ঢাকা ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

যে কারণে হেঁটেই জুমার নামাজ পড়তে গেলেন বৃদ্ধ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:২১:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মার্চ ২০২১
  • ২৭৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বর্তমান বিশ্বে সবাই যখন তাড়াহুড়োয় ব্যস্ত, তখন এমন হৃদয়ছোঁয়া ঘটনা বিরলই বটে। সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এক বৃদ্ধ শুক্রবার জুমার নামাজ পড়তে যাচ্ছেন, তখন এক গাড়ির চালক তাকে মসজিদ পর্যন্ত এগিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন।

কিন্তু ওই বৃদ্ধ রাসুল (সা.)-এর একটি হাদিস শুনিয়ে হেঁটেই মসজিদে চলে যান। তিনি চালকের রাইড দেওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল (ফরজ) অথবা (সাধারণ) গোসল করল, তাড়াতাড়ি মসজিদে গেল অথবা যাওয়ার চেষ্টা করল, যাওয়ার পথে কোনো কিছুতে আরোহন না করে হেঁটে গেল, ইমামের কাছে ঘেঁষে বসল, কোনো প্রকার অহেতুক কথাবার্তা না বলে মনোযোগের সঙ্গে খুতবা শোনে ও নামাজ আদায় করে, তা হলে তার প্রতিটি কদমের (পদক্ষেপ) বিনিময়ে এক বছর রোজা ও নামাজের সওয়াব দেওয়া হবে। (তিরমিজি, হাদিস নম্বর: ৪৫৬)

পরবর্তীতে সামাজিকমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। নবীজির বাণীর প্রতি বৃদ্ধের ভালোবাস ও তার আমলে নেটিজেনরাও মুগ্ধ হয়ে যান এবং মানুষকে উৎসাহিত করতে নিজেদের ওয়ালে ভিডিওটি শেয়ার করেন।

ফেসবুকে মন্তব্যে রহমান রোনাক নামে এক ব্যক্তিকে বলতে দেখা গেছে, যদি আমরা হৃদয় ও মন দিয়ে আল্লাহকে ভালোবাসি, তবে আল্লাহও আমাদের রক্ষা করবেন। আল্লাহ আমাদের পাপগুলোকে ক্ষমা করে দেবেন এবং দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ দান করবেন।

হেঁটে জুমায় যাওয়া রাসুল (সা.)-এর সুন্নত। অবশ্য মসজিদ যদি বেশি দূরে হয়, তখন কষ্ট করে হেঁটে যাওয়ার দরকার নেই।

অন্যান্য সাহাবায়ে কেরামের মতো রাসুল (সা.)-এর প্রিয় সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা (রা.) মসজিদে হেঁটে আসতেন, তবে ফিরে যাওয়ার সময় কখনও হেঁটে যেতেন, আবার কখনও আরোহন করে যেতেন।(ইবনে আবি শায়বা)।

ওমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.) তার গভর্নরদের কাছে লিখে পাঠিয়ে ছিলেন যে, কেউ যেন আরোহিত হয়ে জুমায় না আসেন। (ইবনে সায়াদের বরাতে ‘ফাতহুল বারি লিল হাফিজ ইবনে রজব আল-হাম্বলি)।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

যে কারণে হেঁটেই জুমার নামাজ পড়তে গেলেন বৃদ্ধ

আপডেট টাইম : ১১:২১:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মার্চ ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বর্তমান বিশ্বে সবাই যখন তাড়াহুড়োয় ব্যস্ত, তখন এমন হৃদয়ছোঁয়া ঘটনা বিরলই বটে। সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এক বৃদ্ধ শুক্রবার জুমার নামাজ পড়তে যাচ্ছেন, তখন এক গাড়ির চালক তাকে মসজিদ পর্যন্ত এগিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন।

কিন্তু ওই বৃদ্ধ রাসুল (সা.)-এর একটি হাদিস শুনিয়ে হেঁটেই মসজিদে চলে যান। তিনি চালকের রাইড দেওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল (ফরজ) অথবা (সাধারণ) গোসল করল, তাড়াতাড়ি মসজিদে গেল অথবা যাওয়ার চেষ্টা করল, যাওয়ার পথে কোনো কিছুতে আরোহন না করে হেঁটে গেল, ইমামের কাছে ঘেঁষে বসল, কোনো প্রকার অহেতুক কথাবার্তা না বলে মনোযোগের সঙ্গে খুতবা শোনে ও নামাজ আদায় করে, তা হলে তার প্রতিটি কদমের (পদক্ষেপ) বিনিময়ে এক বছর রোজা ও নামাজের সওয়াব দেওয়া হবে। (তিরমিজি, হাদিস নম্বর: ৪৫৬)

পরবর্তীতে সামাজিকমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। নবীজির বাণীর প্রতি বৃদ্ধের ভালোবাস ও তার আমলে নেটিজেনরাও মুগ্ধ হয়ে যান এবং মানুষকে উৎসাহিত করতে নিজেদের ওয়ালে ভিডিওটি শেয়ার করেন।

ফেসবুকে মন্তব্যে রহমান রোনাক নামে এক ব্যক্তিকে বলতে দেখা গেছে, যদি আমরা হৃদয় ও মন দিয়ে আল্লাহকে ভালোবাসি, তবে আল্লাহও আমাদের রক্ষা করবেন। আল্লাহ আমাদের পাপগুলোকে ক্ষমা করে দেবেন এবং দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ দান করবেন।

হেঁটে জুমায় যাওয়া রাসুল (সা.)-এর সুন্নত। অবশ্য মসজিদ যদি বেশি দূরে হয়, তখন কষ্ট করে হেঁটে যাওয়ার দরকার নেই।

অন্যান্য সাহাবায়ে কেরামের মতো রাসুল (সা.)-এর প্রিয় সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা (রা.) মসজিদে হেঁটে আসতেন, তবে ফিরে যাওয়ার সময় কখনও হেঁটে যেতেন, আবার কখনও আরোহন করে যেতেন।(ইবনে আবি শায়বা)।

ওমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.) তার গভর্নরদের কাছে লিখে পাঠিয়ে ছিলেন যে, কেউ যেন আরোহিত হয়ে জুমায় না আসেন। (ইবনে সায়াদের বরাতে ‘ফাতহুল বারি লিল হাফিজ ইবনে রজব আল-হাম্বলি)।