ঢাকা ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভালোবেসে সখী নামটি লিখো মনে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৬
  • ৬১৯ বার

‘সখী ভালোবাসা কারে কয়।’ দিনক্ষণ মেনে কী ভালোবাসা হয়। ভালোবাসার মানুষের জন্য তো জীবনটাও যথেষ্ট নয়। তবে একটি দিন কেন। প্রশ্ন ওঠে। প্রশ্ন থাকে। তবে উত্তর, আজকের (১৪ ফেব্রুয়ারি, রোববার) দিনটি শুধুই তার জন্য। আরো একবার বলতে চাই, তোমাকে ভালোবাসি অনেক।

প্রতিদিনের মতো আজ (রোববার) আকাশেও একই সূর্য উঠবে। কিন্তু দক্ষিণা হাওয়া হৃদয়ে বুনে দেবে ভ্রমরের গুঞ্জন। যা বলবে ভালোবাসার কথা। কারণ আজ (রোববার) ভালোবাসার দিন। বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বা ভ্যালেন্টাইনস ডে।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় ‘আমার জীবনে তুমি বাঁচো ওগো বাঁচো/ তোমার কামনা আমার চিত্ত দিয়ে যাঁচো…’ অথবা ‘তোমরা যে বল ভালোবাসা ভালোবাসা/সখী ভালবাসা কারে কয়…।’

একদিন আগে (শনিবার) ছিল বাঙালি সংস্কৃতির বসন্ত। যার ছোয়া যেন আরো রাঙিয়ে দেবে প্রেমিক মনকে। প্রেমদেব কিউপিড এদিন প্রেমশর বাগিয়ে হৃদয় কন্দরে ঘুরে বেড়াবেন। সে অনুরাগে প্রেমপাগল প্রেমিক-প্রেমিকারা পরাণতাড়িত হয়ে বিদ্ধ হবে দেবতার বাঁকা ইশারায়। তাদের মনে লাগবে দোলা, ভালোবাসার রঙে রাঙাবে হৃদয়। ভালোবাসা উৎসবে মুখর হবে জনপদ। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও পালিত হবে দিবসটি।

প্রযুক্তিনির্ভর তরুণ-তরুণীরাই বেশি ক্রেজি হয়ে উঠবে দিনটি পালনে। প্রযুক্তির কল্যাণে মুঠোফোনের ক্ষুদ্র বার্তা, ইমেইল অথবা ফেসবুকে পুঞ্জ পুঞ্জ প্রেম কথার কবিতা রচনা করবে তারা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে রবীন্দ্র সরোবর পর্যন্ত রাজধানী ঢাকার আনাচে কানাচে এমনকি সারাদেশের পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্রগুলো সরব হবে প্রেমিক-প্রেমিকাদের পদচারণায়। হয়তো কবির ভাষায় একে অন্যকে বলবে ‘তোমাকে ভালোবাসি। ভালোবেসে সখী নিভৃত যতনে আমার নামটি লিখো তোমার মনের মন্দিরে…’।

পশ্চিমা দুনিয়ায় ভ্যালেন্টাইন ডে বা প্রেম উৎসব তারুণ্যের মাঝে এক অদেখা ভুবনের উত্তেজনা ছড়ায়। এদিন চকোলেট, পারফিউম, গ্রিটিংস কার্ড, ইমেইল, মোবাইলের এসএমএস প্রেমবার্তা, হিরার আংটি, প্রিয় পোশাক, খেলনা মার্জার, বইয়ের ভেতরে রাখা গোলাপের ইশারা ইত্যাদি বিনিময় হয়ে উঠবে তরুণ-তরুণীদের প্রথম অনুসঙ্গ। আমাদের দেশে ১৯৯৪ সাল থেকে দিবসটি বেশ ঘটা করে পালিত হয়ে আসছে।

রাজধানীর উদ্যান, বইমেলা, কফিশপ, ফাস্টফুড, লং ড্রাইভ, অথবা নির্জন গৃহকোণে একান্ত নিভৃতে কাটাবেন প্রেমকাতুর তরুণ-তরুণীরা।

দিনটি যে শুধু তরুণ-তরুণীদের তা নয়, পিতামাতা সন্তানদেরও ভালোবাসার বড়মাত্রায় উদ্ভাসিত করে। যারা একটু বিজ্ঞ তারা বলেন, প্রেমের কোনো দিন থাকে না, ভালোবাসলেই ভ্যালেন্টাইন, সেলিব্রেট করলেই ভ্যালেন্টাইন ডে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ভালোবেসে সখী নামটি লিখো মনে

