ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না রঙিন কাপড়ে ঝোলের পুরনো দাগ উঠবে মাত্র ৫ মিনিটে দুই মাসে ৪০০ টন পণ্য পরিবহন করেছে ‘স্পিড পোস্ট’ প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরলেই ব্যাপক কর্মযজ্ঞ মেঘলাকে ধাক্কা দেওয়া গাড়ি ও চালক আটক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা দিল দূতাবাস চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লং মার্চ’ শুরু বলিভিয়ায় সামরিকঘাঁটিতে বিস্ফোরণে ১০ জন নিহত, আহত ৫৮ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী পুলিশ অফিসারদের চিহ্নিত করা হয়েছে: আইজিপি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলকে হারানোর ২ বছর

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:৪৬:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১
  • ৩৮৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বাংলা সঙ্গীতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। একাধারে তিনি গীতিকবি, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক। দুই বছর আগে আজকের এই দিনে (২২ জানুয়ারি) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান এই সঙ্গীতজ্ঞ। আজ শুক্রবার তার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী।

আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের চলে যাওয়ার এ দিনটিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে স্মৃতিচারণ করছেন অনেকেই। শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানিয়েছে অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগীরা।

আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের জন্ম ১৯৫৭ সালের ১ জানুয়ারি। সত্তর দশকের শেষ লগ্ন থেকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পসহ সঙ্গীতাঙ্গনে সক্রিয় ছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।

রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মান একুশে পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং রাষ্ট্রপতি পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন সঙ্গীত জগতের এই নক্ষত্র। বহু কালজয়ী গানের স্রষ্টা এ শিল্পী প্রায় তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন। সঙ্গীতাঙ্গনে বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশের মানুষ তাকে দীর্ঘকাল মনে রাখবে।

তার উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে সব কটা জানালা খুলে দাও না, মাঝি নাও ছাইড়া দে ও মাঝি পাল উড়াইয়া দে, সেই রেল লাইনের ধারে, সুন্দর সুবর্ণ তারুণ্য লাবণ্য, ও আমার আট কোটি ফুল দেখ গো মালি, মাগো আর তোমাকে ঘুম পাড়ানি মাসি হতে দেব না, একতারা লাগে না আমার দোতারাও লাগে না, আমার সারাদেহ খেয়ো গো মাটি, আমার বুকের মধ্যেখানে, আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন, আমি তোমারি প্রেমও ভিখারি, ও আমার মন কান্দে, ও আমার প্রাণ কান্দে, আইলো দারুণ ফাগুনরে, আমার একদিকে পৃথিবী একদিকে ভালোবাসা, আমি তোমার দুটি চোখে দুটি তারা হয়ে থাকবো, আমার গরুর গাড়িতে বৌ সাজিয়ে, পৃথিবীর যত সুখ আমি তোমারই ছোঁয়াতে যেন পেয়েছি, তোমায় দেখলে মনে হয়, হাজার বছর আগেও বুঝি ছিল পরিচয়, কত মানুষ ভবের বাজারে, তুই ছাড়া কে আছে আমার জগৎ সংসারে, বাজারে যাচাই করে দেখিনি তো দাম, আম্মাজান আম্মাজান, স্বামী আর স্ত্রী বানায় যে জন মিস্ত্রি, আমার জানের জান আমার আব্বাজান, ঈশ্বর আল্লাহ বিধাতা জানে, এই বুকে বইছে যমুনা, সাগরের মতই গভীর, আকাশের মতই অসীম, প্রেম কখনো মধুর, কখনো সে বেদনা বিধুর, আমার সুখেরও কলসি ভাইঙ্গা গেসে লাগবে না আর জোড়া, পৃথিবীর জন্ম যেদিন থেকে, তোমার আমার প্রেম সেদিন থেকে।

এ ছাড়াও রয়েছে- পড়ে না চখের পলক, যে প্রেম স্বর্গ থেকে এসে, প্রাণের চেয়ে প্রিয়, কী আমার পরিচয়, অনন্ত প্রেম তুমি দাও আমাকে, তুমি আমার জীবন, আমি তোমার জীবন, তোমার আমার প্রেম এক জনমের নয়, তুমি হাজার ফুলের মাঝে একটি গোলাপ, জীবনে বসন্ত এসেছে, ফুলে ফুলে ভরে গেছে মন, ঘুমিয়ে থাকো গো স্বজনী আমার হৃদয় একটা আয়না, ফুল নেব না অশ্রু নেব, বিধি তুমি বলে দাও আমি কার, তুমি মোর জীবনের ভাবনা, হৃদয়ে সুখের দোলা, তুমি আমার এমনই একজন, যারে এক জনমে ভালবেসে ভরবে না এ মন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তাড়াশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি, বরাদ্দ পাওয়া অনেকেই থাকেন না

আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলকে হারানোর ২ বছর

আপডেট টাইম : ০৩:৪৬:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বাংলা সঙ্গীতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। একাধারে তিনি গীতিকবি, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক। দুই বছর আগে আজকের এই দিনে (২২ জানুয়ারি) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান এই সঙ্গীতজ্ঞ। আজ শুক্রবার তার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী।

আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের চলে যাওয়ার এ দিনটিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে স্মৃতিচারণ করছেন অনেকেই। শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানিয়েছে অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগীরা।

আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের জন্ম ১৯৫৭ সালের ১ জানুয়ারি। সত্তর দশকের শেষ লগ্ন থেকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পসহ সঙ্গীতাঙ্গনে সক্রিয় ছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।

রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মান একুশে পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং রাষ্ট্রপতি পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন সঙ্গীত জগতের এই নক্ষত্র। বহু কালজয়ী গানের স্রষ্টা এ শিল্পী প্রায় তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন। সঙ্গীতাঙ্গনে বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশের মানুষ তাকে দীর্ঘকাল মনে রাখবে।

তার উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে সব কটা জানালা খুলে দাও না, মাঝি নাও ছাইড়া দে ও মাঝি পাল উড়াইয়া দে, সেই রেল লাইনের ধারে, সুন্দর সুবর্ণ তারুণ্য লাবণ্য, ও আমার আট কোটি ফুল দেখ গো মালি, মাগো আর তোমাকে ঘুম পাড়ানি মাসি হতে দেব না, একতারা লাগে না আমার দোতারাও লাগে না, আমার সারাদেহ খেয়ো গো মাটি, আমার বুকের মধ্যেখানে, আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন, আমি তোমারি প্রেমও ভিখারি, ও আমার মন কান্দে, ও আমার প্রাণ কান্দে, আইলো দারুণ ফাগুনরে, আমার একদিকে পৃথিবী একদিকে ভালোবাসা, আমি তোমার দুটি চোখে দুটি তারা হয়ে থাকবো, আমার গরুর গাড়িতে বৌ সাজিয়ে, পৃথিবীর যত সুখ আমি তোমারই ছোঁয়াতে যেন পেয়েছি, তোমায় দেখলে মনে হয়, হাজার বছর আগেও বুঝি ছিল পরিচয়, কত মানুষ ভবের বাজারে, তুই ছাড়া কে আছে আমার জগৎ সংসারে, বাজারে যাচাই করে দেখিনি তো দাম, আম্মাজান আম্মাজান, স্বামী আর স্ত্রী বানায় যে জন মিস্ত্রি, আমার জানের জান আমার আব্বাজান, ঈশ্বর আল্লাহ বিধাতা জানে, এই বুকে বইছে যমুনা, সাগরের মতই গভীর, আকাশের মতই অসীম, প্রেম কখনো মধুর, কখনো সে বেদনা বিধুর, আমার সুখেরও কলসি ভাইঙ্গা গেসে লাগবে না আর জোড়া, পৃথিবীর জন্ম যেদিন থেকে, তোমার আমার প্রেম সেদিন থেকে।

এ ছাড়াও রয়েছে- পড়ে না চখের পলক, যে প্রেম স্বর্গ থেকে এসে, প্রাণের চেয়ে প্রিয়, কী আমার পরিচয়, অনন্ত প্রেম তুমি দাও আমাকে, তুমি আমার জীবন, আমি তোমার জীবন, তোমার আমার প্রেম এক জনমের নয়, তুমি হাজার ফুলের মাঝে একটি গোলাপ, জীবনে বসন্ত এসেছে, ফুলে ফুলে ভরে গেছে মন, ঘুমিয়ে থাকো গো স্বজনী আমার হৃদয় একটা আয়না, ফুল নেব না অশ্রু নেব, বিধি তুমি বলে দাও আমি কার, তুমি মোর জীবনের ভাবনা, হৃদয়ে সুখের দোলা, তুমি আমার এমনই একজন, যারে এক জনমে ভালবেসে ভরবে না এ মন।