান্তহীনতা তারা সরকারের ঘাড়ে চাপাচ্ছে।