আপডেট টাইম : ১২:০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

‘সখী ভালোবাসা কারে কয়।’ দিনক্ষণ মেনে কী ভালোবাসা হয়। ভালোবাসার মানুষের জন্য তো জীবনটাও যথেষ্ট নয়। তবে একটি দিন কেন। প্রশ্ন ওঠে। প্রশ্ন থাকে। তবে উত্তর, আজকের (১৪ ফেব্রুয়ারি, রোববার) দিনটি শুধুই তার জন্য। আরো একবার বলতে চাই, তোমাকে ভালোবাসি অনেক।

প্রতিদিনের মতো আজ (রোববার) আকাশেও একই সূর্য উঠবে। কিন্তু দক্ষিণা হাওয়া হৃদয়ে বুনে দেবে ভ্রমরের গুঞ্জন। যা বলবে ভালোবাসার কথা। কারণ আজ (রোববার) ভালোবাসার দিন। বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বা ভ্যালেন্টাইনস ডে।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় ‘আমার জীবনে তুমি বাঁচো ওগো বাঁচো/ তোমার কামনা আমার চিত্ত দিয়ে যাঁচো…’ অথবা ‘তোমরা যে বল ভালোবাসা ভালোবাসা/সখী ভালবাসা কারে কয়…।’

একদিন আগে (শনিবার) ছিল বাঙালি সংস্কৃতির বসন্ত। যার ছোয়া যেন আরো রাঙিয়ে দেবে প্রেমিক মনকে। প্রেমদেব কিউপিড এদিন প্রেমশর বাগিয়ে হৃদয় কন্দরে ঘুরে বেড়াবেন। সে অনুরাগে প্রেমপাগল প্রেমিক-প্রেমিকারা পরাণতাড়িত হয়ে বিদ্ধ হবে দেবতার বাঁকা ইশারায়। তাদের মনে লাগবে দোলা, ভালোবাসার রঙে রাঙাবে হৃদয়। ভালোবাসা উৎসবে মুখর হবে জনপদ। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও পালিত হবে দিবসটি।

প্রযুক্তিনির্ভর তরুণ-তরুণীরাই বেশি ক্রেজি হয়ে উঠবে দিনটি পালনে। প্রযুক্তির কল্যাণে মুঠোফোনের ক্ষুদ্র বার্তা, ইমেইল অথবা ফেসবুকে পুঞ্জ পুঞ্জ প্রেম কথার কবিতা রচনা করবে তারা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে রবীন্দ্র সরোবর পর্যন্ত রাজধানী ঢাকার আনাচে কানাচে এমনকি সারাদেশের পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্রগুলো সরব হবে প্রেমিক-প্রেমিকাদের পদচারণায়। হয়তো কবির ভাষায় একে অন্যকে বলবে ‘তোমাকে ভালোবাসি। ভালোবেসে সখী নিভৃত যতনে আমার নামটি লিখো তোমার মনের মন্দিরে…’।

পশ্চিমা দুনিয়ায় ভ্যালেন্টাইন ডে বা প্রেম উৎসব তারুণ্যের মাঝে এক অদেখা ভুবনের উত্তেজনা ছড়ায়। এদিন চকোলেট, পারফিউম, গ্রিটিংস কার্ড, ইমেইল, মোবাইলের এসএমএস প্রেমবার্তা, হিরার আংটি, প্রিয় পোশাক, খেলনা মার্জার, বইয়ের ভেতরে রাখা গোলাপের ইশারা ইত্যাদি বিনিময় হয়ে উঠবে তরুণ-তরুণীদের প্রথম অনুসঙ্গ। আমাদের দেশে ১৯৯৪ সাল থেকে দিবসটি বেশ ঘটা করে পালিত হয়ে আসছে।

রাজধানীর উদ্যান, বইমেলা, কফিশপ, ফাস্টফুড, লং ড্রাইভ, অথবা নির্জন গৃহকোণে একান্ত নিভৃতে কাটাবেন প্রেমকাতুর তরুণ-তরুণীরা।

দিনটি যে শুধু তরুণ-তরুণীদের তা নয়, পিতামাতা সন্তানদেরও ভালোবাসার বড়মাত্রায় উদ্ভাসিত করে। যারা একটু বিজ্ঞ তারা বলেন, প্রেমের কোনো দিন থাকে না, ভালোবাসলেই ভ্যালেন্টাইন, সেলিব্রেট করলেই ভ্যালেন্টাইন ডে।