ঢাকা ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারিতে বাচ্চুর সংশ্লিষ্টতা ছিল: অর্থমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১০:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৬
  • ৪২২ বার

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংক কর্তৃক নিয়োগকৃত বহিঃনিরীক্ষক প্রতিষ্ঠানদ্বয়ের দাখিলকৃত কার্যভিত্তিক নিরীক্ষা প্রতিবেদনে অনিয়মিত ঋণ মঞ্জুর, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে তত্কালীন পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই বাচ্চুর সংশ্লিষ্টতা ছিল বলে উল্লেখ রয়েছে।’ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে দেয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

২০০৯ সাল থেকে ২০১২ সালের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটির গুলশান, দিলকুশা ও শান্তিনগর শাখা থেকে মোট সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ঋণ অনিয়মের মাধ্যমে বিতরণের অভিযোগ ওঠার পর তার তদন্তে নেমেছিল দুদক। চার বছর তদন্তের পর গত বছরের সেপ্টেম্বরে দুদক ১৮টি মামলা করলেও বাচ্চুকে আসামি করা হয়নি, যদিও ব্যাংকটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগের আঙুল ছিল তার বিরুদ্ধে।

জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য বাচ্চুকে ২০০৯ সালে বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেয় সরকার। ২০১২ সালে তার নিয়োগ নবায়নও হয়েছিল। কিন্তু ঋণ কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠলে ২০১৪ সালে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ফখরুল ইসলামকে অপসারণ করার পর চাপের মুখে থাকা বাচ্চু পদত্যাগ করেন।

তখন অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, পদত্যাগ করলেই পার পাবেন না বাচ্চু। তদন্তে দোষ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এরপর দুদকের তদন্তে বাচ্চু পার পাওয়ায় তাতে অসন্তুষ্ট অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি নিজেরাই তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারিতে বাচ্চুর সংশ্লিষ্টতা ছিল: অর্থমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১১:১০:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংক কর্তৃক নিয়োগকৃত বহিঃনিরীক্ষক প্রতিষ্ঠানদ্বয়ের দাখিলকৃত কার্যভিত্তিক নিরীক্ষা প্রতিবেদনে অনিয়মিত ঋণ মঞ্জুর, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে তত্কালীন পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই বাচ্চুর সংশ্লিষ্টতা ছিল বলে উল্লেখ রয়েছে।’ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে দেয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

২০০৯ সাল থেকে ২০১২ সালের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটির গুলশান, দিলকুশা ও শান্তিনগর শাখা থেকে মোট সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ঋণ অনিয়মের মাধ্যমে বিতরণের অভিযোগ ওঠার পর তার তদন্তে নেমেছিল দুদক। চার বছর তদন্তের পর গত বছরের সেপ্টেম্বরে দুদক ১৮টি মামলা করলেও বাচ্চুকে আসামি করা হয়নি, যদিও ব্যাংকটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগের আঙুল ছিল তার বিরুদ্ধে।

জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য বাচ্চুকে ২০০৯ সালে বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেয় সরকার। ২০১২ সালে তার নিয়োগ নবায়নও হয়েছিল। কিন্তু ঋণ কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠলে ২০১৪ সালে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ফখরুল ইসলামকে অপসারণ করার পর চাপের মুখে থাকা বাচ্চু পদত্যাগ করেন।

তখন অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, পদত্যাগ করলেই পার পাবেন না বাচ্চু। তদন্তে দোষ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এরপর দুদকের তদন্তে বাচ্চু পার পাওয়ায় তাতে অসন্তুষ্ট অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি নিজেরাই তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে।