ঢাকা ০৭:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
যেসব জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ, বৃষ্টির পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস সোহরাওয়ার্দীতে খেলাফত মজলিসের সমাবেশে মানুষের ঢল আকাশ ভরা হাঁসের মেলা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল, অংশ নিচ্ছেন সাড়ে ৪ লাখ শিক্ষার্থী মোজতবা খামেনির বার্তা ইরানের শক্তিশালী ‘জাতীয় ঐক্য’ শত্রুপক্ষের জন্য বড় ‘ধাক্কা’ বিগত সরকারের সময়ে সুপ্রিম কোর্ট রাজনৈতিক কর্মীতে পরিণত হয়েছিলো: আইনমন্ত্রী শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে: জাতিসংঘ শিক্ষিকার সঙ্গে বিএনপি নেতার হাতাহাতির নেপথ্যে কী আশ্বাসের পরও অন্ধকারে পাহাড়ের ‘অনাথ’ জনপদ, ১২ দিন ধরে কাঁধে অসুস্থ রোগী, মিলছে না ন্যূনতম চিকিৎসা সেবা সিলেটে বিশেষ অভিযানে ৩২ ঘণ্টায় আটক ৭৭

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জনগণেরই অংশ: প্রধানমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০১৬
  • ৫২৬ বার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জনগণেরই অংশ। বিভিন্ন কাজে তাদের অবদান ভূয়সি প্রংশসা পেয়েছে। শুধু দেশে নয়, বিদেশেও তারা মহান দায়িত্ব পালন করছে। আজ শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের নবম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, সশস্ত্র বাহিনী দেশের ঐক্য ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। সেনাবাহিনীকে সময়ের সাথে তাল মিলেয়ে ঐকটি দক্ষ, সুশৃংখল এবং শক্তিশালী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষে সরকার কাজ করে যাচ্ছে, ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে। বর্তমান সরকারের রূপকল্প ২০২১ এর আলোকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফোর্সেস গোল ২০৩০ চূড়ান্ত করা হয়েছে। ফোর্সেস গোল ২০৩০ এর আলোকে সেনাবাহিনীর সাংগঠনিক কাঠামো বিন্যাস ও পরিবর্তনের পাশাপাশি সেনাবাহিনীকে আধুনিকায়নের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু দেশের অভ্যন্তরেই নয়, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ আজ বিশ্ব পরিম-লেও তাদের কর্মদক্ষতা দিয়ে নিজ বাহিনী তথা দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে। সেবা ও কর্তব্যপরায়ণাতার মাধ্যমে সেনাবাহিনীর সদস্যরা দেশের মানুষের শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। গভীর দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা নিষ্ঠার সাথে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কর্ণেল রেজিমেন্টের অভিষেক উপলক্ষে নতুন এই ইউনিটের প্রধানের হাতে পতাকা তুলে দনে। এরপর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৯ম পুর্নমিলনি অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ শেষে সেন্টারে অবস্থিত অজানা শহীদ সমাধিতে পুষ্পস্তবক অপর্ণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর পুর্নমিলনি অনুষ্ঠানে আগত সেনা প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হকসহ আগত তিন বাহিনীর প্রধান, সরকারের মন্ত্রী ও এমপি পরিষদের সদস্য, সাবেক সেনা প্রধানসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে মধ্যাহ্নভোজনে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের দুই বীর সেনানী বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তাফা কামাল ও বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোহাম্মদ হামিদুর রহমানসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী সকল সদস্যকে স্মরণ করেন। একই সাথে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা মেজর এম এ গণি, রেজিমেন্টের পথিকৃত জেনারেল এম এ জি ওসমানীর অবদান কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

যেসব জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ, বৃষ্টির পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জনগণেরই অংশ: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১১:১৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০১৬

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জনগণেরই অংশ। বিভিন্ন কাজে তাদের অবদান ভূয়সি প্রংশসা পেয়েছে। শুধু দেশে নয়, বিদেশেও তারা মহান দায়িত্ব পালন করছে। আজ শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের নবম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, সশস্ত্র বাহিনী দেশের ঐক্য ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। সেনাবাহিনীকে সময়ের সাথে তাল মিলেয়ে ঐকটি দক্ষ, সুশৃংখল এবং শক্তিশালী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষে সরকার কাজ করে যাচ্ছে, ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে। বর্তমান সরকারের রূপকল্প ২০২১ এর আলোকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফোর্সেস গোল ২০৩০ চূড়ান্ত করা হয়েছে। ফোর্সেস গোল ২০৩০ এর আলোকে সেনাবাহিনীর সাংগঠনিক কাঠামো বিন্যাস ও পরিবর্তনের পাশাপাশি সেনাবাহিনীকে আধুনিকায়নের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু দেশের অভ্যন্তরেই নয়, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ আজ বিশ্ব পরিম-লেও তাদের কর্মদক্ষতা দিয়ে নিজ বাহিনী তথা দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে। সেবা ও কর্তব্যপরায়ণাতার মাধ্যমে সেনাবাহিনীর সদস্যরা দেশের মানুষের শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। গভীর দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা নিষ্ঠার সাথে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কর্ণেল রেজিমেন্টের অভিষেক উপলক্ষে নতুন এই ইউনিটের প্রধানের হাতে পতাকা তুলে দনে। এরপর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৯ম পুর্নমিলনি অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ শেষে সেন্টারে অবস্থিত অজানা শহীদ সমাধিতে পুষ্পস্তবক অপর্ণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর পুর্নমিলনি অনুষ্ঠানে আগত সেনা প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হকসহ আগত তিন বাহিনীর প্রধান, সরকারের মন্ত্রী ও এমপি পরিষদের সদস্য, সাবেক সেনা প্রধানসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে মধ্যাহ্নভোজনে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের দুই বীর সেনানী বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তাফা কামাল ও বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোহাম্মদ হামিদুর রহমানসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী সকল সদস্যকে স্মরণ করেন। একই সাথে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা মেজর এম এ গণি, রেজিমেন্টের পথিকৃত জেনারেল এম এ জি ওসমানীর অবদান কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।